বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
‘বেটার প্রটেকশন অব ম্যানগ্রোভস, সোয়াম্প ফরেস্টস অ্যান্ড মেরিন এরিয়াস (কানেক্ট)’ প্রকল্পে ৫ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা অনুদান দেবে জার্মানি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য অধিদপ্তর এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন অধিদপ্তর যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।অপর, প্রকল্প ‘এনার্জি এফিশিয়েন্সি ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (ইই৪ডেভ)’-এ জার্মানি ৭ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১০০ কোটি ১২ লাখ টাকা অনুদান দেবে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। সূত্রঃ Dhaka Mail
'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ হলো চির অশান্তি।
- হিন্দু পুরাণ অনুসারে, রাবণের মৃত্যুর পর রামচন্দ্রের বরে তার চিতা অনন্তকাল ধরে জ্বলছে। এই পৌরাণিক বিশ্বাস থেকে যা কখনো শেষ হয় না বা নেভে না এমন অশান্তি বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
'যার কোন মূল্য নেই' বা অপ্রয়োজনীয় বস্তু/ব্যক্তি বোঝাতে ঢাকের বায়া (বা ঢাকের বাঁয়া) বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ডাকাবুকা: এর অর্থ নির্ভীক বা দুরন্ত।
- তুলসি বনের বাঘ: এর অর্থ ভণ্ড বা সাধুর বেশে দুর্বৃত্ত।
- আমার বিষ (মূলত তামার বিষ): এর অর্থ অর্থের কুপ্রভাব বা টাকার অহংকার।
- কাকনিদ্রা বাগধারাটির অর্থ হলো কাকের ঘুমের মতো সতর্ক ও অগভীর ঘুম। অর্থাৎ সামান্য শব্দেই যে ঘুম ভেঙে যায়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কপট নিদ্রা: ভণ্ডামিপূর্ণ ঘুম বা জেগে ঘুমিয়ে থাকার ভান করা।
- অনিষ্ট চিন্তা: অন্যের ক্ষতি করার ভাবনা বা কুমতলব।
- কাকের নিদ্রার ন্যায়: এটি বাগধারার আক্ষরিক অনুবাদ, কিন্তু বাগধারার বিশিষ্ট অর্থ হিসেবে 'অগভীর সতর্ক নিদ্রা' বেশি গ্রহণযোগ্য।
-তেলও কম ভাজাও মচমচে বাগধারাটির অর্থ হলো অল্প উপকরণে ভালো ব্যবস্থা বা কম খরচে বেশি লাভ।
মাথা ব্যথা বাগধারাটির অর্থ আগ্রহ বা গরজ। যেমন: অন্যের সংসারে তোমার এতো মাথা ব্যথা কেন?
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- মাথা ধরা: মাথা ব্যথা করা বা অসুস্থতা বোধ করা।
- মাথা দেওয়া: মনোযোগ দেওয়া বা আত্মোৎসর্গ করা।
- মাথা খাওয়া: সর্বনাশ করা বা দিব্যি দেওয়া।
মণিকাঞ্চনযোগ বা মনিকাঞ্চন যোগ বাগধারাটির অর্থ হলো চমৎকার মিল বা উপযুক্ত মিলন। এর সমার্থক বাগধারাটি হলো সোনায় সোহাগা, যার অর্থও উপযুক্ত মিলন বা মণিকাঞ্চনযোগ।
- 'ঢাকের কাঠি' বাগধারাটির অর্থ হলো মোসাহেব, চাটুকার বা তোষামুদে।
- যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের মন জুগিয়ে কথা বলে বা লেজুড়বৃত্তি করে, তাকে ঢাকের কাঠি বলা হয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কপট ব্যক্তি: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'বর্ণচোরা আম'।
- ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'দহরম-মহরম'।
- হতভাগ্য: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'অষ্টকপাল', 'আট কপালে' বা 'হাড় হাভাতে'。
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
- গড্ডলিকা প্রবাহ– এর গড্ডল অর্থ কী : ভেড়া
- শরতের শিশির অর্থ : ক্ষণস্থায়ী
- শিবরাত্রির সলতে অর্থ : একমাত্র সন্তান / বংশধর
- ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি
- গাছপাথর অর্থ : হিসাব নিকাশ
- রামগরুড়ের ছানা : গোমড়ামুখো লোক ( গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ, বিষ্ণুর বাহন)
- চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য
- 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অত্যন্ত সৌভাগ্য বা সুসময়।
- জ্যোতিষশাস্ত্রে, জন্মছকের একাদশ ঘরে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থানকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই অবস্থান ধন, সম্মান এবং সৌভাগ্য নিয়ে আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। সেই ধারণা থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি, যা সৌভাগ্যের বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- 'কৌশলে কার্যোদ্ধার' বাংলা বাগধারা কথাটির অর্থ হচ্ছে ধরি মাছ না ছুই পানি।
