* ‘সওগাত’ ২ ডিসেম্বর ১৯১৮ কলকাতা থেকে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়; সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। * ১৯২৬ সালে পুনরায় প্রকাশিত হয়ে ‘সওগাত সাহিত্য মজলিস’ গড়ে ওঠে। * কাজী নজরুল ইসলাম, বেগম রোকেয়া, শামসুন্নাহার মাহমুদ ও সুফিয়া কামালের লেখা প্রকাশিত হতো। * ১৯২৭ সালে ‘জানানা মহল’ নামে নারীদের জন্য বিভাগ চালু করা হয়।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫–১৯৬৯) ছিলেন বাঙালি বহুভাষাবিদ, শিক্ষক ও দার্শনিক। তিনি ‘আঙ্গুর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। রচনা: বাংলা সাহিত্যের কথা, ভাষা ও সাহিত্য, আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। উক্তি: * “আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য; তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালী।” * “যে দেশে গুণের সমাদর নেই, সে দেশে গুণীজন জন্মাতে পারে না।”
* ‘সুধাকর’ ৮ নভেম্বর ১৮৮৯ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা। * প্রথম সম্পাদক শেখ আবদুর রহিম (মতান্তরে মোহাম্মদ রেয়াজউদ্দীন আহমদ)। * মুসলমানদের অতীত গৌরব ও ইসলামের মাহাত্ম্য প্রচার ছিল এর মূল উদ্দেশ্য; পরে ‘মিহির ও সুধাকর’ নামে প্রকাশিত হয়। * ধর্ম, সমাজ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাহিত্যবিষয়ক লেখা প্রকাশিত হতো; ১৯১০ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়।
* ‘সুধাকর’ ৮ নভেম্বর ১৮৮৯ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা; প্রথম সম্পাদক শেখ আবদুর রহিম। * মুসলমানদের অতীত গৌরব ও ইসলামের মাহাত্ম্য প্রচার ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। * এক পর্যায়ে ‘মিহির ও সুধাকর’ নামে প্রকাশিত হয় এবং ধর্ম, সমাজ, ইতিহাস ও সাহিত্যবিষয়ক লেখা প্রকাশ করত। * ১৯১০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত ছিল।
* ‘সংবাদ প্রভাকর’ ১৪ জুন ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয়; ১৮৩৯ সালে দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। * এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা; সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। * পত্রিকাটিকে কেন্দ্র করে লেখকচক্র গড়ে ওঠে এবং স্বদেশ, সমাজ ও সাহিত্যবিষয়ক আলোচনা প্রকাশিত হয়। * ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের উদ্যোগে লুপ্তপ্রায় কবি ও কাব্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
* বাংলা সাহিত্যে চলিত/কথ্য ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র ‘সবুজপত্র’। * ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। * বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে চলিত রীতি প্রচলনে এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
* ১৯২৩ সালে প্রকাশিত কল্লোল পত্রিকার কর্ণধার ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ। * কল্লোলের প্রভাবে প্রগতি, উত্তরা, কালিকলম, পূর্বাশা প্রভৃতি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। * আধুনিকতার নামে যথেচ্ছাচার ও অশ্লীলতার বিরোধিতা করে শনিবারের চিঠি ভিন্ন সাহিত্যবলয় গড়ে তোলে; এতে মোহিতলাল মজুমদার, সজনীকান্ত দাস ও নীরদ চৌধুরীর ভূমিকা ছিল।
‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপত্র। এটি ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে কথ্য বা চলিত রীতির প্রচলনে পত্রিকাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
‘বঙ্গদর্শন’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এটি ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়। প্রথম পর্যায়ে ১৮৭২–১৮৭৬ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। * প্রথম সম্পাদক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় * প্রথম প্রকাশ: ১৮৭২ * ধরন: মাসিক সাহিত্য পত্রিকা * ‘বন্দে মাতরম’ প্রথম প্রকাশিত: বঙ্গদর্শনে
‘দিগদর্শন’ বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্রিকা। এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন থেকে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। এতে ভূগোল, ইতিহাস, দেশ-বিদেশের তথ্য ও শিক্ষামূলক কাহিনি সহজ ভাষায় প্রকাশিত হতো। * প্রথম প্রকাশ: এপ্রিল ১৮১৮ * সম্পাদক: জন ক্লার্ক মার্শম্যান * প্রকাশস্থান: শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন * ধরন: মাসিক সাময়িকপত্র * মোট প্রকাশিত সংখ্যা: ২৬টি * মূল বিষয়: নীতি, ধর্ম ও শিক্ষামূলক তথ্য
