বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
‘ক্রান্তি’ — কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত; ঢাকা থেকে প্রকাশিত। ‘পরিচয়’ — সম্পাদক: বিষ্ণু দে। ‘বেগম’ (১৯৪৭) — সম্পাদক: নূরজাহান বেগম। ঢাকা থেকে প্রকাশিত: ‘শিখা’, ‘ক্রান্তি’, ‘প্রগতি’, ‘লোকায়ত’। নজরুলের পত্রিকা: ‘ধূমকেতু’, ‘লাঙল’, ‘নবযুগ’। ‘সওগাত’ — মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। ‘বঙ্গদর্শন’ (১৮৭২) — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ‘তত্ত্ববোধিনী’ (১৮৪৩) — অক্ষয়কুমার দত্ত।
‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যে চলিত/কথ্য ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র। ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতি প্রচলনে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
‘দিগদর্শন’ বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্রিকা; ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়; ১৮২১ সালের পর বন্ধ হয়ে যায়। শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে ‘সমাচার দর্পণ’ও প্রকাশিত হয়।
‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৪৩ সালে। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর; সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
‘বঙ্গদর্শন’ (১৮৭২) — সম্পাদক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ‘দৈনিক খাদেম’ (১৯১০) — মোহাম্মদ আকরম খাঁ। ‘সাপ্তাহিক মোহাম্মদী’ (১৯১০) — মোহাম্মদ আকরম খাঁ। ‘আর্যদর্শন’ (১২৮১ বঙ্গাব্দ) — যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ। ‘মোসলেম ভারত’ (১৯২০) — মোজাম্মেল হক। ‘ধূমকেতু’ (১৯২২) — কাজী নজরুল ইসলাম। ‘ভারতবর্ষ’ (১৯১৩) — জলধর সেন ও অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ।
* ‘সংবাদ প্রভাকর’ — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত; ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক, ১৮৩৯ সালে দৈনিক। * ‘কল্লোল’ — দীনেশরঞ্জন দাশ; ১৯২৩। * ‘দিগদর্শন’ — জন ক্লার্ক মার্শম্যান; ১৮১৮। * ‘সমাচার দর্পণ’ — জন ক্লার্ক মার্শম্যান; ১৮১৮।
অপরাজেয় কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের দ্বিতীয় সাহিত্যকর্ম ''বড়দিদি' প্রকাশিত হয় ভারতী পত্রিকায়।