বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৩৬৫+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর C (সোনায় সোহাগা)
ব্যাখ্যা:

মণিকাঞ্চনযোগ বা মনিকাঞ্চন যোগ বাগধারাটির অর্থ হলো চমৎকার মিল বা উপযুক্ত মিলন। এর সমার্থক বাগধারাটি হলো সোনায় সোহাগা, যার অর্থও উপযুক্ত মিলন বা মণিকাঞ্চনযোগ।

সঠিক উত্তর D (মোসাহেব)
ব্যাখ্যা:

- 'ঢাকের কাঠি' বাগধারাটির অর্থ হলো মোসাহেব, চাটুকার বা তোষামুদে।
- যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের মন জুগিয়ে কথা বলে বা লেজুড়বৃত্তি করে, তাকে ঢাকের কাঠি বলা হয়।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কপট ব্যক্তি: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'বর্ণচোরা আম'।
- ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'দহরম-মহরম'।
- হতভাগ্য: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'অষ্টকপাল', 'আট কপালে' বা 'হাড় হাভাতে'。

সঠিক উত্তর B (হিসাব-নিকাশ)
ব্যাখ্যা:

 গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
- গড্ডলিকা প্রবাহ– এর গড্ডল অর্থ কী : ভেড়া
- শরতের শিশির অর্থ : ক্ষণস্থায়ী
- শিবরাত্রির সলতে অর্থ : একমাত্র সন্তান / বংশধর
- ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি
- গাছপাথর অর্থ : হিসাব নিকাশ
- রামগরুড়ের ছানা : গোমড়ামুখো লোক ( গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ, বিষ্ণুর বাহন)
- চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য 

সঠিক উত্তর B (সৌভগ্যের বিষয়)
ব্যাখ্যা:

- 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি বাংলা বাগধারা, যার অর্থ অত্যন্ত সৌভাগ্য বা সুসময়।
- জ্যোতিষশাস্ত্রে, জন্মছকের একাদশ ঘরে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থানকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই অবস্থান ধন, সম্মান এবং সৌভাগ্য নিয়ে আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। সেই ধারণা থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি, যা সৌভাগ্যের বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর C (ধরি মাছ না ছুই পানি)
ব্যাখ্যা:

- 'কৌশলে কার্যোদ্ধার' বাংলা বাগধারা কথাটির অর্থ হচ্ছে ধরি মাছ না ছুই পানি।
- এটি ব্যবহৃত হয় তখন, যখন কেউ প্রতিকূল বা অনুকূল পরিবেশ ঠিক রেখে, কোনো ঝামেলায় না জড়িয়ে নিজের কাজ উদ্ধার করতে পারে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- গাছে তুলে মই কাড়া: এর অর্থ হলো কাউকে আশা দিয়ে বা সাহায্যে এগিয়ে এসে মাঝপথে বিপদে ফেলে সরে পড়া।
- এক খুড়ে মাথা মোড়ানো: এর অর্থ একই স্বভাবের বা একই দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
- আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া: এর অর্থ হলো দুর্লভ বস্তু লাভ করা বা অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি।

সঠিক উত্তর B (তোষামুদে)
ব্যাখ্যা:

 গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
- সপ্তকাণ্ড রামায়ণ অর্থ : বৃহৎ বিষয়
- গড্ডলিকা প্রবাহ– এর গড্ডল অর্থ কী : ভেড়া
- শরতের শিশির অর্থ : ক্ষণস্থায়ী
- শিবরাত্রির সলতে অর্থ : একমাত্র সন্তান / বংশধর
- ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি

সঠিক উত্তর B (গোমড়ামুখো লোক)
ব্যাখ্যা:

- 'রামগরুড়ের ছানা' বাগধারাটির অর্থ হলো গোমড়ামুখো লোক, অর্থাৎ যে ব্যক্তি সবসময় মুখ কালো করে থাকে বা হাসতে জানে না।
- গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ বা বিষ্ণুর বাহন। তবে বাগধারা হিসেবে এটি গম্ভীর স্বভাবের ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কাল্পনিক জন্তু, মুরগি, পুরাণোক্ত পাখি: এগুলো আক্ষরিক বা আংশিক অর্থের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ হিসেবে এগুলো ভুল।

সঠিক উত্তর B (সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি)
ব্যাখ্যা:

- 'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থ হলো সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা ধন সঞ্চয়ের প্রবল আকাঙ্ক্ষা।
- নিরানব্বইয়ের পর একশো পূর্ণ করার যে তীব্র মানসিকতা বা আকাঙ্ক্ষা, তা থেকেই এই বাগধারার উদ্ভব।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- তীরে পৌঁছার ঝক্কি: এটি সঠিক অর্থ নয়।
- মুমূর্ষু অবস্থা: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'যখন-তখন অবস্থা'।
- আসন্ন বিপদ: এর সমার্থক বাগধারা হলো 'শিরে সংক্রান্তি'।

