-মাহবুবুল আলম চৌধুরী একুশের প্রথম কবিতা লিখেছেন।
-তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকায় ছাত্র-জনতার গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে "কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি" কবিতাটি রচনা করেন।
-কবিতাটি চট্টগ্রামের কোহিনূর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং পরদিন চট্টগ্রামের প্রতিবাদ সভায় পাঠ করা হয়।
-বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক নাট্যকার হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
-তার রচিত "শর্মিষ্ঠা" নাটকটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক নাটক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
-এই নাটকটিতে তিনি পাশ্চাত্য নাট্যরীতি অনুসরণ করেছেন।
-নাটকটিতে পাঁচটি অঙ্ক রয়েছে।
-নাটকের কাহিনী মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত রাজা যযাতি, শর্মিষ্ঠা ও দেবযানীর ত্রিকোণ প্রেমের কাহিনী থেকে গৃহীত।
-স্টপ জেনােসাইড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ।
-শহিদ বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ২০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন ।
-সহকারী আলমগীর কবিরকে সাথে নিয়ে মুজিবনগর সরকারের তথ্য ও চলচ্চিত্র বিভাগের আর্থিক সহায়তায় তিনি 'স্টপ জেনােসাইড ’ নির্মাণ করেন
বাংলা সাহিত্যেরঃ
- প্রথম ইসলামী গান ও গজল রচয়িতা: কাজী নজরুল ইসলাম।
- প্রথম মুসলিম পুঁথি সংগ্রহকারী: আব্দুল করিম (সাহিত্য বিশারদ)।
- প্রথম মুসলিম বাংলা গদ্য লেখক: মীর মশাররফ হোসেন।
- প্রথম প্রণয়োপাখ্যান: শাহ মুহাম্মদ সগীর।
-বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কপালকুণ্ডলা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস।
-উপন্যাসের প্রধান তিনটি চরিত্র হলো- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার ও কাপালিক।
-“পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?”- কপালকুণ্ডলার এই উক্তিটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ।
-এই উপন্যাসের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হলো- “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?”
-তার রচিত ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
- দ্যা স্পয়ল্ট চাইল্ড(The Spoiled Child) হল বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল-এর ইংরেজি অনুবাদ।
- এটি ১৮৫৮ সালে ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়।
- অনুবাদক ছিলেন ব্রিটিশ লেখক ও অনুবাদক জেমস লং।
- এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস, যা তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর নামে ১৮৫৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ‘মাসিক পত্রিকায় লিখতেন।
- এটি কথ্য ভাষায় লিখিত, যা ‘আলালি ভাষা' নামে পরিচিত।
- ধনাঢ্য বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে মিশে এবং শিক্ষার প্রতি পিতার অবহেলার কারণে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। পিতার মৃত্যুর পর সব সম্পত্তির বিনাশ সাধন করার পর তার বোধোদয় ঘটে, ফলে হৃদয়-মন পরিবর্তিত হওয়ায় সে সৎ ও ধর্মনিষ্ঠ হয়।
- ১৮০০ সালে উইলিয়াম কেরী জোশুয়া মার্সম্যানের সহযোগিতায় শ্রীরামপুর মিশনে মুদ্রণ যন্ত্র স্থাপন করেন।
- রংপুরে বাংলাদেশের প্রথম ছাপাখানা ‘বার্তাবহ যন্ত্র’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৪৭-১৮৪৮ সালে। সর্বপ্রথম একজন ইংরেজ আলেকজান্ডার ফারবেখ ঢাকায় ছাপাখনা স্থাপ্ন করেন যার নাম ছিল ‘ঢাকা প্রেস’। এখান থেকে ‘ঢাকা নিউজ’ নামে সংবাদপত্র প্রকাশিত হত।
- ১৮০০ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে মুদ্রিত মথি রচিত ‘মিশন সমাচার’।
- শ্রীরামপুর মিশন ছিল ভারতের প্রথম নিজস্ব প্রচারক সংঘ।
- ১৮০০ সালের ১০ই জানুয়ারি উইলিয়াম কেরি এবং ভ্রাতৃবৃন্দ এই মিশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- সেই বছরই মার্চ মাসে উইলিয়াম কেরি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস নামে ছাপাখানাটি খোলেন।
- সমাচার দর্পণ (১৮১৮-১৮৫২) শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র। প্রথম পর্যায় (১৮১৮-১৮৪১) ১৮১৮ সালের ২৩ মে (১০ জ্যৈষ্ঠ, ১২২৫) শনিবার সমাচার দর্পণের প্রথম সংখ্যা বের হয়।
- এই মাসেই পঞ্চানন কর্মকারের সহযোগিতায় প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ মথী রচিত মঙ্গল সমাচার ছাপা হয় মিশন প্রেস থেকে।
- বাংলা গদ্য চর্চায় যে সকল প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে খ্রিষ্টান মিশনারীগণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘শ্রীরামপুর মিশন' সেগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে পরবর্তীকালে রামায়ণ, মহাভারত, পাঠ্যপুস্তক ইত্যাদি বহু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল।
- ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে এই মিশন থেকে 'দিগদর্শন' ও 'সমাচার দর্পণ' নামক পত্রিকা দুটি প্রকাশিত হয়।
- ১৮৪৫ সালে শ্রীরামপুর মিশন বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু এ প্রেস ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।
পত্রোপন্যাস বা পত্র উপন্যাস হলো ধারাবাহিকভাবে লিখিত চিঠি বা পত্রের আকারে লেখা একটি উপন্যাস। সাধারণত চিঠিপত্রের রূপে লেখা হলেও দিনপঞ্জী, পত্রিকার খণ্ডাংশ (কাটিং) এবং অন্যান্য নথিপত্র ব্যবহার করেও লেখা যায়। কাজী নজরুলের রচিত প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধন-হারা’ .
- 'বাঁধন-হারা' বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রোপন্যাস।
- এটি ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র : নুরু, মাহবুবা, রাবেয়া, সাহসিকা, কুহেলিকা ইত্যাদি।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। এটি সর্বজনীন স্বীকৃত ও খাঁটি বাংলা ভাষার রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' আবিষ্কার করেন। এ কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি- কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। কাবতগ্রন্থটি ১৩ খণ্ড ও ৪১৮ টি পদে বিন্যস্ত।
হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্য-
বিমুখ প্রান্তর (১৯৬৩),
আর্ত শব্দাবলী (১৯৬৮),
আধুনিক কবি ও কবিতা (১৯৬৫),
মূল্যবোধের জন্যে (১৯৭০),
অন্তিম শরের মতো (১৯৬৮)
যখন উদ্যত সঙ্গীন (১৯৭২)
শোকার্ত তরবারী (১৯৮১)
প্রতিবিম্ব (১৯৭৬) ইত্যাদি।
রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রকাশিত একটি বাংলা গ্রন্থ । এর লেখক রামরাম বসু । এই গ্রন্থটিকে বাংলা ভাষায় কোন বাঙ্গালী লিখিত লিখিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ বিবেচনা করা হয়। এটি সর্বপ্রথম ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে কলকাতা শহর থেকে প্রকাশিত হয়।
প্যাকেজ প্রয়োজন
প্রিমিয়াম প্যাকেজ প্রয়োজন
সকল বিষয়ের প্রশ্ন সার্চ, অধ্যায়ভিত্তিক ফিল্টার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহের প্রশ্ন আনলক করতে একটি প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করুন।
৮০,০০০+ বিগত সালের ও অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের সমাধান
স্মার্ট বিষয়, অধ্যায় ও ট্যাগ ভিত্তিক দ্রুত ফিল্টারিং