- 'কৈ মাছের প্রাণ' বাগধারার অর্থ শক্তপ্রাণ/দীর্ঘজীবী।
- 'বকধার্মিক' বাগধারার অর্থ ভন্ড সাধু।
- 'ধামাধরা' বাগধারার অর্থ তোষামোদকারী। ।
- ধর্মের ষাঁড়' বাগধারাটির অকর্মণ্য
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
চিনির বলদ > নিষ্ফল পরিশ্রম,
জিলাপির প্যাঁচ > কুটিল বুদ্ধি,
ঠোঁট কাটা > স্পষ্টবাদী।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
জগদ্দল পাথর - গুরুভার
চক্ষু চড়ক গাছ - বিস্ময়
'গোঁয়ার গোবিন্দ' - কাণ্ডজ্ঞানহীন
'লগন চাঁদা' - ভাগ্যবান
'ভুষণ্ডির কাক' - বিচক্ষণ ব্যক্তি
'উলুখাগড়া' - গুরুত্বহীন লোক
'কাক ভূষণ্ডি ও ভূশণ্ডির কাক দুটি শব্দেরই একই অর্থ -দীর্ঘায়ু ব্যক্তি ।
সাক্ষী গোপাল - নিষ্ক্রিয় দর্শক
পালের গোদা - দলপতি
কুমড়ো কাটা বটঠাকুর - অকর্মণ্য লোক
কাঁঠালের আমসত্ত্ব' বা 'আকাশের চাঁদ' বাগধারার অর্থ বিরল বস্তু/অসম্ভব ব্যাপার ।
- উজানের কৈ' বাগধারারটির অর্থ সহজল্ভ্য ।
শুকনো হাসি
ব্যাখ্যা:
- 'কাষ্ঠ হাসি' বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ শুকনো হাসি বা প্রাণহীন হাসি।
- যখন কেউ আনন্দিত না হয়েও কৃত্রিমভাবে বা জোর করে হাসে, তখন তাকে কাষ্ঠ হাসি বলা হয়।
'কাছা ঢিলা ' বাগধারাটির অর্থ অসাবধান ।
কান পাতলা =সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ
কাঠের পুতুল =নির্জীব
কেউ কেটা -সামান্য
ফাঁকি দেওয়া
ব্যাখ্যা:
- 'কলা দেখানো' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। এর প্রকৃত অর্থ হলো ফাঁকি দেওয়া বা ধোঁকা দেওয়া।
- যখন কেউ কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ পর্যন্ত তা পূরণ করে না বা বোকা বানিয়ে চলে যায়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
• উদাহরণ: পাওনাদারকে কলা দেখিয়ে লোকটি গ্রাম ছাড়ল।
গুরুত্তপুর্ণ কয়েকটি বাগধারা-
বিড়াল তপস্বী - ভন্ড
- একচোখা বাগধারাটির অর্থ হলো পক্ষপাতদুষ্ট বা যে ব্যক্তি এক পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী এর অর্থ পক্ষপাতী বা একঝোঁকা।
• ঊনপঞ্চাশ বায়ু অর্থ- পাগলামি/ বদমেজাজ।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
'টেকে গোঁজা' - পকেট ভারী করা।
ব্যাঙ্গের আধুলি’ - অর্থের অহংকার।
'মাছি মারা কেরানি’ - বিচারবোধহীন নকলনবিশ।
'লেজে খেলানো' - বশীভূত করা।
'বাপের ঠাকুর’ - উচ্ছন্নে যাওয়া।
'হালে পানি পাওয়া - বিপদমুক্ত হওয়া।
'পঞ্চত্বপ্রাপ্তি’ - মারা যাওয়া।
- ‘উজানের কৈ' বাগধারার অর্থ সহজলভ্য।
- এলাহি কাণ্ড- বিরাট আয়োজন; উনিশ-বিশ- সামান্য পার্থক্য; অকাল কুষ্মাণ্ড / আমড়া কাঠের ঢেঁকি / ঊনপাঁজুরে / কচু বনের কালাচাঁদ / ঘটিরাম / ঢেঁকির কুমির / ধর্মের ষাঁড় / নালায়েক প্রভৃতি বাগধারার অর্থ- অপদার্থ।
• উড়নচণ্ডী বাগধারটির অর্থ অমিতব্যয়ী।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
• ডাকাবুকো বাগধারা টির অর্থ - নির্ভীক।
• পায়া ভারি বাগধারা টির অর্থ - অহঙ্কার।
• কানকাটা বাগধারা টির অর্থ - বেহায়া।
• বকধার্মিক বাগধারা টির অর্থ - ভণ্ড।
• কচু বনের কালাচাঁদ বাগধারা টির অর্থ - অপদার্থ।
• তাসের ঘর বাগধারা টির অর্থ - ক্ষণস্থায়ী।
• চোখের বালি বাগধারা টির অর্থ - চক্ষুশূল।
• গুড়ে বালি বাগধারা টির অর্থ - আশায় নৈরাশ্য।
• ঢাকের বাঁয়া বাগধারা টির অর্থ - যার কোন মূল্য নেই।
- 'উত্তম মধ্যম' একটি ব্যঙ্গাত্মক বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ 'ভালো ও মাঝারি'।
- কিন্তু এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো প্রচণ্ড মারধর বা প্রহার।
- কাউকে শাস্তি বা তিরস্কারস্বরূপ মারধর করাকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।%MCEPASTEBIN%
- উড়ে এসে জুড়ে বসা বাগধারাটির অর্থ হলো হঠাৎ এসে অনধিকার চর্চা করা বা সব দখল করে নেওয়া। এর সঠিক ইংরেজি প্রকাশ হলো To be quick to occupy।
- বাংলা একাডেমি অভিধান ও এনসিটিবি ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি অন্যের স্থানে এসে অনধিকার প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারকে বোঝায়।
- উলুখাগড়া শব্দের আলংকারিক অর্থ হলো গুরুত্বহীন লোক, নিরীহ ব্যক্তি বা গরিব মানুষ।
- বাংলা প্রবাদ 'রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়' থেকে এটি এসেছে, যেখানে উলুখাগড়া বলতে ক্ষমতাহীন ও সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়।
ইতর বিশেষ অর্থ প্রভেদ বা পার্থক্য।
ইদুর কপালে (নিতান্ত মন্দ ভাগ্য) এর সমার্থক বাগধারা =ঊনপাঁজুরে (হতভাগ্য, অপদার্থ,দুর্বল )।
ভূষণ্ডীর কাক বাগধারার অর্থ =দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।
নেই আঁকড়া বাগধারার অর্থ =একগুঁয়ে ।
