বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি ৫৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার (আইপিসি ফেজ ৩ বা তার ওপরে) মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় চার লাখ ৮৩ হাজার মানুষ অতিসংকটজনক বা জরুরি অবস্থার (আইপিসি ফেজ ৪) মধ্যে জীবন যাপন করছে। দেশের ১০ কোটি ২০ লাখ মানুষের ওপর চালানো জাতিসংঘের ‘ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন’ (আইপিসি)-এর এক যৌথ সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রঃবাংলাদেশ প্রতিদিন
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রায় ৮০ কোটি ডলারে পরিচালিত ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জির (DOE) বড় ধরনের উদ্যোগ 'জেনেসিস মিশন' (Genesis Mission)-এর জন্য অধ্যাপক ড. রেজা সুফিয়ানের নেতৃত্বে গবেষণা দল নির্বাচিত হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সমন্বিত বিজ্ঞান বিষয়ক তথ্য-অনুসন্ধান প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে সুপারকম্পিউটার, কোয়ান্টাম সিস্টেম এবং এআই-কে একত্র করাই এই মিশনের মূল লক্ষ্য। সূত্রঃইত্তেফাক
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রায় ৮০ কোটি ডলারে পরিচালিত ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জির (DOE) বড় ধরনের উদ্যোগ 'জেনেসিস মিশন' (Genesis Mission)-এর জন্য অধ্যাপক ড. রেজা সুফিয়ানের নেতৃত্বে গবেষণা দল নির্বাচিত হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সমন্বিত বিজ্ঞান বিষয়ক তথ্য-অনুসন্ধান প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে সুপারকম্পিউটার, কোয়ান্টাম সিস্টেম এবং এআই-কে একত্র করাই এই মিশনের মূল লক্ষ্য। সূত্রঃইত্তেফাক
আগামী সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। সূত্রঃকালের কণ্ঠ
বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ব্যর্থতার অভিযোগে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) ২৩ জুলাই , ২০২৬ নতুন এই শুল্ক আরোপ করেছে। নতুন ঘোষণার দেশগুলোর ওপর শুল্কের হার ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের শুল্কহার ১০ শতাংশ রাখা হয়েছে। সূত্রঃসমকাল
কায়কোবাদ, মহাকবি কায়কোবাদ বা মুন্সী কায়কোবাদ বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য কবি যাকে মহাকবিও বলা হয়। তিনি বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য ও সনেট রচয়িতা।
তাঁর রচিত গ্রন্থঃ
- বিরহ বিলাপ (১৮৭০) ,
- কুসুম কানন (১৮৭৩),
- অশ্রুমালা (১৮৯৬),
- মহাশ্মশান (১৯০৪),
- শিব-মন্দির বা জীবন্ত সমাধি (১৯২১),
- অমিয় ধারা (১৯২৩),
- শ্মশানভষ্ম (১৯২৪),
- মহররম শরীফ (১৯৩৩),
- ‘মহররম শরীফ',
- শ্মশান ভসন (১৯৩৮),
- প্রেমের বাণী (১৯৭০),
- প্রেম পারিজাত (১৯৭০)।
- মঙ্গলকাব্যের 'চাঁদ সওদাগর' চরিত্রটি 'দেবতা বিরোধী' বলে পরিচিত।
- 'মনসামঙ্গল' কাব্যে চাঁদ সওদাগর চরিত্রটি দেবী মনসার বিরোধিতা করে।
- দেবী মনসার পূজা না করার জন্য চাঁদ সওদাগরের স্ত্রী লক্ষ্মীন্দ্রাকে অভিশাপ দেয়।
- চাঁদ সওদাগর দেবী মনসার অভিশাপকে অস্বীকার করে এবং তার স্ত্রীর জন্য লড়াই করে।
- এই কারণে, চাঁদ সওদাগরকে 'দেবতা বিরোধী' বলে পরিচিত।
উইলিয়াম কেরি ১৭৯৩ সালে কলকাতায় আগমন করেন এবং ডেনমার্কের শাসনাধীন শ্রীরামপুরে উইলিয়াম ওয়ার্ড ও জোশুয়া মার্শম্যানের সহযোগে ব্যাপ্টিস্ট মিশন এবং মিশনের মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন।
- তবে উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় (পর্তুগিজ ভাষার মুদ্রণযন্ত্র) ১৪৯৮ সালে।
- চার্লস উইলকিন্স হুগলিতে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে। তিনি নিজেই বাংলা করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয়।
- প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন পঞ্চানন কর্মকার।
- বাংলাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় রংপুরে ১৮৪৭ সালে । এর নাম 'বার্ত্তাবহ যন্ত্র' । ছাপাখানাটি থেকে প্রকাশিত হতো রংপুরের প্রথম সাময়িকপত্র 'রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ' । পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন শুরুচরণ রায় ।
- ঢাকায় ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে ‘ঢাকা প্রেস’ নামে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানা থেকেই দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।
১৪৯৮ সালের গুরুত্তপুর্ণ তথ্যে মনে রাখুনঃ
পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা ১৪৯৮ সালে ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে আসার সমুদ্রপথ আবিষ্কৃত করে।
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ বৃহত্তর বাংলা শাসন শুরু করেন ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে।
- প্রভাবতী সম্ভাষণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা মৌলিক গ্রন্থ।
- এটি ১৮৬৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক গ্রন্থও বলা যায়। তাঁর রচিত অন্যান্য মৌলিক গ্রন্থ- রত্নপরীক্ষা, জীবন-চরিত, শব্দমঞ্জরী, নিষ্কৃতি লাভের প্রয়াস, সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব, বিধবা বিবাহ চলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্রী এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা।
- ১৮৬৮ সালে জানকীনাথ ঘোষালের সঙ্গে স্বর্ণকুমারী দেবীর বিবাহ হয়।
