বাংলাদেশে ডিরেক্ট অপারেটর বিলিং (DOB) ব্যবস্থা চালু হয় ২০১৮ সালে। এর মাধ্যমে মোবাইল ব্যালেন্স ব্যবহার করে অনুমোদিত পণ্য ও সেবার মূল্য পরিশোধ করা যায়। সম্প্রতি বিটিআরসি DOB-এর মাসিক খরচের সীমা ১৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করেছে। এখন গ্রাহকেরা মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে স্মার্টফোন, রাউটার, সিমভিত্তিক ডিভাইসসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পণ্য ও সেবা কিনতে পারবেন। পাশাপাশি ই-টিকিটিং, ই-হেলথ, অনলাইন ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষা প্ল্যাটফর্মের সেবার মূল্যও পরিশোধ করা যাবে। তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি, শেয়ারবাজার, জুয়া-ক্যাসিনো, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ইত্যাদিতে DOB ব্যবহার করা যাবে না। বর্তমানে সংশোধিত সীমার আওতায় গ্রামীণফোন অনুমোদন পেয়েছে এবং পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে থাকবে।সূত্রঃ Daily Star
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে টার্নওভার কর দিতে হবে না। এর ফলে ছোট ব্যবসায়ীদের করের চাপ ও জটিলতা কমবে। তবে ২ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার হলে নির্ধারিত হারে টার্নওভার কর দিতে হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো ছোট ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেওয়া এবং ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ করা। পাশাপাশি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে টার্নওভার করের বিধান বহাল থাকবে।সূত্রঃ যুগান্তর
প্রখ্যাত উচ্চাঙ্গসংগীতশিল্পী, সেতার ও সুরবাহার-বাদক ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ ১৮৮৪ সালের ২৬ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শিবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সংগীতের তালিম নেন বড় ভাই ফকির আফতাবউদ্দিন খাঁ ও আলাউদ্দিন খাঁর কাছে এবং রামপুরে ওয়াজির খাঁর কাছে ১৩ বছর সাধনা করেন। তিনি মাইহার ও রামপুরের রাজসংগীতজ্ঞ ছিলেন। ১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আহ্বানে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর যন্ত্রসংগীত বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন। তিনি ১৯৬১ সালে তমঘা-ই-ইমতিয়াজ, ১৯৭৬ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৮৪ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭ মৃত্যুবরণ করেন।সূত্রঃ যুগান্তর
» উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে
তবলা বাজাতে দক্ষ যিনি- তবলচি
ঋজুর অভাব- আর্জব
আরোহন করেছে এমন- আরূঢ়
- বাক্যার বর্গ যখন ব্যাচ্যার্থ বা আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বাগধারা বলে।
- বাগধারার প্রয়োগে ভাষা প্রাণবন্ত হয় এবং বাক্য অধিক ব্যঞ্ছনা সৃষ্টি করতে পারে।
- মূলত বাগধারা এক অর্থে অতীত কালের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনার স্মারক।
কিছু গুরুত্তপুর্ণ বাগধারাঃ
- ছকড়া নকড়া = সস্তা দর
- নয় ছয় = অপচয়
- হুকো-নাপিত বন্ধ করা = সমাজচ্যুত করা
- তালকানা = কাণ্ডজ্ঞানহীন।