এভারেস্ট বেজ ক্যাম্পের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পর্বতারোহীদের ব্যবহৃত জ্বালানির তাপ ও সরাসরি হিমবাহে ত্যাগ করা মূত্রের কারণে বছরে প্রায় ২,৫০০ টন বরফ ও তুষার গলে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের ৫০ দিনের মৌসুমে প্রায় ১,৬০০টি তাঁবুতে বিপুল জ্বালানি ব্যবহৃত হয় এবং শুধু মূত্রের তাপেই প্রায় ১৫৪ টন বরফ গলতে পারে। ১৯৯১–২০২৩ সময়ে বেজ ক্যাম্প এলাকার ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বছরে গড়ে ০.২৮°C বেড়েছে। গবেষকরা জলবায়ু পরিবর্তনকে হিমবাহ গলার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে দীর্ঘমেয়াদে বেজ ক্যাম্পটি হিমবাহের ওপর থেকে সরিয়ে স্থিতিশীল এলাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।সূত্রঃThe Business Standard
ইন্দোনেশিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে শত শত ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে আটকা পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।রোববার সকালে আবহাওয়া দপ্তরের পর্যবেক্ষণে জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আকাশে আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির ছাই শনাক্ত হওয়ার পর ২০৯টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়।সূত্রঃThe Business Standard
ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহাইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ খেতাব জিতেছেন। ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় তিনি ১১১ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলেন। প্রথম রানারআপ হন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হন মালয়েশিয়ার তানুসিয়া চেট্টি। বিজয়ী হিসেবে জোহাইরি মোলা আন্তর্জাতিকভাবে মিস ওয়ার্ল্ডের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ও ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচারণার প্রতিনিধিত্ব করবেন।সূত্রঃইত্তেফাক
সুইজারল্যান্ডের আল্পস অঞ্চলে দ্রুত গলে যাওয়া হিমবাহ রক্ষায় ভেড়ার লোম দিয়ে তৈরি চাদর ব্যবহারের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। ‘কিপ ইট উল’ প্রকল্পের আওতায় তসানফ্লেরোঁ হিমবাহের ২০০ বর্গমিটার এলাকায় উলের চাদর বিছিয়ে কৃত্রিম জিওটেক্সটাইলের সঙ্গে এর কার্যকারিতা তুলনা করা হয়। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, উলের চাদরও কৃত্রিম আচ্ছাদনের মতো বরফ গলার হার কমাতে সক্ষম। এটি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় প্লাস্টিকের মাইক্রোফাইবার দূষণ কমাতে পারে এবং ফেলে দেওয়া সুইস ভেড়ার উল কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করেছে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, হিমবাহ রক্ষার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো।সূত্রঃ The Daily Star
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম (NAM) হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক জোট থেকে নিরপেক্ষ থাকার জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন.১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে এই আন্দোলনের সূচনা হয়.এই সংগঠনে বর্তমানে ১২১টি সদস্য দেশ এবং ১৮ জন পরিদর্শক বা পর্যবেক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে. ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনে দক্ষিণ সুদান ন্যাম-এর ১২১তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে।সূত্রঃইত্তেফাক
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ নামে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ডিজিটাল ঋণ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। যোগ্য গ্রাহকেরা ৫০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়ে বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা-চিকিৎসা, ভ্রমণ, কর, সরকারি ফি, কিস্তি ও বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে পারবেন। ঋণের মেয়াদ হবে ৭, ১৫ ও ৩০ দিন এবং সুদের পরিবর্তে সেবা ফি নেওয়া হবে। সুবিধাটি প্রথমে ৬ মাস পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হবে। ঋণের টাকা নগদ তোলা বা ব্যাংক হিসাব/এমএফএস ওয়ালেটে নেওয়া যাবে না; নির্ধারিত ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি বিলদাতা বা সেবাদাতাকে পরিশোধ করতে হবে। উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হলো ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এবং জরুরি প্রয়োজনে ছোট অঙ্কের ঋণ সহজলভ্য করা।সূত্রঃইত্তেফাক
সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ৬ সেপ্টেম্বর। তিনি ১৮৬২ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের মাইহারে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন সংগীতজ্ঞ সবদর হোসেন খাঁ (সদু খাঁ) এবং ডাকনাম ছিল আলম।আলাউদ্দিন খাঁ ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুরসাধক। তিনি প্রায় ২০০ ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারতেন এবং নতুন নতুন রাগরাগিণী সৃষ্টি করেন। তিনিই প্রথম বাঙালি হিসেবে উপমহাদেশে রাগসংগীতের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি উদয়শঙ্করের নৃত্যদলের সঙ্গে ইউরোপ ভ্রমণও করেন। সূত্রঃ প্রথম আলো