বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৩৭৫+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর A (লক্ষ্মীপুর)
সঠিক উত্তর C (১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন)
ব্যাখ্যা:

বিশ্ব শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের যোগাযোগ কর্মকর্তা শারি নিজমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন। সূত্রঃ barta 24

সঠিক উত্তর A (সাচিং প্রু জেরী)
ব্যাখ্যা:

মন্ত্রিসভায় রদবদলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বঙ্গভবনে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সূত্রঃ ইত্তেফাক

সঠিক উত্তর C (দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া)
ব্যাখ্যা:

কঠিন ক্রিকেটভূমির চার দেশকে একসঙ্গে বলা হয় সেনা (SENA)। মানে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। যাদের ইংরেজি অদ্যক্ষর নিয়েই এই নামকরণ। এই চার দেশের কন্ডিশনে গতি ও বাউন্স বেশি থাকে এবং ফাস্ট বোলাররা বাড়তি সুবিধা পান। এ কারণেই এশিয়ার দলগুলোর জন্য সেনা দেশের সফরকে ক্রিকেটের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সূত্রঃ Bangla Tribune 

সঠিক উত্তর C (৩১টি)
ব্যাখ্যা:

সিপিডির পর্যালোচনা, নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস পার হলেও দেশের অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত গতিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বরং অর্থনীতির ৩১টি প্রধান সামষ্টিক সূচকের মধ্যে ১৯টিতেই অবনতি হয়েছে।  অগ্রগতি দেখা গেছে ১২টি সূচকে। সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

সঠিক উত্তর B (ভারত)
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার।(২৪ আগস্ট,২০২৬) সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সূত্রঃ খবর সংযোগ 

সঠিক উত্তর 1 (২৫ আগস্ট)
ব্যাখ্যা:
আজ ২৫ আগস্ট, রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস। ২০১৭ সালের এই দিনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংস নির্যাতন ও গণহত্যার মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণ বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। দেখতে দেখতে ভয়াবহ সেই মানবিক বিপর্যয়ের ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজ মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের কোনো সুসংহত সমাধান এখনো হয়নি। সূত্রঃদৈনিক জবাবদিহি
সঠিক উত্তর 1 (স্কট বেসেন্ট)
ব্যাখ্যা:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করতে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ বা ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ নামে একটি বিশাল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।তেল খাতসহ ইরানের আয়ের সমস্ত প্রধান উৎস ও অর্থনৈতিক জীবনরেখা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা।যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরানের সঙ্গে তেল কেনাবেচা ও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে।এই সর্বাত্মক চাপের ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে।সূত্রঃ ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর 1 (এন্ট্যাঙ্গলড ফোটন)
ব্যাখ্যা:
কোয়ান্টাম বলবিদ্যার জগতে অসম্ভব বলে বিবেচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। এবার দীর্ঘদিনের ধারণা ও সংশয় ভেঙে সরাসরি সূর্যের আলোর মাধ্যমে জোড়া ফোটন বা এন্ট্যাঙ্গলড ফোটন তৈরি করেছেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অব অটোয়া ও জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর দ্য সায়েন্স অব লাইটের বিজ্ঞানীরা।বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, একবার এন্ট্যাঙ্গলড ফোটন তৈরি হলে তাদের যত দূরেই রাখা হোক না কেন, তাদের অদৃশ্য বন্ধন অক্ষুণ্ন থাকে। ভবিষ্যতে মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটগুলো সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিরাপদ এনক্রিপশন কি তৈরি করতে পারবে। সূত্রঃ প্রথম আলো
সঠিক উত্তর 2 (১৯৯৪ সাল)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সাবেক মহাসচিব ও ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন বলেন, ওষুধ শিল্পকে শুধু মূল্য নিয়ন্ত্রণের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ও বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ডা. জাকির হোসেন বলেন, বর্তমানে ১৯৯৪ সালের প্রাইসিং কাঠামোর ভিত্তিতে ওষুধের দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। অথচ গত ৩২ বছরে মাত্র দুইবার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালের ওষুধ নীতি দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে। সূত্রঃযুগান্তর
সঠিক উত্তর 1 (৪ নম্বর সেক্টর)
ব্যাখ্যা:
১৯২৭ সালে শিলঙে জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক শিকড় ছিল হবিগঞ্জে। ১৯৫১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করা সি আর দত্ত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার অঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত রাখেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমান বিজিবি)-এর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এই বীর সেনানি পরলোকগমন করেন।সূত্রঃ ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর 1 (কমিটমেন্ট ফি)
ব্যাখ্যা:
চলতি অর্থবছরে এডিপির মোট আকার ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। জুলাইয়ে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১২১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই মাসেও বাস্তবায়নের হার ছিল শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাইয়ে তা ছিল ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ দুই বছর আগের তুলনায় এবার প্রথম মাসে বাস্তবায়ন প্রায় অর্ধেক।সূত্রঃ আজকের পত্রিকা
সঠিক উত্তর 1 (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান)
ব্যাখ্যা:
দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনার সরকারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার কয়েকটি জেলায় একটি পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা সংক্রান্ত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।বৈঠকে জাতীয় ই-স্বাস্থ্য প্ল্যাটফর্মের প্রস্তাবিত কাঠামো, ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর সম্ভাব্য প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু। সূত্রঃ United news of Bangladesh
সঠিক উত্তর 3 (গ্রিড পরিচালনা ও আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য)
ব্যাখ্যা:
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ দিতে হবে বাংলাদেশকে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে গ্রিড পরিচালনা ও বিদ্যুৎ লেনদেনের হিসাব-নিকাশ নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশের ওপর নতুন করে সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসোএনএ) চার্জ আরোপ হতে যাচ্ছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি হারে এ চার্জ দিতে হবে। এ বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে এসএনএ চুক্তির সই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৮ আগস্ট বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এই চুক্তি করার বিষয়ে মতামত চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে।সূত্রঃ The Business Standard
সঠিক উত্তর 1 (চট্টগ্রাম ও মোংলা)
ব্যাখ্যা:
ট্রানজিটের নামে বাংলাদেশের বন্দর, নদী ও স্থলপথ ব্যবহারের সুযোগ নিতে আওয়ামী লীগ আমলে তিনটি চুক্তি করে ভারত। চুক্তিগুলো হলো—অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউস অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্টস ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া (এসিএমপি), কোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্ট (সিএসএ) এবং প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড (পিআইডব্লিউটিটি)। বিপরীতে বাংলাদেশের আয়, বাণিজ্যিক সুবিধা, নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হয়েছে—তা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, চুক্তিগুলো সমন্বিতভাবে কার্যকর হলে বাংলাদেশের নৌ ও বন্দর অবকাঠামোয় ভারতের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরো গভীর হতে পারে।সূত্রঃ আমার দেশ
সঠিক উত্তর 2 (১৯৭৯ সালে)
সঠিক উত্তর 2 (৮ সেপ্টেম্বর)
সঠিক উত্তর 2 (২৩৮ মিলিয়ন ডলার)
সঠিক উত্তর 1 (ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম)
প্যাকেজ প্রয়োজন