ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলতে কী বোঝায়?
বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
জাতিসঙ্ঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপি) প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, যখন কোনো দেশের কর্মক্ষমতাহীন মানুষের চেয়ে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেশি থাকে এবং সেটি যখন অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, তখনই তাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলা হয়।বাংলাদেশ ২০০৭ সালে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের যুগে প্রবেশ করেছে এবং এর সুবিধা ২০৪০ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি অর্জনের জন্য ৮-১০% প্রবৃদ্ধি এবং ১৫% কর-জিডিপি অনুপাত নিশ্চিত করতে হবে।তরুণ জনগোষ্ঠীর যথাযথ প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ ও উৎপাদনশীলতার ঘাটতি লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম প্রধান বাধা।রপ্তানি আয় ও বাজার প্রধানত তৈরি পোশাক এবং নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল, যা বহুমুখীকরণ করা জরুরি। সূত্রঃ যুগান্তর