- এটি ব্যবহৃত হয় তখন, যখন কেউ প্রতিকূল বা অনুকূল পরিবেশ ঠিক রেখে, কোনো ঝামেলায় না জড়িয়ে নিজের কাজ উদ্ধার করতে পারে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- গাছে তুলে মই কাড়া: এর অর্থ হলো কাউকে আশা দিয়ে বা সাহায্যে এগিয়ে এসে মাঝপথে বিপদে ফেলে সরে পড়া।
- এক খুড়ে মাথা মোড়ানো: এর অর্থ একই স্বভাবের বা একই দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
- আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া: এর অর্থ হলো দুর্লভ বস্তু লাভ করা বা অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি।
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
- সপ্তকাণ্ড রামায়ণ অর্থ : বৃহৎ বিষয়
- গড্ডলিকা প্রবাহ– এর গড্ডল অর্থ কী : ভেড়া
- শরতের শিশির অর্থ : ক্ষণস্থায়ী
- শিবরাত্রির সলতে অর্থ : একমাত্র সন্তান / বংশধর
- ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি
- 'রামগরুড়ের ছানা' বাগধারাটির অর্থ হলো গোমড়ামুখো লোক, অর্থাৎ যে ব্যক্তি সবসময় মুখ কালো করে থাকে বা হাসতে জানে না।
- গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ বা বিষ্ণুর বাহন। তবে বাগধারা হিসেবে এটি গম্ভীর স্বভাবের ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কাল্পনিক জন্তু, মুরগি, পুরাণোক্ত পাখি: এগুলো আক্ষরিক বা আংশিক অর্থের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ হিসেবে এগুলো ভুল।
- 'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থ হলো সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা ধন সঞ্চয়ের প্রবল আকাঙ্ক্ষা।
- নিরানব্বইয়ের পর একশো পূর্ণ করার যে তীব্র মানসিকতা বা আকাঙ্ক্ষা, তা থেকেই এই বাগধারার উদ্ভব।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- তীরে পৌঁছার ঝক্কি: এটি সঠিক অর্থ নয়।
- মুমূর্ষু অবস্থা: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'যখন-তখন অবস্থা'।
- আসন্ন বিপদ: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'শিরে সংক্রান্তি'।
- 'হাতভারি' একটি বিশেষণ অর্থবোধক বাগধারা, যার অর্থ কৃপণ, কিছু দিতে বা খরচ করতে চায় না এমন।
• উদাহরণ: ও যেমন হাতভারী লোক, ওর বউ তেমনি দরাজ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- দাতা: যে দান করে, যা হাতভারির সম্পূর্ণ বিপরীত।
- কম খরচে: এটি একটি অবস্থা, সরাসরি কৃপণতা বোঝায় না।
- দরিদ্র: সম্পদহীন ব্যক্তি, এর সাথে কৃপণের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- ব্যাঙের সর্দি' বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ঘটনা।
- আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- ব্যাঙের আধুলি— সামান্য সম্পদ,
- ভূশণ্ডির কাক— দীর্ঘজীবী,
- তাসের ঘর— ক্ষণস্থায়ী বস্তু,
- গোঁফ খেজুরে— নিতান্ত অলস।
চাঁদের হাট' একটি বাগধারা, যার অর্থ 'ধনে জনে পরিপূর্ণ সুখের সংসার' বা 'আনন্দের প্রাচুর্য'।অর্থাৎ চাঁদের হাট বলতে এখানে প্রিয়জন সমাগমকে বোঝানো হয়েছে।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
বন্ধুদের সমাগম, আত্মীয় সমাগম, গণ্যমান্যদের সমাগম: এগুলো আংশিক সমাগম বোঝালেও বাগধারাটির মূল ভাব 'সুখের সংসার ও প্রিয়জনদের আনন্দময় সমাগম'-কে সুনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে 'প্রিয়জন সমাগম'ই সবচেয়ে সঠিক।
'ভূষণ্ডির কাক' বা 'কাক ভূষণ্ডি' বাগধারা দুটিরই অর্থ হলো দীর্ঘজীবী লোক বা দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।
- ‘গাছপাথর’ বাগধারাটির অর্থ: হিসাব-নিকাশ।
- গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা করা),
- অকালকুসুম (অসম্ভব বস্তু) এবং
- ‘আঠারো আনা’ (বাড়াবাড়ি করা)
- 'ঊনপঞ্চাশ বায়ু' অর্থ- পাগলামি/ বদমেজাজ।
- পরীক্ষা ঘনিয়ে আসছে, আর তার মাথায় ঊনপঞ্চাশ বায়ু দেখা দিয়েছে।
- উল্লেখ্য, বাগধারাটির সঠিক অর্থ 'পাগলামি'। অপশনে না থাকায় 'বদমেজাজ' উত্তর নেয়া হয়েছে।
'দুধের মাছি' বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু। দুধে যেমন মাছি সহজে আকর্ষিত হয়, তেমনি সুসময়ে যারা সুবিধা লাভের আশায় কাছে আসে তাদের দুধের মাছি বলা হয়।