'আথিবিথি' শব্দ বা বাগধারাটির অর্থ হলো তাড়াতাড়ি বা ব্যস্তসমস্ত হয়ে।
- দ্রুততা বোঝাতে 'হাত চালাও' বাগধারাটিও ব্যবহৃত হয় যার অর্থ তাড়াতাড়ি করা।
- বিপরীত অর্থ: 'আঠারো মাসে বছর' (দীর্ঘসূত্রিতা)।
- অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: বকধার্মিক (ভণ্ড সাধু), আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অকেজো লোক), আদিখ্যেতা (ন্যাকামি)।
• উদাহরণ: খবরটা শোনামাত্র সে আথিবিথি করে ছুটে গেল।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ মন্দ ভাগ্য।
ইঁদুর কপালে (মন্দ ভাগ্য) – এতো কষ্ট করেও সুখের মুখ দেখলে না, তুমি আসলেই একটা ইঁদুর কপালে।
-"অমাবস্যার চাঁদ" বাগধারাটির অর্থ হলো "অদর্শনীয় বস্তু, দুর্লভ বস্তু"।
- 'তোলা হাঁড়ি' বলতে বোঝায় যে হাঁড়ি চুলা থেকে নামিয়ে রাখা হয়েছে।
- অর্থাৎ, রান্না-বান্না শেষ এবং চুলা নিভানো।
- এই অবস্থাটি একটি শান্ত, নীরব ও নিস্তব্ধ পরিবেশের ইঙ্গিত দেয়।
- বাগধারা হিসেবে এটি এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যিনি চুপচাপ, মুখ ভার করে থাকেন বা গম্ভীর প্রকৃতির।
অন্য option গুলো:
- চির রুগ্ন এর সঠিক বাগধারা হলো 'ডিমে রোগা'।
- খুব অলস এর জন্য ব্যবহৃত বাগধারা হলো 'গোঁফ খেজুরে'।
- প্রাণপণ চেষ্টা বোঝাতে 'জান কবুল' বা 'আদা-জল খেয়ে লাগা' বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
'পালের গোদা' বাগধারাটির অর্থ - দলের সর্দার বা প্রধান ব্যক্তি (সাধারণত নেতিবাচক অর্থে, যেমন দুষ্ট দলের নেতা)।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
- পায়ের তলায় সর্ষে - অস্থির।
- কূপমণ্ডূক - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- পায়াভারি - অহংকার।
- আমড়া কাঠের ঢেঁকি - অপদার্থ।
- বিসমিল্লায় গলদ- শুরুতেই ভুল।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নৌকার গান: এটি সারিগান, বাগধারা নয়।
- সচল ব্যাক্তি: এটি ভুল।
- দলের শক্তিশালি লোক: এটি আংশিক কাছাকাছি হলেও, 'সর্দার' বা দলপতি হলো একদম সঠিক অর্থ।
অবজ্ঞা করা= নাক ছিটকানো,
ক্ষণস্থায়ী বস্তু= তাসের ঘর,
সমূহ সর্বনাশ= দফা নিকেশ
- 'টিকটিকি' একটি বিশেষ্য পদ, যার আভিধানিক অর্থ গৃহগোধিকা বা সরীসৃপ জাতীয় এক প্রকার প্রাণী।
- তবে এর আলংকারিক বা বিদ্রুপাত্মক অর্থ হলো গোয়েন্দা।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- জ্যৈষ্ঠী: জ্যৈষ্ঠ মাস সম্বন্ধীয়।
- জেঠি: ছোট টিকটিকি বা বাবার বড় ভাইয়ের স্ত্রী (জ্যাঠাইমা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বেজি: নেউল বা সর্পশত্রু এক প্রকার ক্ষুদ্র প্রাণী।
অকেজো যুক্তি= শিয়ালের যুক্তি,
অলীক কল্পনা= শূন্যে সৌধ নির্মাণ,
অসম্ভব বস্তু= সোনার পাথর বাটি।
কৃপনের ধন= যক্ষের ধন,
দীর্ঘায়ু ব্যক্তি= ভুষ্ণণ্ডির কাক,
লাজুক ব্যক্তি= মেনিমুখো
মিশিয়ে ফেলা= ঝোলে অম্বলে এক করা,
কুটিলতা= জিলাপির প্যাঁচ,
গোলযোগ= ডামাডোল
রটনা করা= কথা চলা,
অসাবধান= কাছা ঢিলা,
সচেতন হওয়া= গা তোলা।
অগ্রবর্তী= আগন্যাংলা,
কঠোর প্রতিজ্ঞা= অনুর্ভঙ্গ পণ,
নিন্দা করা= আউছিয়া করা
পন্ডিতের মুর্খ পুত্র = ওঝার ব্যাটা বনগরু,
ভবঘুরে = টো টো কোম্পানীর ম্যানেজার,
অশুভ লক্ষণ = মেঘের ছায়া।
বিশৃঙ্খলা = ছরকট,
ঠকানো = চোখে ধুলো দেয়া,
গোল্লায় যাওয়া= জাহান্নামে যাওয়া
প্রতিশোধ নেয়া = এক হাত নেয়া,
পক্ষপাতিত্ব = এক চোখা,
প্রভাব পড়া = ওষুধ পড়া।
পাগলামি = ঊনপঞ্চাশ বায়ু,
অচেনা লোক= উটকো লোক,
অপদার্থ = আমড়া কাঠের ঢেঁকি
আলসে = উদোগেঁড়ে,
অভাবগ্রস্ত লোক = উপোসি ছারপোকা,
প্রাচীন ব্যক্তি = অক্ষয় বট।
∎ বিভিন্ন পরীক্ষা আসা গুরুত্তপুর্ণ বাগধারাঃ
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, কৃষক কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ১৭ সেপ্টেম্বর ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেদিন ৫০ জেলায় উদ্বোধনী কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। সেদিন ফেনীর নিবন্ধিত সব কৃষকসহ সারা দেশের এক লাখ কৃষককে প্রণোদনার অর্থ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে নিবন্ধনের আওতায় আসা ১৬ লাখ ৩০ হাজার কৃষকের মধ্যে এক লাখের ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। সূত্রঃ আজকের পত্রিকা
চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্প্রসারণ ও বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৯ পয়সা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা।সূত্রঃ Dhaka Mail
সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে সাধারণ ভোক্তার স্বস্তি ফেরাতে কাঁচা মরিচ ও টমেটোর আমদানিতে বড় ধরনের শুল্কছাড় দেওয়া হয়েছে।দুটি পণ্যের আমদানিতে প্রযোজ্য আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আমদানির উপর আরোপিত ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।৩১ আগস্ট,২০২৬ প্রকাশিত এক বিশেষ সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রঃ আমার দেশ
২০২৩ সালে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ’–এর আইন পাস হয়। তবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাম পরিবর্তন করে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় করে আইন সংশোধন করা হয়। এখন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হলো।অনুমোদনের তিন বছর পর প্রথম উপাচার্য পেল নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত। সূত্রঃ প্রথম আলো