- ১৮৭৬ সালে স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর রচিত নাটক - নিবেদিতা, দিব্যকমল, কনে বদল, যুগান্তর, রাজকণ্যা উল্লেখযোগ্য।
তাঁর রচিত উপন্যাসঃ
- দীপনির্বাণ (১৮৭৬),
- মিবাররাজ (১৮৮৭),
- ছিন্নমুকুল (১৮৭৯),
- মালতী (১৮৭৯),
- হুগলীর ইমামবাড়ি (১৮৮৮),
- বিদ্রোহ (১৮৯০),
- স্নেহলতা বা পালিতা (১৮৯২,১৮৯৩),
- কাহাকে (১৮৯৮),
- ফুলের মালা (১৮৯৫) ইত্যাদি।
• বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
• তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ১৮৩৯ সালে কলকাতা'র সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
- শ্রী চৈতন্যদেবের জীবনীগ্রন্থ হলাে বৃন্দাবন দাস রচিত ‘চৈতন্য-ভাগবত'।
- এটি বাংলা ভাষায় রচিত চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থ এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম জীবনীগ্রন্থ।
- নিত্যনন্দ প্রভুর উৎসাহে চৈতন্যদেবের মৃত্যুর (১৫৩৩ খ্রি.) পনের বছরের মধ্যেই গ্রন্থটি রচিত বলে পণ্ডিতগণ মনে করেন।
- চৈতন্যদেবের জীবিত অনুচরদের মুখ থেকে তথ্য বৃত্তান্ত সংগ্রহ করে এই জীবনী রচিত হয়েছিলাে বলে গ্রন্থটি প্রামাণিক।
- বাংলায় চৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থের নাম লােচন দাসের 'চৈতন্য-মঙ্গল’।
- বাংলা ভাষায় অদ্বিতীয় ও সর্বাপেক্ষা তথ্যবহুল চৈতন্যজীবনী হলো কৃষ্ণদাস কবিরাজের 'চৈতন্য-চরিতামৃত'।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১)। উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে মধুসূদন এ নাটকের কাহিনী সংগ্রহ করেন। মহারাজা প্রতাপসিংহের বংশধর, উদয়পুরাধিপতি মহারাজা ভীমসিংহের দুহিতা কৃষ্ণকুমারীর বিষাদময় জীবনই নাটকের বিষয়বস্তু। চরিত্র: কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, ভীমসিং, বিলাসবতী।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯)।
- দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন ‘সধবার একাদশী' (১৮৬৬) এবং নাটক ‘নীলদর্পণ' (১৮৬০)।
-শিল্পসম্মত বাংলা গদ্য রীতির জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণের যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন।
-বিদ্যাসাগর গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে সুশৃঙ্খলতা, পরিমিতবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্য রীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।
প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' (১৮৯২)৷
ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'৷
মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর জন্ম ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে।
- 'চতুর্দশপদী কবিতাবলি' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ১০২টি সনেটের সংকলন। মধুসূদনের আগে বাংলা সনেট বা সনেটগ্রন্থ রচিত হয়নি। সে বিচারে বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ এটি। গ্রন্থটি ১৮৬৬ সালের ১লা আগস্ট গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর ছদ্মনাম টিমোথি পেনপোয়েম।
- তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।
তাঁর রচিত নাটক ও প্রহসন
- শর্মিষ্ঠা নাটক (১৮৫৯)
- কৃষ্ণকুমারী নাটক (১৮৬১)
- মায়া-কানন (১৮৭৪)
- একেই কি বলে সভ্যতা? (১৮৬০)
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)
- পদ্মাবতী নাটক (১৮৬০)
তাঁর রচিত কাব্য
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০)
- মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৫)
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১)
- বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২)
-শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত শিক্ষার বাহন ও আইন আদালতের ভাষা বাংলা করার দাবি প্রথম উত্থান করেন।
-তিনি ১৯৪৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে এ দাবি জানান।
-তিনি বলেন, "বাংলা ভাষা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মাতৃভাষা।
-এ ভাষাতেই তারা চিন্তাভাবনা করে, কথা বলে, লেখাপড়া করে।
-তাই এ ভাষাকে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন ও আইন আদালতের ভাষা করা উচিত।"
-মাহবুবুল আলম চৌধুরী একুশের প্রথম কবিতা লিখেছেন।
-তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় ছাত্র-জনতার গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে "কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি" কবিতাটি রচনা করেন।
-কবিতাটি চট্টগ্রামের কোহিনূর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং পরদিন চট্টগ্রামের প্রতিবাদ সভায় পাঠ করা হয়।
-বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক নাট্যকার হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
-তার রচিত "শর্মিষ্ঠা" নাটকটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
-এই নাটকটিতে তিনি পাশ্চাত্য নাট্যরীতি অনুসরণ করেছেন।
-নাটকটিতে পাঁচটি অঙ্ক রয়েছে।
-নাটকের কাহিনী মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত রাজা যযাতি, শর্মিষ্ঠা ও দেবযানীর ত্রিকোণ প্রেমের কাহিনী থেকে গৃহীত।
-স্টপ জেনােসাইড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ।
-শহিদ বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন ।
-সহকারী আলমগীর কবিরকে সাথে নিয়ে মুজিবনগর সরকারের তথ্য ও চলচ্চিত্র বিভাগের আর্থিক সহায়তায় তিনি 'স্টপ জেনােসাইড ’ নির্মাণ করেন