বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৪৯৮+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর 2 (আলালের ঘরের দুলাল)
ব্যাখ্যা:
প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস । - এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস ,যা তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর নামে ১৮৫৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে 'মাসিক 'পত্রিকায় লিখতেন । - এ উপন্যাসের বিখ্যাত চরিত্র -মোকাজান বা ঠক চাচা। ঠক চাচা চরিত্রটি ধূর্ততা ,বৈষয়িক বুদ্ধি ও প্রাণময়তা নিয়ে এক জীবন্ত চরিত্র । - অন্যান্য চরিত্রঃ ধূর্ত উকিল বটলর ,অর্থলোভী বাঞ্ছারাম ,তোষামোদকারী বক্রেশ্বর। ∎ তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থঃ (ক) মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কী উপায় (১৮৫৯), (খ) বামারঞ্জিকা (১৮৬০) -স্ত্রীশিক্ষামূলক গ্রন্থ, (গ) গীতাঙ্কুর (১৮৬১), (ঘ) যৎকিঞ্চিৎ (১৮৬৫), (ঙ) অভেদী (১৮৭১), (চ) আধ্যাত্মিকা (১৮৮০), (জ) বামাতোষিণী (১৮৮১
সঠিক উত্তর ক (প্যারীচাঁদ মিত্র)
ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত উপন্যাসের নাম 'আলালের ঘরের দুলাল ' । - বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের রচয়িতা প্যারিচাঁদ মিত্রকে বাংলা উপন্যাসের রচানার পথিকৃৎ বলা হয় ।
সঠিক উত্তর 2 (চন্দ্রাবতী)
ব্যাখ্যা:
চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতাব্দীর কবি এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম বাঙালি মহিলা কবি৷ এই বিদূষী নারী অন্যান্য কাব্য ছাড়াও পিতার আদেশে বাংলা ভাষায় রামায়ণ রচনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে, মৈমনসিংহ গীতিকার এক কবি নয়ানচাঁদ ঘোষ চন্দ্রাবতী চরিতকথা রচনা করেন। তাঁর পিতা মনসা মঙ্গল কাব্যের অন্যতম রচয়িতা বংশীদাস ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম সুলোচনা/অঞ্জনা৷ তাঁর জন্ম ষোড়শ শতাব্দীতে। নিবাস অধুনা বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার পাতুয়ার/পাটোয়ারী গ্রামে৷ জীবনকাল ষোড়শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ। স্বরচিত রামায়ণের ভূমিকায় চন্দ্রাবতী আত্মপরিচয় দিয়েছেন:
সঠিক উত্তর 1 (বেতাল পঞ্চবিংশতি)
সঠিক উত্তর 3 (সংবাদ প্রভাকর)
ব্যাখ্যা:
সংবাদ প্রভাকর বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসের এক নতুন যুগের উন্মেষ ঘটায়। এই পত্রিকাটি ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ জুন তারিখে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক পত্রিকায় পরিণত হয়। এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা। এর প্রকাশক এবং সম্পাদক কবিগুরু ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের তৎকালীন অনেক কবি-সাহিত্যিকের প্রতিভার স্ফুরণ এই পত্রিকার অবলম্বনেই ঘটেছিল। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত অতীতের লুপ্তপ্রায় কবি ও কাব্য আলোচনার সূত্রপাত করেন সংবাদ প্রভাকরে। এক সময় প্রতিমাসে এর একটি মাসিক সংস্করণ প্রকাশ পেত। এ পত্রিকাটিকে কেন্দ্র করে সেকালে একটি লেখকচক্র গড়ে উঠে। স্বদেশ, সমাজ ও সাহিত্য সংক্রান্ত বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনা এই পত্রিকাতেই প্রথম প্রকাশিত হতে থাকে। পত্রিকাটিতে সামাজিক ও সাময়িক আন্দোলনের খবরাখবর থাকলেও তার সঙ্গে সাহিত্যরসের কোন অভাব ছিল না।
সঠিক উত্তর 1 (প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়)
সঠিক উত্তর 2 (শ্রীকৃষ্ণকীর্তন)
ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ চর্যাপদের রচয়িতা ২৩ জন মতান্তরে ২৪ জন। তবে একজন লেখক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ হলো বড়ু চন্ডিদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। এটিকে মধ্যযুগের প্রথম গ্রন্থ মনে করা হয়।
সঠিক উত্তর 2 (১৪৯৮ সালে)
ব্যাখ্যা:
উইলিয়াম কেরি ১৭৯৩ সালে কলকাতায় আগমন করেন এবং ডেনমার্কের শাসনাধীন শ্রীরামপুরে উইলিয়াম ওয়ার্ড ও জোশুয়া মার্শম্যানের সহযোগে ব্যাপ্টিস্ট মিশন এবং মিশনের মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন। - তবে উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় (পর্তুগিজ ভাষার মুদ্রণযন্ত্র) ১৪৯৮ সালে। - চার্লস উইলকিন্স হুগলিতে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে। তিনি নিজেই বাংলা করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয়। - প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন পঞ্চানন কর্মকার। - বাংলাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় রংপুরে ১৮৪৭ সালে । এর নাম 'বার্ত্তাবহ যন্ত্র' । ছাপাখানাটি থেকে প্রকাশিত হতো রংপুরের প্রথম সাময়িকপত্র 'রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ' । পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন শুরুচরণ রায় । - ঢাকায় ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে ‘ঢাকা প্রেস’ নামে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানা থেকেই দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পণ’ প্রকাশিত হয়। ১৪৯৮ সালের গুরুত্তপুর্ণ তথ্যে মনে রাখুনঃ পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা ১৪৯৮ সালে ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে আসার সমুদ্রপথ আবিষ্কৃত করে। - আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ বৃহত্তর বাংলা শাসন শুরু করেন ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে।
সঠিক উত্তর 3 (ইরান)
সঠিক উত্তর 1 (৩.৪ মিলিয়ন টন)
সঠিক উত্তর 2 (১৪ জুলাই ২০২৬)
সঠিক উত্তর 1 (স্ক্রিপ নেটিং)
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে স্ক্রিপ নেটিং (ইন্ট্রা-ডে ট্রেডিং) নামের নতুন একটি পদ্ধতি চালু হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে নীতিগতভাবে এই পদ্ধতি চালুর অনুমোদন দিয়েছে।

পদ্ধতিটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:একই দিনে লেনদেন: বর্তমানে শেয়ার কেনার পর তা বিক্রি করতে সাধারণত দুই থেকে তিন কর্মদিবস সময় লাগে। কিন্তু এই পদ্ধতি চালু হলে বিনিয়োগকারীরা একই কার্যদিবসে শেয়ার কিনে বাজার বন্ধ হওয়ার আগেই তা পুনরায় বিক্রি করতে পারবেন।তারল্য বৃদ্ধি: এর ফলে বিনিয়োগকারীরা একটি শেয়ার দিনে যতবার ইচ্ছা কিনতে ও বিক্রি করতে পারবেন, যা বাজারে তারল্য বাড়াতে সহায়তা করবে।শুরুর পরিকল্পনা: প্রথম দিকে বাছাই করা ভালো মানের কোম্পানিগুলোর শেয়ারে এই সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সঠিক উত্তর 3 (টাইফয়েড টিকা)
সঠিক উত্তর 1 (পটুয়াখালী)
প্যাকেজ প্রয়োজন