সঠিক উত্তর D (কৃপণ)
ব্যাখ্যা:

- 'হাতভারি' একটি বিশেষণ অর্থবোধক বাগধারা, যার অর্থ কৃপণ, কিছু দিতে বা খরচ করতে চায় না এমন।
• উদাহরণ: ও যেমন হাতভারী লোক, ওর বউ তেমনি দরাজ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- দাতা: যে দান করে, যা হাতভারির সম্পূর্ণ বিপরীত।
- কম খরচে: এটি একটি অবস্থা, সরাসরি কৃপণতা বোঝায় না।
- দরিদ্র: সম্পদহীন ব্যক্তি, এর সাথে কৃপণের সরাসরি সম্পর্ক নেই।

সঠিক উত্তর C (অসম্ভব ঘটনা)
ব্যাখ্যা:

- ব্যাঙের সর্দি' বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ঘটনা।

- আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:

- ব্যাঙের আধুলি— সামান্য সম্পদ,

- ভূশণ্ডির কাক— দীর্ঘজীবী,

- তাসের ঘর— ক্ষণস্থায়ী বস্তু,

- গোঁফ খেজুরে— নিতান্ত অলস।

সঠিক উত্তর C (প্রিয়জন সমাগম)
ব্যাখ্যা:

চাঁদের হাট' একটি বাগধারা, যার অর্থ 'ধনে জনে পরিপূর্ণ সুখের সংসার' বা 'আনন্দের প্রাচুর্য'।অর্থাৎ চাঁদের হাট বলতে এখানে প্রিয়জন সমাগমকে বোঝানো হয়েছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
বন্ধুদের সমাগম, আত্মীয় সমাগম, গণ্যমান্যদের সমাগম: এগুলো আংশিক সমাগম বোঝালেও বাগধারাটির মূল ভাব 'সুখের সংসার ও প্রিয়জনদের আনন্দময় সমাগম'-কে সুনির্দিষ্টভাবে বোঝাতে 'প্রিয়জন সমাগম'ই সবচেয়ে সঠিক।

সঠিক উত্তর B (দীর্ঘজীবী লোক)
ব্যাখ্যা:

'ভূষণ্ডির কাক' বা 'কাক ভূষণ্ডি' বাগধারা দুটিরই অর্থ হলো দীর্ঘজীবী লোক বা দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।

সঠিক উত্তর A (আত্মসম্মান রক্ষা করা)
সঠিক উত্তর C (হিসাব-নিকাশ)
ব্যাখ্যা:

- ‘গাছপাথর’ বাগধারাটির অর্থ: হিসাব-নিকাশ।
- গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা করা),
- অকালকুসুম (অসম্ভব বস্তু) এবং
- ‘আঠারো আনা’ (বাড়াবাড়ি করা)

সঠিক উত্তর C (বদমেজাজ)
ব্যাখ্যা:

- 'ঊনপঞ্চাশ বায়ু' অর্থ- পাগলামি/ বদমেজাজ।
- পরীক্ষা ঘনিয়ে আসছে, আর তার মাথায় ঊনপঞ্চাশ বায়ু দেখা দিয়েছে। 
- উল্লেখ্য, বাগধারাটির সঠিক অর্থ 'পাগলামি'। অপশনে না থাকায় 'বদমেজাজ' উত্তর নেয়া হয়েছে।

সঠিক উত্তর A (সুসময়ের বন্ধু)
ব্যাখ্যা:

 'দুধের মাছি' বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু। দুধে যেমন মাছি সহজে আকর্ষিত হয়, তেমনি সুসময়ে যারা সুবিধা লাভের আশায় কাছে আসে তাদের দুধের মাছি বলা হয়।

সঠিক উত্তর C (সৌভাগ্যর বিষয়)
ব্যাখ্যা:

- 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়। জ্যোতিষশাস্ত্রে একাদশ স্থানে শুভ গ্রহ বৃহস্পতির অবস্থান অত্যন্ত ফলদায়ক বা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

সঠিক উত্তর B (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
ব্যাখ্যা:

- 'সাক্ষী গোপাল' বাগধারার অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক।

- অকাল কুষ্মাণ্ড / আমড়া কাঠের ঢেঁকি / ঊনপাঁজুরে / কচু বনের কালাচাঁদ / ঘটিরাম / ঢেঁকির কুমির / ধর্মের ষাঁড় / নালায়েক প্রভৃতি বাগধারার অর্থ- অপদার্থ ।

