বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
» উলুবনে মুক্তা ছড়ানো’ আগধারাটির অর্থ - অপাত্রে সম্প্রদান করা
আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
» এক হাত লওয়া - প্রতিশোধ
» একচোখা - পক্ষপাত
» এক ঢিলে দুই পাখি মারা - এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করা
» এক মাঘে শীত যায় না - পুনরায় বিপদ ঘটার সম্ভাবনা
» এলেবেলে - বাজে/ নিকৃষ্ট
» এলোপাতাড়ি/এলোপাথাড়ি/এলোধাবাড়ি - এলোমেলোভাবে/বিশৃঙ্খলভাবে
» ওজন বুঝে চলা - আত্মমর্যাদা
» ওষুধ ধরা - আকাঙ্ক্ষিত ফল লাভ
» ওষুধ পড়া - প্রভাবে পড়া
- চোখ কপালে তোলা’ আগধারাটির অর্থ - বিস্মিত হওয়া
আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
» এক হাত লওয়া - প্রতিশোধ
» একচোখা - পক্ষপাত
» এক ঢিলে দুই পাখি মারা - এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করা
» এক মাঘে শীত যায় না - পুনরায় বিপদ ঘটার সম্ভাবনা
» এলেবেলে - বাজে/ নিকৃষ্ট
» এলোপাতাড়ি/এলোপাথাড়ি/এলোধাবাড়ি - এলোমেলোভাবে/বিশৃঙ্খলভাবে
» ওজন বুঝে চলা - আত্মমর্যাদা
» ওষুধ ধরা - আকাঙ্ক্ষিত ফল লাভ
» ওষুধ পড়া - প্রভাবে পড়া
- এসপার ওসপার এর অর্থ- - মীমাংসা
আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
» এক হাত লওয়া - প্রতিশোধ
» একচোখা - পক্ষপাত
» এক ঢিলে দুই পাখি মারা - এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করা
» এক মাঘে শীত যায় না - পুনরায় বিপদ ঘটার সম্ভাবনা
» এলেবেলে - বাজে/ নিকৃষ্ট
» এলোপাতাড়ি/এলোপাথাড়ি/এলোধাবাড়ি - এলোমেলোভাবে/বিশৃঙ্খলভাবে
» ওজন বুঝে চলা - আত্মমর্যাদা
» ওষুধ ধরা - আকাঙ্ক্ষিত ফল লাভ
» ওষুধ পড়া - প্রভাবে পড়া
- 'ঊনকোটি চোষট্টি' বাগধারাটির অর্থ প্রায় সম্পূর্ণ।
∎ বিভিন্ন পরীক্ষা আসা গুরুত্তপুর্ণ বাগধারাঃ
» উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে।
» কংস মামা - নির্মম আত্মীয়।
» ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।
» ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ
» ঊর্মিমালী – সমুদ্র
» এলেবেলে – নিকৃষ্ট।
» এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।
» একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।
» একা দোকা – নিঃসঙ্গ
অগ্নিমান্দ্য- অক্ষুধা; অজীর্ণ রোগ; পরিপাকশক্তির অল্পতা; মন্দাগ্নি (লোকে বৃদ্ধবয়সে অগ্নিমান্দ্য রোগে ভোগে)।
অগ্নি নিয়ে আরও কিছু বাগধারাঃ
অগ্নিবাণ- চরম আঘাত ('কলদৈত্য আসিয়া বেচারা তাঁতের উপর অগ্নিবাণ হানিল- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
