দেশটির জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম আরইউভি রবিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ২ লাখ ৭০ হাজার ভোটারের মধ্যে প্রথম গণনা করা ১ লাখ ৫২ হাজার ভোটের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৫০.১ শতাংশ ভোটার ইইউর সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরুর বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। এবং ৪৯.৯ শতাংশ ভোটার প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্গম এলাকাগুলো থেকে ব্যালট বক্স সংগ্রহের জটিল প্রক্রিয়ার কারণে রবিবার দুপুরের আগে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।২০০৯ সালে অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে আইসল্যান্ড প্রথম ইইউ সদস্যপদের আবেদন করলেও ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকার তা স্থগিত করে। সূত্রঃ কালের কণ্ঠ
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার ১৯৩৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গান গেয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধক্ষেত্রে বিপুল সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন।তাঁর সমৃদ্ধ ডিস্কোগ্রাফির মধ্যে 'সালাম সালাম হাজার সালাম', 'জয় বাংলা বাংলার জয়' এবং 'ওরে নীল দরিয়া' গানগুলো অন্যতম সেরা কালজয়ী সৃষ্টি।সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য 'একুশে পদক' ও 'স্বাধীনতা পুরস্কারে' ভূষিত এই কিংবদন্তি শিল্পী ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সূত্রঃ ইত্তেফাক
- ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি অর্থ - চির অশান্তি।
আরও কিছু বাগধারা
- ‘ভরাডুবি’ বাগধারাটির অর্থ- সর্বনাশ।
- 'জগদ্দল পাথর' বাগধারাটির অর্থ- 'গুরুভার'।
- 'শাপে বর' বাগধারাটির অর্থ- অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
'ঘরের শত্রু বিভীষণ' বাগধারাটির অর্থ যে গৃহে বিবাদ করে বা আপনজনের মধ্যে যে বিশ্বাসঘাতকতা করে। রামায়ণে বিভীষণ নিজের ভাই রাবণের বিরুদ্ধে গিয়ে রামকে সাহায্য করেছিলেন, সেই থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি।
ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- রাবণের ভাই: এটি বিভীষণের আক্ষরিক পরিচয়, তবে বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ নয়।
- শত্রু / বন্ধুভাবাপন্ন: এগুলো আংশিক বা বিপরীতার্থক, ঘরের ভেতরের বিশ্বাসঘাতককে সুনির্দিষ্টভাবে বোঝায় না।
- 'টীকা ভাষ্য' বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘ আলোচনা বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
- বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী টীকা বা ভাষ্য অর্থ হলো কোনো মূল গ্রন্থের বিস্তারিত ব্যাখ্যা।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নির্ঘণ্ট: অর্থ বর্ণানুক্রমিক সূচি বা নির্ঘণ্ট।
- সার কথা: অর্থ মূল কথা বা সারাংশ।
- উৎস খোঁজা: কোনো কিছুর মূল বা উৎপত্তি অনুসন্ধান।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
- রামগরুড়ের ছানা : গোমড়ামুখো লোক ( গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ, বিষ্ণুর বাহন)
- চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য , প্রিয়জনের সমাগম
- ব্যাঙের সর্দি : অসম্ভব ব্যাপার
- রাবণের চিতা : চির অশান্তি
- ঢাকের বায়া : মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়
- গোঁফ খেজুরে : নিতান্ত অলস / অত্যন্ত কুঁড়ে।
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি
- গাছপাথর অর্থ : হিসাব নিকাশ
- রামগরুড়ের ছানা : গোমড়ামুখো লোক ( গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ, বিষ্ণুর বাহন)
- চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য , প্রিয়জনের সমাগম
- ব্যাঙের সর্দি : অসম্ভব ব্যাপার
- রাবণের চিতা : চির অশান্তি
- ঢাকের বায়া : মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়
'অর্ধচন্দ্র' - এর অর্থ গলা ধাক্কা দেয়া। অর্ধচন্দ্র (বিশেষ্য পদ) শব্দটির অর্থ - আধখানা চাঁদ, গলাধাক্কা, প্রহার।
- 'চিনির পুতুল' বাগধারাটির অর্থ পরিশ্রম কাতর বা অতি কোমল, যে অল্পতেই হাঁপিয়ে পড়ে।
- এটি শারীরিক দুর্বলতা বা অতিরিক্ত আদরে নষ্ট হওয়া কোমলতাকে নির্দেশ করে।
- সমার্থক বাগধারা: ননির পুতুল।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- পরিশ্রমী: যে কাজ করতে পারে, যা চিনির পুতুলের সম্পূর্ণ বিপরীত।
- কর্মবিমুখ: অলস, তবে চিনির পুতুল মূলত শারীরিক অক্ষমতা বা ভঙ্গুরতা বোঝায়।
- দক্ষ কর্মী: যে কাজে পটু।
বাগধারা ও প্রবচন: বাংলা ভাষায় আক্ষরিক অর্থের বাইরে বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত শব্দ বা শব্দগুচ্ছকে বাগধারা বা প্রবচন বলে। আট কপালে বাগধারাটির অর্থ হলো হতভাগ্য বা যার কপাল মন্দ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- উড়নচণ্ডী: অমিতব্যয়ী বা হিসাবছাড়া স্বভাবের ব্যক্তি।
- ছা-পোষা: পোষ্য ভারাক্রান্ত বা অত্যন্ত সাধারণ ও দরিদ্র।
- ভূষণ্ডির কাক: দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।
বাগধারা: শাব্দিক অর্থের বাইরে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করাকে বাগধারা বলে। শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ আসন্ন বিপদ, উপস্থিত মহাবিপদ বা ঠিক সামনেই ঘনিয়ে আসা বিপদ।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- চৈত্র সংক্রান্তি: চৈত্র মাসের শেষ দিন। এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং একটি বিশেষ দিন। এই দিনে বাঙালি হিন্দুরা শিবের পূজা করে এবং মেলা হয়।
- পৌষ সংক্রান্তি: পৌষ মাসের শেষ দিন। এটিও বাগধারা নয়।
- শিব-সংক্রান্তি: এটি কোনো প্রচলিত বাগধারা নয়, বরং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উৎসব নির্দেশক শব্দ।