- ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার শব্দ অনেক সময় মানুষের শারীরিক ও মানসিক অনুভূতি প্রকাশ করে।
- 'ভয়ে গা ছমছম করা' দ্বারা মূলত ভয়ের শারীরিক ও মানসিক অনুভূতিকে বোঝানো হয়েছে।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
- 'নীলাম্বরী' শব্দটি 'নীল' (বর্ণ) এবং 'অম্বর' (বস্ত্র) শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। বাংলা একাডেমি অভিধান অনুযায়ী এর আভিধানিক অর্থ নীল শাড়ি বা নীল রঙের বস্ত্র।
ফাঁকি দেয়া- গণ্ডায় আণ্ডা দেয়া।
লোক ঠকানোর কৌশল- গ্যাঁড়াকল।
অতিশয় বিনীত- গলবস্ত্র।
পন্ডিত মূর্খ - গজপতি বিদ্যাদিগ্বজ;
ফাঁকি দেয়া- গন্ডায় আণ্ডা দেয়া;
মন্থর গতি- গজেন্দ্র ভ্রমন।
রসিক লোক - ইয়ার বক্সী;
অমিতব্যয়ী -উড়নচন্ডী;
হতভাগ্য- ঊনপাঁজুরে।
» অতিরিক্ত ব্যগ্রতা - আঁকুপাকু;
» বিপুল আয়োজন- অশ্বমেধ যজ্ঞ;
» প্রতারণা পূর্ণ তোষামোদ - আমড়া গাছি করা।
- 'চড়কে কাঠি পড়া' একটি বাংলা বাগধারা, যার অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কলহের সুত্রপাত বা বিবাদ শুরু হওয়া।
- 'যজ্ঞের ঘোড়া' বাগধারাটির অর্থ হলো অসহায় (যাকে অন্যের ইচ্ছায় চলতে হয় বা বলির বস্তু)।
উপজ্ঞা - উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান । উপজ্ঞা - আত্মাকে অধিকার করে যে। বীরবৌলী- বীরপুরুষের কর্মভূষণ ।
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, 'অক্ষির সমীপে' (বা সমীক্ষে) এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো সমক্ষ।
"কেউকেটা" শব্দটি "কেউ" এবং "কেটা" শব্দের সংমিশ্রণ। এটি একটি অবজ্ঞাসূচক বা তুচ্ছতাবোধক শব্দ যা কোনো ব্যক্তিকে অবহেলা বা অবমূল্যায়ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
'তামার বিষ' বাগধারাটির অর্থ হলো অর্থের কুপ্রভাব বা হঠাৎ বড়লোক হওয়ার অহংকার। তাই সঠিক উত্তর 'কুপ্রভাব'। বাগধারা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়।
'বর্ণচোরা' বাগধারাটির অর্থ কপটচারী বা কপট ব্যক্তি। যে ব্যক্তি ভেতরে একরকম কিন্তু বাইরে অন্যরকম আচরণ করে, তাকে বর্ণচোরা বলা হয়।
'অমাবস্যার চাঁদ' বাগধারাটির অর্থও দুর্লভ বস্তু বা যা সহজে দেখা যায় না।
শুঁড় বার করা – লোভ করা
ক্ষুদ্র অঙ্গ = উপাঙ্গ, হাতের কব্জি = মনিবন্ধ, হাতের দ্বিতীয় আঙ্গুল = তর্জনী, হাতের তৃতীয় আঙ্গুল = মধ্যমা।
গর্দভরাগিনী- কর্কশ সুর, গোবর গনেশ- অকর্মন্য, গো মূর্খ- নিরেট মুর্খ।
'শ্যাম রাখি না কুল রাখি' প্রবাদটির অর্থ হলো উভয় সংকট বা করাতকলের মতো অবস্থা। এটি এমন এক মানসিক অবস্থাকে বোঝায় যখন দুটি বিপরীতমুখী বিষয় বা পরিস্থিতির মধ্যে যে কোনো একটি বেছে নিতে হয়, কিন্তু দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় কোনোটিই ছাড়া বা বেছে নেওয়া সম্ভব হয় না।
'তিল কাঞ্চুনে' বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত কৃপণ বা কিপটে।
বাগধারা অর্থ বিশিষ্ট অর্থবাচক বাক্যাংশ বা বাচনরীতি। প্রতিটি ভাষায় বিশেষ কতক বাক্যাংশ বা বাচনরীতি রয়েছে। এগুলো আভিধানিক বা আক্ষরিক ভাব প্রকাশ না করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
'ঢেঁকির কচকচি' বাগধারাটির অর্থ বিরক্তিকর বকবকানি বা কলহ (বিরক্তিকর ঝগড়া)।
'যশুরে কই' বাগধারাটির অর্থ হলো অত্যন্ত জেদি বা শক্ত প্রাণ। তাই এটি অন্যান্য অপশন থেকে ভিন্নার্থক।
'তাল পাতার সেপাই' বাগধারাটির অর্থ অতিশয় দুর্বল বা ক্ষীণজীবী মানুষ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অত্যন্ত ভদ্র: 'ভিজে বিড়াল' বাগধারাটির অর্থ বাইরে অত্যন্ত ভদ্র কিন্তু ভেতরে ধড়িবাজ।