অগ্নিবৃদ্ধি- ক্ষুধাবৃদ্ধি; পরিপাকধক্তি বৃদ্ধি (পরিশ্রম করলে অগ্নিবৃদ্ধি হয়)।
অগ্নিসেবন- আগুনের তাপ উপভোগ (কাঠ জ্বালিয়ে অগ্নিসেবন করছি)।
অগ্নিমূর্তি- অতিশয় ক্রুদ্ধ (শিক্ষকমশাই অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছেন।); সমার্থক বাগধারা অগ্নি-অবতার, অগ্নিশর্মা; ভস্মলোচন।
অগ্নিমূল্য- অত্যন্ত আক্রা; চড়াদাম (জিনিসপত্রের অগ্নিমূল্যে মানুষ বিপর্যস্ত)।
অগ্নিযুগ- স্বদেশি আন্দোলনের সময়ের সশস্ত্র বিপ্লবের যুগ (বিপ্লবী ক্ষুদিরাম অগ্নিযুগের সন্তান ছিলেন)।
অগ্নিসংস্কার- মন্ত্র পড়ে শবদাহ্; মৃতদেহ সৎকার।
অগ্নিসাক্ষী- আগুন ছুঁয়ে বা আগুনকে সাক্ষী রেখে শপথ (অগ্নিসাক্ষী করে বলছি আমি এ ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ জানি না)।
- সুখের পায়রা - সুসময়ের বন্ধু।
- শরতের শিশির - সুসময়ের বন্ধু।
- লক্ষ্মীর বরযাত্রী - সুসময়ের বন্ধু।
- চিনির পুতুল মানে পরিশ্রম কাতর বা অল্পতেই হাপিয়ে পড়ে এমন।।
এই বাগধারার অর্থ অন্যান্য বাগধারার অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই, চিনির পুতুল বাগধারাটি ভিন্নার্থক।
• 'কেউকেটা' বাগধারাটির অর্থ সামান্য।
আটকপালে— হতভাগ্য
ইতর বিশেষ—পার্থক্য
আঠারো মাসে বছর—দীর্ঘসূত্রতা
এসপার ওসপার— মীমাংসা
অক্কা পাওয়া— মারা যাওয়া ।
অগ্নিসেবন- আগুনের তাপ উপভোগ (কাঠ জ্বালিয়ে অগ্নিসেবন করছি)।
অগ্নি নিয়ে আরও কিছু বাগধারাঃ
অগ্নিবাণ- চরম আঘাত ('কলদৈত্য আসিয়া বেচারা তাঁতের উপর অগ্নিবাণ হানিল- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
অগ্নিবৃদ্ধি- ক্ষুধাবৃদ্ধি; পরিপাকধক্তি বৃদ্ধি (পরিশ্রম করলে অগ্নিবৃদ্ধি হয়)।
অগ্নিমান্দ্য- অক্ষুধা; অজীর্ণ রোগ; পরিপাকশক্তির অল্পতা; মন্দাগ্নি (লোকে বৃদ্ধবয়সে অগ্নিমান্দ্য রোগে ভোগে)।
অগ্নিমূর্তি- অতিশয় ক্রুদ্ধ (শিক্ষকমশাই অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছেন।); সমার্থক বাগধারা অগ্নি-অবতার, অগ্নিশর্মা; ভস্মলোচন।
অগ্নিমূল্য- অত্যন্ত আক্রা; চড়াদাম (জিনিসপত্রের অগ্নিমূল্যে মানুষ বিপর্যস্ত)।
অগ্নিযুগ- স্বদেশি আন্দোলনের সময়ের সশস্ত্র বিপ্লবের যুগ (বিপ্লবী ক্ষুদিরাম অগ্নিযুগের সন্তান ছিলেন)।
অগ্নিসংস্কার- মন্ত্র পড়ে শবদাহ্; মৃতদেহ সৎকার।
অগ্নিসাক্ষী- আগুন ছুঁয়ে বা আগুনকে সাক্ষী রেখে শপথ (অগ্নিসাক্ষী করে বলছি আমি এ ব্যাপারে বিন্দুবিসর্গ জানি না)।
'আথিবিথি' শব্দ বা বাগধারাটির অর্থ হলো তাড়াতাড়ি বা ব্যস্তসমস্ত হয়ে।
- দ্রুততা বোঝাতে 'হাত চালাও' বাগধারাটিও ব্যবহৃত হয় যার অর্থ তাড়াতাড়ি করা।
- বিপরীত অর্থ: 'আঠারো মাসে বছর' (দীর্ঘসূত্রিতা)।
- অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: বকধার্মিক (ভণ্ড সাধু), আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অকেজো লোক), আদিখ্যেতা (ন্যাকামি)।
• উদাহরণ: খবরটা শোনামাত্র সে আথিবিথি করে ছুটে গেল।
'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ মন্দ ভাগ্য।
ইঁদুর কপালে (মন্দ ভাগ্য) – এতো কষ্ট করেও সুখের মুখ দেখলে না, তুমি আসলেই একটা ইঁদুর কপালে।
-"অমাবস্যার চাঁদ" বাগধারাটির অর্থ হলো "অদর্শনীয় বস্তু, দুর্লভ বস্তু"।
- 'তোলা হাঁড়ি' বলতে বোঝায় যে হাঁড়ি চুলা থেকে নামিয়ে রাখা হয়েছে।
- অর্থাৎ, রান্না-বান্না শেষ এবং চুলা নিভানো।
- এই অবস্থাটি একটি শান্ত, নীরব ও নিস্তব্ধ পরিবেশের ইঙ্গিত দেয়।
- বাগধারা হিসেবে এটি এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যিনি চুপচাপ, মুখ ভার করে থাকেন বা গম্ভীর প্রকৃতির।
অন্য option গুলো:
- চির রুগ্ন এর সঠিক বাগধারা হলো 'ডিমে রোগা'।
- খুব অলস এর জন্য ব্যবহৃত বাগধারা হলো 'গোঁফ খেজুরে'।
- প্রাণপণ চেষ্টা বোঝাতে 'জান কবুল' বা 'আদা-জল খেয়ে লাগা' বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
'পালের গোদা' বাগধারাটির অর্থ - দলের সর্দার বা প্রধান ব্যক্তি (সাধারণত নেতিবাচক অর্থে, যেমন দুষ্ট দলের নেতা)।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
- পায়ের তলায় সর্ষে - অস্থির।
- কূপমণ্ডূক - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- পায়াভারি - অহংকার।
- আমড়া কাঠের ঢেঁকি - অপদার্থ।
- বিসমিল্লায় গলদ- শুরুতেই ভুল।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নৌকার গান: এটি সারিগান, বাগধারা নয়।
- সচল ব্যাক্তি: এটি ভুল।
- দলের শক্তিশালি লোক: এটি আংশিক কাছাকাছি হলেও, 'সর্দার' বা দলপতি হলো একদম সঠিক অর্থ।
অবজ্ঞা করা= নাক ছিটকানো,
ক্ষণস্থায়ী বস্তু= তাসের ঘর,
সমূহ সর্বনাশ= দফা নিকেশ
- 'টিকটিকি' একটি বিশেষ্য পদ, যার আভিধানিক অর্থ গৃহগোধিকা বা সরীসৃপ জাতীয় এক প্রকার প্রাণী।
- তবে এর আলংকারিক বা বিদ্রুপাত্মক অর্থ হলো গোয়েন্দা।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- জ্যৈষ্ঠী: জ্যৈষ্ঠ মাস সম্বন্ধীয়।
- জেঠি: ছোট টিকটিকি বা বাবার বড় ভাইয়ের স্ত্রী (জ্যাঠাইমা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বেজি: নেউল বা সর্পশত্রু এক প্রকার ক্ষুদ্র প্রাণী।
অকেজো যুক্তি= শিয়ালের যুক্তি,
অলীক কল্পনা= শূন্যে সৌধ নির্মাণ,
অসম্ভব বস্তু= সোনার পাথর বাটি।
কৃপনের ধন= যক্ষের ধন,
দীর্ঘায়ু ব্যক্তি= ভুষ্ণণ্ডির কাক,
লাজুক ব্যক্তি= মেনিমুখো