খান মুহম্মদ মঈনুদ্দীন (১৯০১–১৯৮১) — মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী শিশুসাহিত্যিক। ১৯২৩ সালে মুসলিম জগত-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন; ‘বিদ্রোহ’ সম্পাদকীয়ের কারণে কারাবরণ করেন এবং কারাগারে নজরুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। উল্লেখযোগ্য রচনা: মুসলিম বীরাঙ্গনা (১৯৩৬), আমাদের নবী (১৯৪১), খোলাফা-ই-রাশেদীন (১৯৫১), আরব্য রজনী (১৯৫৭), লাল মোরগ (১৯৬১), শাপলা ফুল (১৯৬২), উপন্যাস—অনাথিনী (১৯২৬), নয়া সড়ক (১৯৬৭)।
বাংলার বাণী — ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা; সম্পাদক হিলেন আমির হোসেন। এতে আবদুল গাফফার চৌধুরী ‘ঢাকা আমায় ডাকে’ শিরোনামে কলাম লিখতেন।
ভারতী — পত্রিকাটির মাধ্যমে রবীন্দ্রযুগের সূচনা হয়। রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস ‘করুণা’ ১৮৭৭–৭৮ সালে ‘ভারতী’তে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়; গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বৌঠাকুরাণীর হাট’ (১৮৮৩)।
নবনূর (১৯০৩) — এপ্রিল ১৯০৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন সৈয়দ এমদাদ আলী; স্বত্বাধিকারী ও প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ আসাদ আলী, যিনি পরে সম্পাদকও হন। ১৯০৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
বাঙ্গাল গেজেট (১৮১৮) — বাঙালি পরিচালিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা; সম্পাদক গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য। বেঙ্গল গেজেট (১৭৮০) — ভারতবর্ষের প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র।
শিখা (১৯২৭) — ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের বার্ষিক মুখপত্র। প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ৮ এপ্রিল ১৯২৭; মোট ৫টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়ে ১৯৩১ সালে বন্ধ হয়। মূলমন্ত্র: “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।”
সওগাত (১৯১৮) — কলকাতা থেকে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় প্রকাশিত মাসিক পত্রিকা। পরবর্তীতে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে এর প্রকাশনা অব্যাহত রয়েছে।