» অন্তরঙ্গ= হরিহর আত্মা,
» নাস্তানাবুদ করে ছাড়া = সাত ঘাটের জল খাওয়ানো,
» সর্বনাশ করা= ভিটেয় ঘুঘু চড়ানো।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
» যার জিনিস তাকেই দান করা= গঙ্গা জলে গঙ্গা পুজা
» তুমুল ঝগড়া= কুরুক্ষেত্রের কাণ্ড,
» অল্প কাজে অধিক লাভ= উন বর্ষা দুনো শীত।
» না পেরে বাধ্য হয়ে দান করা= উড়ো খইগোবিন্দায় নম,
» অন্তঃসার শূন্য অবস্থা= গজ কপিত্থবৎ
» পয়সা দিয়েও নিজে শ্রম করা= খেয়ার কড়ি দিয়ে ডুব দিয়ে পার হওয়া।
- 'অঞ্চল প্রভাব' বাগধারাটির অর্থ- স্ত্রীর প্রভাব। এখানে অঞ্চল বলতে শাড়ির আঁচল বা স্ত্রীকে বোঝানো হয়েছে।
-
- 'ঘন্টাগরুড়', 'কচুবনের কালাচাঁদ' এবং 'অপোগণ্ড' বাগধারাগুলোর অর্থ হলো - অপদার্থ বা অকর্মণ্য।
- কিন্তু 'কেষ্টবিষ্টু' বাগধারাটির অর্থ- হোমরাচোমরা বা গণ্যমান্য ব্যক্তি, তাই এটি ভিন্নার্থক।
কুমিরের সান্নিপাত= অসম্ভব ব্যাপার,
কাঠের পুতুল= ব্যক্তিত্বহীন মানুষ,
কচ্ছপের কামড়= নাছোড়বান্দা।
লাজুক ব্যক্তি- মেনিমুখো,
ঘনিষ্ঠ অথচ সর্বনাশা ব্যক্তি- বাস্তুঘুঘু,
সুসময়ের বন্ধু- শরতের শিশির।
নাজেহাল- চিঁড়ে চ্যাপ্টা,
অভিমান করা- গাল ফুলানো,
কুটিলতা- জিলাপির প্যাঁচ।
-শাখের করাত - উভয় সংকট
-মিছরির ছুরি - মুখে মধু অন্তরে বিষ
-সোনায় সোহাগা/ মণি কাঞ্চন যোগ - উপযুক্ত মিলন
-যক্ষের ধন - কৃপণের কড়ি
» অভিমান করা- ঠোঁট ফুলানো,
» মিশিয়ে ফেলা- ঝোলে অম্বলে এক করা,
» কুটিলতা- জিলাপির প্যাঁচ।
» অযথা বাড়ানো= এককে একুশ করা।
» অপ্রত্যাশিত বাধা= অকালে বাদলা,
» দুর্লভ বস্তু= আলেয়ার আলো।
» শেষ বিদায়- অগস্ত্য যাত্রা,
» দারিদ্র- অলক্ষ্মীর দশা,
» অযোগ্য- অপোগণ্ড।
• 'পায়াভারী' বাগধারাটির অর্থ অহংকারী । পায়াভারি বাগধারাটির অর্থ উচ্চপদে অধিষ্ঠানজনিত অহংকার, পদগর্বে গর্বিত অর্থাৎ অহংকারী। যথা-
উদহারণ:
- পদন্নতি পেয়ে রহিম সাহেবের পায়াভারী ব্যবহার সবাইকে কষ্ট দিল।
- 'নদের চাঁদ' বাগধারাটির অর্থ অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি বা সুন্দর অথচ অপদার্থ ব্যক্তি।
- বাহ্যিকভাবে দেখতে সুন্দর কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজের নয় এবং অহংকারী, এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
'হালে পানি পাওয়া - বিপদমুক্ত হওয়া।
'পঞ্চত্বপ্রাপ্তি’ - মারা যাওয়া।
অলস ব্যক্তি- ঘন্টাগরুড়,
ফাঁকি দেয়া- গণ্ডায় আণ্ডা দেয়া,
অতিশয় বিনীত- গলবস্ত্র।
- 'ভূতের ব্যাগার' বা 'ভূতের বেগার' বাগধারাটির অর্থ অযথা শ্রম বা নিষ্ফল পরিশ্রম করা।
- বিনা পারিশ্রমিকে বা বিনা কারণে যে অসার পরিশ্রম করা হয়, তাকে ভূতের বেগার খাটা বলে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ আধুনিকায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে। প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের ২৬টি দুর্গম উপজেলায় বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৮৮ হাজার নতুন পরিবার বিদ্যুতের আওতায় আসবে, যার মধ্যে ৩৫ হাজার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার। ২০৩২ সালের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুতের আওতা ৬৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।সূত্রঃকালের কণ্ঠ
১৩টি অঙ্গরাজ্য (Original 13 Colonies): ১৭৭৬ সালে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করার সময় যে ১৩টি উপনিবেশ বা কলোনি একত্রিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র গঠন করেছিল, সেগুলোর মধ্য দিয়েই দেশটির যাত্রা শুরু হয়। মেক্সিকোর সাথে যুদ্ধের পর সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে (যেমন—ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাডা, ইউটাহ, অ্যারিজোনা ইত্যাদি অঞ্চল) বিশাল ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়। টেক্সাস প্রজাতন্ত্র একসময় স্বাধীন দেশ ছিল, যা ১৮৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়। একইভাবে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জকেও পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংযুক্ত করা হয়। সূত্রঃ Daily Star
ক্যালিফোর্নিয়ার এই প্রত্যন্ত উপকূলের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের কথা আজ অনেকেই জানেন না। অথচ প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানকার একটি অংশ রুশ সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। ১৮১২ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ায় রুশদের একটি স্থায়ী উপনিবেশ ছিল। এটি ছিল রাশিয়ার উত্তর আমেরিকান উপনিবেশগুলোর অংশ, যা তখন ‘রাশিয়ান আমেরিকা’ নামে পরিচিত ছিল বলে জানায় বিবিসি। ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসে স্প্যানিশ ও মেক্সিকান শাসনের কথা বেশি পরিচিত হলেও রুশদের এই অধ্যায়টি অনেকটাই বিস্মৃত। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির নৃবিজ্ঞানী কেন্ট লাইটফুট বিবিসিকে বলেন, বেশির ভাগ ক্যালিফোর্নিয়াবাসীও জানেন না যে একসময় এখানে রাশিয়ার উপনিবেশ ছিল। এটি যেন একটি ‘ভুলে যাওয়া সাম্রাজ্য’। সূত্রঃ Daily Star
যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণে উত্তর ক্যারোলিনার অ্যাশভিলে অনুষ্ঠিত জি২০-এর অর্থবিষয়ক বৈঠকে রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভের উপস্থিতি ইউরোপীয় মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি করেছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান শুরুর পর জি২০-এর কোনো বৈঠকে সিলুয়ানভের সরাসরি উপস্থিতি এবারই প্রথম। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিলুয়ানভ মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই পক্ষ জি২০ কাঠামোর মধ্যে আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছে। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে।সূত্রঃ ইনকিলাব