বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, 'অক্ষির সমীপে' (বা সমীক্ষে) এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সমক্ষ।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
"কেউকেটা" শব্দটি "কেউ" এবং "কেটা" শব্দের সংমিশ্রণ। এটি একটি অবজ্ঞাসূচক বা তুচ্ছতাবোধক শব্দ যা কোনো ব্যক্তিকে অবহেলা বা অবমূল্যায়ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
'তামার বিষ' বাগধারাটির অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা হঠাৎ বড়লোক হওয়ার অহংকার। তাই সঠিক উত্তর 'কুপ্রভাব'। বাগধারা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়।
'বর্ণচোরা' বাগধারাটির অর্থ কপটচারী বা কপট ব্যক্তি। যে ব্যক্তি ভেতরে একরকম কিন্তু বাইরে অন্যরকম আচরণ করে, তাকে বর্ণচোরা বলা হয়।
'অমাবস্যার চাঁদ' বাগধারাটির অর্থও দুর্লভ বস্তু বা যা সহজে দেখা যায় না।
শুঁড় বার করা – লোভ করা
ক্ষুদ্র অঙ্গ = উপাঙ্গ, হাতের কব্জি = মনিবন্ধ, হাতের দ্বিতীয় আঙ্গুল = তর্জনী, হাতের তৃতীয় আঙ্গুল = মধ্যমা।
গর্দভরাগিনী- কর্কশ সুর, গোবর গনেশ- অকর্মন্য, গো মূর্খ- নিরেট মুর্খ।
'শ্যাম রাখি না কুল রাখি' প্রবাদটির অর্থ হলো উভয় সংকট বা করাতকলের মতো অবস্থা। এটি এমন এক মানসিক অবস্থাকে বোঝায় যখন দুটি বিপরীতমুখী বিষয় বা পরিস্থিতির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে হয়, কিন্তু দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় কোনোটিই ছাড়া বা বেছে নেওয়া সম্ভব হয় না।
'তিল কাঞ্চুনে' বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত কৃপণ বা কিপটে।
বাগধারা অর্থ বিশিষ্ট অর্থবাচক বাক্যাংশ বা বাচনরীতি। প্রতিটি ভাষায় বিশেষ কতক বাক্যাংশ বা বাচনরীতি রয়েছে। এগুলো আভিধানিক বা আক্ষরিক ভাব প্রকাশ না করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
'ঢেঁকির কচকচি' বাগধারাটির অর্থ বিরক্তিকর বকবকানি বা কলহ (বিরক্তিকর ঝগড়া)।
'যশুরে কই' বাগধারাটির অর্থ হলো অত্যন্ত জেদি বা শক্ত প্রাণ। তাই এটি অন্যান্য অপশন থেকে ভিন্নার্থক।
'তাল পাতার সেপাই' বাগধারাটির অর্থ অতিশয় দুর্বল বা ক্ষীণজীবী মানুষ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অত্যন্ত ভদ্র: 'ভিজে বিড়াল' বাগধারাটির অর্থ বাইরে অত্যন্ত ভদ্র কিন্তু ভেতরে ধড়িবাজ।
ম্যাও ধরা - দায়িত্ব নেওয়া
হাতে-পায়ে ধরা - অনুরোধ করা
গলা ধরা - কণ্ঠ রুদ্ধ হওয়া
'গোবর গণেশ' বাগধারার অর্থ নিরেট মূর্খ।
'সপ্তকাণ্ড রামায়ণ' বাগধারাটির অর্থ বৃহৎ বিষয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- গ্রন্থ, ছোটগল্প: এগুলো সাধারণ সাহিত্যের রূপ, বাগধারার আলংকারিক অর্থ হিসেবে এগুলো প্রযোজ্য নয়।
'সিঁদুরে মেঘ' বাগধারাটির অর্থ = বিপদের আশঙ্কা
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- 'ভস্মে ঘি ঢালা' প্রবচনটির অর্থ - নিরর্থক অপব্যয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- মশা মারতে কামান দাগা: সামান্য ব্যাপারে বৃহৎ আয়োজন।
• ‘আঠারো আনা’ বাগ্ধারাটির অর্থ - বাড়াবাড়ি।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
• ‘গাছ পাথর’ বাগ্ধারাটির অর্থ - হিসাব নিকাশ।
• ‘বাঘের দুধ’ বাগ্ধারাটির অর্থ - অসম্ভব বস্তু।
• 'পায়াভারি' বাগ্ধারাটির অর্থ হলো - অহংকার।
নয়ছয় অর্থ অপচয় করা,নষ্ট করা,ক্ষতি করা ।
- ধামাধরা বাগধারার অর্থ - তোষামোদকারী ।
আরও কিছু বাগধারা:
- ধ-র্মের ষাঁড় বাগধারার অর্থ - যথেচ্ছাচারী ।
- ফেকলু পার্টি বাগধারার অর্থ - কদকহীন লোক ।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ প্রবচনঃ
♦ ডুমুরের ফুল - বিরল বস্তু
♦ লেফাফাদুরস্ত - বাইরের ঠাট বজায় রেখে চলা
♦ গুড়ে বালি - আশায় নৈরাশ্য
♦ পটল তোলা - মারা যাওয়া
♦ দস্তবদস্ত - হাতে-হাতে
বাঘের আড়ি (নাছোরবান্দা, দুশমনি) – সর্বস্ব খোয়ালে কি হবে, মল্লিক সাহেব তার এককালের বন্ধুর বিরুদ্ধে বাঘের আড়ি পেতেছেন।