- শাহ মুহাম্মদ সগীর আনুমানিক পঞ্চদশ শতকের কবি।
- বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তাঁর কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাঁকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন।
- তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন।
- তাঁর কাব্যে ধর্মীয় পটভূমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান।
- তিনি ইউসুফ-জোলেখা কাব্যের রচয়িতা।
- এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম প্রণয়োপাখ্যান এবং কোনো মুসলিম রচিত প্রথম গ্রন্থ।
- ‘বীরাঙ্গনা’ (১৮৬২): বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য (অমিত্রাক্ষর)। এতে মোট ১১টি পত্র আছে। দুষ্মন্তের প্রতি শকুন্তলা, দশরথের প্রতি কৈকেয়ী, সোমের প্রতি তারা উল্লেখযোগ্য পত্র। এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে উৎসর্গ করেন। এটি করুণ রসের পত্রকাব্য ।
-মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা নাটক শর্মিষ্ঠা, যা তিনি ১৮৫৮ সালে কলকাতার পাইকপাড়ার রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বেলগাছিয়া থিয়েটারের জন্য লিখেছিলেন।
-এটি পাশ্চাত্য রীতিতে বাংলা নাটক রচনার এক সফল প্রচেষ্টা, যেখানে পৌরাণিক কাহিনিকে আশ্রয় করা হয়েছে।
-১৮৫৯ সালের জানুয়ারি মাসে এটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছরের ৩রা সেপ্টেম্বর বেলগাছিয়া থিয়েটারে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। পরে মধুসূদন দত্ত নিজেই নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন।
-এই নাটকের প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠা, মাধব্য, পূর্ণিমা এবং রাজমন্ত্রী।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক শর্মিষ্ঠা। নাটকটি ১৮৫৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় । এটি মধসূদন রচিত ও প্রকাশিত প্রথম বাংলা গ্রন্থ ।
- পদ্মাবতী ১৮৬০ , কৃষ্ণকুমারী ১৮৬১ মধুসূদনের রচিত নাটক ।
- দীনবন্ধু মিত্রের রচিত নীল দর্পণ নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ ।
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কৃষ্ণকুমারী নাটক (১৮৬১) - প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক, তবে এটি ঐতিহাসিক নাটোক