ঊনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক মাইকেল মধুসূদন দত্ত ছিলেন বাংলা কবিতায় প্রথম আধুনিকতার প্রবর্তক ও প্রথম আধুনিক কবি। তিনি প্রথাগত ছন্দ ও অলঙ্কারের ব্যত্যয় ঘটিয়ে পাশ্চাত্য সাহিত্যের অনুকরণে বাংলা কবিতায় প্রথম সনেটের সংযোজন করেন। তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট কবিতার নাম ‘বঙ্গভাষা’ । এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে অষ্টক ও ষটকে বিভক্ত। সনেটে মধুসূদনের প্রবল দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে।
তাঁর রচিত নাটক ও প্রহসন
- শর্মিষ্ঠা নাটক (১৮৫৯)
- কৃষ্ণকুমারী নাটক (১৮৬১)
- মায়া-কানন (১৮৭৪)
- একেই কি বলে সভ্যতা? (১৮৬০)
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)
- পদ্মাবতী নাটক (১৮৬০)
তাঁর রচিত কাব্য
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০)
- মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৫)
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১)
- বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২)
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১)।
- উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে মধুসূদন এ নাটকের কাহিনী সংগ্রহ করেন।
- মহারাজা প্রতাপসিংহের বংশধর, উদয়পুরাধিপতি মহারাজা ভীমসিংহের দুহিতা কৃষ্ণকুমারীর বিষাদময় জীবনই নাটকের বিষয়বস্তু। চরিত্র: কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, ভীমসিং, বিলাসবতী।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯)।
- দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন ‘সধবার একাদশী' (১৮৬৬) এবং নাটক ‘নীলদর্পণ' (১৮৬০)।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস 'বাঁধনহারা' (১৯২৭)।
- ১৯২১ সাল থেকে এটি ধারাবাহিকভাবে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় ছাপা হয়।
- পত্রিকায় প্রকাশিত এ উপন্যাসের কিছু অংশ ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় বাদ পড়ে যায়।
- পরবর্তীতে তা খুঁজে পাওয়া গেলে ১৯ মে, ২০০৬ সালে দৈনিক 'প্রথম আলো' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এ গ্রন্থের পত্র সংখ্যা ১৮টি।
- নুরুর সাথে মাহবুবার প্রণয় এবং বিয়ের উদ্যোগ অনেক এগিয়ে গেলে হঠাৎ নুরু পালিয়ে গিয়ে সৈনিক জীবন গ্রহণ করে। অনেকের মতে, এ উপন্যাসের নুরুই নজরুল।
- চরিত্র: নুরুল হুদা, মাহবুবা, সাহসিকা, রাবেয়া।
- নজরুল রচিত অন্যান্য উপন্যাস: ‘মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০), 'কুহেলিকা' (১৯৩১)।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের (সংসদ সদস্য বা এমপি) ভোটে নির্বাচিত হন। এটি একটি পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি, যেখানে সাধারণ জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন না।