সঠিক উত্তর A (চির অশান্তি)
ব্যাখ্যা:

'রাবণের চিতা' বাগধারাটির অর্থ চির অশান্তি। রামায়ণে বর্ণিত রাবণের চিতা যেমন কখনো নেভে না বা যুগের পর যুগ জ্বলতে থাকে বলে উল্লেখ আছে, তেমনি চিরস্থায়ী দুঃখ বা অশান্তি বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অরাজক দেশ: এর অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা হলো 'মগের মুল্লুক'।
- অনিষ্টে ইষ্টলাভ: এর অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা হলো 'শাপে বর'।
- পাপের শাস্তি: এর সরাসরি কোনো সুপরিচিত বাগধারা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।

সঠিক উত্তর B (তোষামুদে)
ব্যাখ্যা:

'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ তোষামুদে, মোসাহেব বা চাটুকার। যে ব্যক্তি নিজের কোনো বিচার-বিবেচনা না করে বিনা যুক্তিতে কেবল অপরের কথায় সায় দেয় বা প্রশংসা করে, তাকে ঢাকের কাঠি বলা হয়।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সাহায্যকারী: এর অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা হতে পারে 'ডান হাত'।
- বাদক: এটি একটি সাধারণ অর্থবোধক শব্দ, বাগধারা নয়।
- স্বাস্থ্যহীন লোক: এর রূপক অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা হলো 'অষ্টাবক্র' বা 'উনপাঁজুরে'।

সঠিক উত্তর D (অসম্ভব ঘটনা)
ব্যাখ্যা:

 'ব্যাঙের সর্দি' বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ঘটনা বা যা অভিনব ও অবাস্তব। ব্যাঙের স্বাভাবিক বাসস্থল পানি, তাই তার সর্দি হওয়াটা একেবারেই অবাস্তব ও অসম্ভব ব্যাপার।


ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- প্রতারণা: এর অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা হলো 'বিড়াল তপস্বী' বা 'বগধার্মিক'।
- রোগবিশেষ / সম্ভাব্য ঘটনা: এগুলো বাগধারার রূপক অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর C (ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা)
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, লজিস্টিকস ব্যয় কমানো এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদার করতে আগ্রহ দেখিয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।একই সঙ্গে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার কথাও বলেছে জাতিসংঘের সংস্থাটি।রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঢাকায় ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেস এসব আগ্রহের কথা তুলে ধরেন বলে মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে। সূত্রঃ bdnews24.com

সঠিক উত্তর B (অর্থতত্ত্বে)
ব্যাখ্যা:

বাগধারা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্বে (Semantics) আলোচিত হয়। কারণ বাগধারা মূলত শব্দের আক্ষরিক বা মুখ্য অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ বা গৌণ অর্থ প্রকাশ করে। শব্দ ও বাক্যের অর্থবিচার, বিপরীতার্থক শব্দ, সমার্থক শব্দ, মুখ্যার্থ ও গৌণার্থ ইত্যাদি অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ধ্বনিতত্ত্বে: ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি, ণ-ত্ব বিধান, ষ-ত্ব বিধান, ধ্বনি পরিবর্তন ইত্যাদি আলোচিত হয়।
- রূপতত্ত্বে বা শব্দতত্ত্বে: সমাস, ধাতু, উপসর্গ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, লিঙ্গ, বচন ইত্যাদি আলোচিত হয়।
- বাক্যতত্ত্বে: কারক, বাচ্য, উক্তি, যতিচিহ্ন, বাক্য পরিবর্তন, বাক্যের যোগ্যতা ইত্যাদি আলোচিত হয়।

সঠিক উত্তর B (এপিএম টার্মিনালস)
ব্যাখ্যা:

চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে দেশের প্রথম গ্রিনফিল্ড কনটেইনার টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ডেনমার্কের এপিএম টার্মিনালস পিপিপি মডেলে এটি নির্মাণ করছে। টার্মিনালটি বছরে ৮ লাখ TEU কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে পারবে। এতে ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে এবং নির্মাণে সময় লাগবে ৩ বছর। এর জেটি হবে ৬১৬ মিটার দীর্ঘ এবং সর্বোচ্চ ৬ হাজার TEU ধারণক্ষমতার জাহাজ ভিড়তে পারবে। চালু হওয়ার পর এপিএম টার্মিনালস ৩০ বছর এটি পরিচালনা করবে, যা শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আরও ১৫ বছর বাড়ানো যেতে পারে। সূত্রঃ bdnews24.com

প্যাকেজ প্রয়োজন