মোসলেম ভারত (১৯২০) — একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। নামের মধ্যে ‘মুসলিম’ থাকলেও এতে বিভিন্ন ধর্মের লেখকদের রচনা প্রকাশিত হতো; প্রচ্ছদে ইসলামি শিল্পকলা ও রবীন্দ্রনাথের বাণী থাকত।
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক — তাঁর সম্পাদনায় ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সঙ্গে যৌথভাবে ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’ (১৯১৮) সম্পাদনা করেন।
ঢাকা প্রকাশ (১৮৬১) — পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। ৭ মার্চ ১৮৬১ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়; প্রথম সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
রংপুর বার্তাবহ (১৮৪৭) — বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। রংপুর থেকে প্রকাশিত এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন গুরুচরণ রায়; জমিদার কালীচন্দ্র রায় এর উদ্যোগ ও অর্থায়ন করেন।
রামেন্দু মজুমদার — অভিনেতা, মঞ্চ পরিচালক, নাট্যকার ও ‘থিয়েটার’ পত্রিকার সম্পাদক। ১৯৭২ সালে ‘থিয়েটার’ নাট্যদল প্রতিষ্ঠা এবং ১৯৭৪ সালে ‘থিয়েটার’ পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন।
ডা. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান (১৮৮৯–১৯৩৬) — বাঙালি সাহিত্যিক, সম্পাদক ও সমাজকর্মী। ১৯২২ সালে পতিতা নারীদের পুনর্বাসনের জন্য ‘নারীতীর্থ’ সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন এবং ‘নারীশক্তি’ পত্রিকা প্রকাশ করেন; কার্যনির্বাহক কমিটির সভাপতি ছিলেন বেগম রোকেয়া।
এয়াকুব আলী চৌধুরী — লেখক ও সাংবাদিক। প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ার সময় তাঁর অগ্রজ রওশন আলী চৌধুরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কোহিনূর’-এর সম্পাদনার দায়িত্ব নেন।
কালিকলম (১৯২৬) — কলকাতা থেকে প্রকাশিত মাসিক সচিত্র সাহিত্য পত্রিকা। সম্পাদক ছিলেন মুরলীধর বসু, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় ও প্রেমেন্দ্র মিত্র; পরে শৈলজানন্দ দীর্ঘদিন সম্পাদনা করেন।
ঢাকা প্রকাশ (১৮৬১) — ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। ৭ মার্চ ১৮৬১ বাবুবাজারের ‘বাঙ্গালা যন্ত্র’ থেকে প্রকাশিত হয়; প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
কল্লোল (১৯২৩) — আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র; রবীন্দ্র-রোমান্টিক ধারার বিরুদ্ধধারায় আধুনিক সাহিত্যের সূচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রথম সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাস; পত্রিকাটি প্রায় সাত বছর প্রকাশিত হয়।
সওগাত — ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮) অগ্রহায়ণে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে প্রকাশিত সচিত্র মাসিক পত্রিকা। ১৯২৬ সালে ‘সওগাত নবপর্যায়’ নামে পুনঃপ্রকাশিত হয় এবং ১৯৫২ সাল থেকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
সবুজপত্র (১৯১৪) — ২৫ বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথের উৎসাহে প্রকাশিত পত্রিকাটিতে কথ্য বাংলা বা ‘বীরবলী’ রীতি প্রাধান্য পায়। প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ও প্রমথ চৌধুরীর লেখা ছিল।
সবুজপত্র (১৯১৪) — প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত; চলিত গদ্যরীতি প্রতিষ্ঠা ও বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর ‘বীরবলী রীতি’ প্রচারেরও প্রধান মাধ্যম ছিল পত্রিকাটি।
হাসান হাফিজুর রহমান — ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ (১৯৫৩)-এর সম্পাদক। তিনি কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক এবং ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র’ সম্পাদনা প্রকল্পের প্রধান ছিলেন। উল্লেখযোগ্য রচনা: বিমুখ প্রান্তর, আর্ত শব্দাবলি, অন্তিম শরের মতো, যখন উদ্যত সঙ্গিন, শোকার্ত তরবারি।
সবুজপত্র — প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় চলিত গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ‘সবুজপত্র’ গোষ্ঠী গড়ে ওঠে। প্রবন্ধগ্রন্থ: তেল-নুন-লাকড়ি, আমাদের শিক্ষা, রায়তের কথা, বীরবলের হালখাতা, নানা কথা, নানাচর্চা, প্রবন্ধ সংগ্রহ।
রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২–১৮৩৩) — বাংলা গদ্য ও প্রবন্ধ রচনার পথিকৃৎ। তিনি ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’, ‘সম্বাদ কৌমুদী’ (১৮২১), ‘মিরাৎ-উল-আখবার’ (১৮২২) সম্পাদনা করেন। তাঁর তুহফাৎউল মুয়াহহিদ্দীন প্রকাশিত হয় ১৮০৩ সালে।
প্যাকেজ প্রয়োজন
প্রিমিয়াম প্যাকেজ প্রয়োজন
সকল বিষয়ের প্রশ্ন সার্চ, অধ্যায়ভিত্তিক ফিল্টার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহের প্রশ্ন আনলক করতে একটি প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করুন।
৮০,০০০+ বিগত সালের ও অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের সমাধান
স্মার্ট বিষয়, অধ্যায় ও ট্যাগ ভিত্তিক দ্রুত ফিল্টারিং