‘কল্লোল’ ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রভাবশালী বাংলা সাহিত্য পত্রিকা। এটি নব্য লেখকদের প্রধান মুখপত্র ছিল। প্রেমেন্দ্র মিত্র, কাজী নজরুল ইসলাম ও বুদ্ধদেব বসু এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। * কর্ণধার: দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ * অনুসারী পত্রিকা: উত্তরা (১৯২৫), প্রগতি (১৯২৬), কালিকলম (১৯২৬), পূর্বাশা (১৯৩২) * ১৯২১: ‘চার শিল্পীর গোষ্ঠী’ গঠিত * ১৯২২: ‘ঝড়ের দোলা’ গল্পসংকলন * ১৯২৩: ‘কল্লোল’ প্রকাশ
‘কল্লোল’ ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি প্রভাবশালী বাংলা সাহিত্য পত্রিকা। এটি নব্য লেখকদের প্রধান মুখপত্র ছিল। প্রেমেন্দ্র মিত্র, কাজী নজরুল ইসলাম ও বুদ্ধদেব বসু এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। * কর্ণধার: দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ * অনুসারী পত্রিকা: উত্তরা (১৯২৫), প্রগতি (১৯২৬), কালিকলম (১৯২৬), পূর্বাশা (১৯৩২) * ১৯২১: ‘চার শিল্পীর গোষ্ঠী’ গঠিত * ১৯২২: ‘ঝড়ের দোলা’ গল্পসংকলন প্রকাশ * ১৯২৩: ‘কল্লোল’ প্রকাশ
‘সমাচার দর্পণ’ প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। এটি ১৮১৮ সালের ২৩ মে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। নামেমাত্র সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান; বাঙালি পণ্ডিতরাই মূলত সম্পাদনার কাজ করতেন। জয়গোপাল তর্কালঙ্কার সংবাদ রচনা ও সংকলনে সহায়তা করতেন। পত্রিকায় সংবাদ, ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বিষয় প্রকাশিত হতো। পরে সপ্তাহে দুবার প্রকাশিত হয়। ১৮৪১ সাল পর্যন্ত এটি প্রকাশিত ছিল। বাংলা গদ্যচর্চা ও পাঠকসমাজ বিস্তারে পত্রিকাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
‘ভারতী’ একটি মাসিক পত্রিকা। এটি ১৮৭৭ সালে (১২৮৪ বঙ্গাব্দ) প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর। স্বর্ণকুমারী দেবী ১২৯১–১৩০১ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।
‘সমাচার দর্পণ’ প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। এটি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা ১৮১৮ সালের ২৩ মে প্রথম প্রকাশিত হয়। নামেমাত্র সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান; প্রকৃতপক্ষে বাঙালি পণ্ডিতরাই এটি সম্পাদনা করতেন। পত্রিকাটি খ্রিস্টান মতবাদের প্রতি পক্ষপাত দেখাত।
‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়। প্রথমে মাসিক, ১৮৬৪ সালে পাক্ষিক এবং ১৮৭১ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। * প্রথম মুদ্রণ: গিরিশ বিদ্যারত্ন প্রেস, কলকাতা * ১৮৬৪ থেকে: কুমারখালির মথুরানাথ যন্ত্রে মুদ্রিত * ১৮৭৩ সালে মথুরানাথ মৈত্রেয় ছাপাখানাটি হরিনাথকে দান করেন
হাসান হাফিজুর রহমান ১৯৫২ সালে ‘বেগম’ পত্রিকায় কর্মজীবন শুরু করেন। পরে সওগাত, ইত্তেহাদ ও দৈনিক পাকিস্তানে সহকারী সম্পাদক এবং স্বাধীনতার পর দৈনিক বাংলায় সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ছিলেন। ১৯৫৭–১৯৬৪ সালে জগন্নাথ কলেজে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক এবং ১৯৭৩ সালে মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেস কাউন্সিলর ছিলেন। * প্রথম গল্প: ‘অশ্রুভেজা পথ চলাতে’ (১৯৪৬) * প্রথম কবিতা: ‘সোনার বাংলা’ (১৯৪৮) * ভাষা আন্দোলন: সক্রিয় অংশগ্রহণ * ‘অমর একুশে’: ১৯৫২ * প্রথম বই: ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ (১৯৫৩)
১৯২৩ সালে প্রকাশিত ‘কল্লোল’ পত্রিকার কর্ণধার ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ। এর প্রভাবে ‘প্রগতি’, ‘উত্তরা’, ‘কালিকলম’, ‘পূর্বাশা’ প্রভৃতি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। * প্রগতি — বুদ্ধদেব বসু * শনিবারের চিঠি — সজনীকান্ত দাস * কালিকলম — প্রেমেন্দ্র মিত্র
প্যাকেজ প্রয়োজন
প্রিমিয়াম প্যাকেজ প্রয়োজন
সকল বিষয়ের প্রশ্ন সার্চ, অধ্যায়ভিত্তিক ফিল্টার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহের প্রশ্ন আনলক করতে একটি প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করুন।
৮০,০০০+ বিগত সালের ও অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের সমাধান
স্মার্ট বিষয়, অধ্যায় ও ট্যাগ ভিত্তিক দ্রুত ফিল্টারিং