- অন্ধের যষ্ঠি = একমাত্র অবলম্বন
- অষ্টরম্ভা = ফাঁকি
- হরি ঘোষের গোয়াল = বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ
- হ য ব র ল = বিশৃঙ্খল
- হাড় হাভাতে = হতভাগ্য
- আদায় কাঁচকলায় = তিক্ত সম্পর্ক, শত্রুতা
- গলগ্রহ = পরের বোঝা স্বরুপ
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
» জগদ্দল পাথর - গুরুভার
» চক্ষু চড়ক গাছ - বিস্ময়
» 'গোঁয়ার গোবিন্দ' এর অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন
» 'লগন চাঁদা' এর অর্থ - ভাগ্যবান
» গাছপাথর - হিসাবনিকাশ
» গৌড়চন্দ্রিকা - ভুমিকা
» 'ভুষণ্ডির কাক' এর অর্থ - বিচক্ষণ ব্যক্তি
» 'উলুখাগড়া' এর অর্থ - গুরুত্বহীন লোক
'কথার তুবড়ি' বাগধারাটির অর্থ হলো অনর্গল কথা বলা বা অবিরাম কথা বলে যাওয়া। তুবড়ি বাজি যেমন একটানা ফুলকি ছড়াতে থাকে, তেমনি যে ব্যক্তি বিরতিহীনভাবে বকবক করে তাকে 'কথার তুবড়ি' বলা হয়।
• উদাহরণ: মেয়েটি একবার কথা শুরু করলে যেন কথার তুবড়ি ছোটায়, তাকে থামানোই মুশকিল।
'হাড়ে বাতাস লাগা' বাগধারাটির অর্থ হলো স্বস্তি পাওয়া বা শান্তি লাভ করা। দীর্ঘদিনের কোনো কষ্ট, যন্ত্রণা বা আপদ বিদায় নিলে মানুষ যে পরম মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি লাভ করে, তা বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
• উদাহরণ: অত্যাচারী শাসক ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় সাধারণ মানুষের হাড়ে বাতাস লেগেছে।
'মানিকজোড়' বাগধারাটির অর্থ- অন্তরঙ্গ বন্ধু বা অবিচ্ছেদ্য জুটি। তাই 'মানিকজোড়' অন্যগুলো থেকে স্বতন্ত্র।
» নিষ্ফল আশা= বকাণ্ড প্রত্যাশা,
» প্রাণভয়ে ভীত ব্যক্তি= নবমীর পাঁঠা,
» অন্ত পাওয়া= থৈ পাওয়া
» ভগ্যবান = লগন চাঁদা,
» প্রতারিত করা= ভাতে ধুনো দেয়া,
» হিংসাপূর্ণ = বিষের পুঁটলি
অসহায় ব্যক্তি= যজ্ঞের ঘোড়া,
দীর্ঘায়ু ব্যক্তি= ভুষণ্ডির কাক,
সুসময়ের বন্ধু= লক্ষীর বরযাত্রী।
» নিচ ব্যক্তি= আস্তাকুঁড়ের পাতা,
» অনভিজ্ঞ= কেবলা হাকিম,
» নির্বোধ বিচারক= ঘটিরাম।
» অন্তরঙ্গ= হরিহর আত্মা,
» নাস্তানাবুদ করে ছাড়া = সাত ঘাটের জল খাওয়ানো,
» সর্বনাশ করা= ভিটেয় ঘুঘু চড়ানো।
» যার জিনিস তাকেই দান করা= গঙ্গা জলে গঙ্গা পুজা
» তুমুল ঝগড়া= কুরুক্ষেত্রের কাণ্ড,
» অল্প কাজে অধিক লাভ= উন বর্ষা দুনো শীত।
» না পেরে বাধ্য হয়ে দান করা= উড়ো খইগোবিন্দায় নম,
» অন্তঃসার শূন্য অবস্থা= গজ কপিত্থবৎ
» পয়সা দিয়েও নিজে শ্রম করা= খেয়ার কড়ি দিয়ে ডুব দিয়ে পার হওয়া।
- 'অঞ্চল প্রভাব' বাগধারাটির অর্থ- স্ত্রীর প্রভাব। এখানে অঞ্চল বলতে শাড়ির আঁচল বা স্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে।
-
- 'ঘন্টাগরুড়', 'কচুবনের কালাচাঁদ' এবং 'অপোগণ্ড' বাগধারাগুলোর অর্থ হলো - অপদার্থ বা অকর্মণ্য।
- কিন্তু 'কেষ্টবিষ্টু' বাগধারাটির অর্থ- হোমরাচোমরা বা গণ্যমান্য ব্যক্তি, তাই এটি ভিন্নার্থক।
কুমিরের সান্নিপাত= অসম্ভব ব্যাপার,
কাঠের পুতুল= ব্যক্তিত্বহীন মানুষ,
কচ্ছপের কামড়= নাছোড়বান্দা।
লাজুক ব্যক্তি- মেনিমুখো,
ঘনিষ্ঠ অথচ সর্বনাশা ব্যক্তি- বাস্তুঘুঘু,
সুসময়ের বন্ধু- শরতের শিশির।
নাজেহাল- চিঁড়ে চ্যাপ্টা,
অভিমান করা- গাল ফুলানো,
কুটিলতা- জিলাপির প্যাঁচ।