সংবাদ প্রভাকর বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসের এক নতুন যুগের উন্মেষ ঘটায়। এই পত্রিকাটি ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের ১৪ জুন তারিখে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সালে দৈনিক পত্রিকায় পরিণত হয়। এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা। এর প্রকাশক এবং সম্পাদক কবিগুরু ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের তৎকালীন অনেক কবি-সাহিত্যিকের প্রতিভার স্ফুরণ এই পত্রিকার অবলম্বনেই ঘটেছিল। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত অতীতের লুপ্তপ্রায় কবি ও কাব্য আলোচনার সূত্রপাত করেন সংবাদ প্রভাকরে। এক সময় প্রতিমাসে এর একটি মাসিক সংস্করণ প্রকাশ পেত। এ পত্রিকাটিকে কেন্দ্র করে সেকালে একটি লেখকচক্র গড়ে উঠে। স্বদেশ, সমাজ ও সাহিত্য সংক্রান্ত বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনা এই পত্রিকাতেই প্রথম প্রকাশিত হতে থাকে। পত্রিকাটিতে সামাজিক ও সাময়িক আন্দোলনের খবরাখবর থাকলেও তার সঙ্গে সাহিত্যরসের কোন অভাব ছিল না।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ চর্যাপদের রচয়িতা ২৩ জন মতান্তরে ২৪ জন। তবে একজন লেখক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ হলো বড়ু চন্ডিদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। এটিকে মধ্যযুগের প্রথম গ্রন্থ মনে করা হয়।
উইলিয়াম কেরি ১৭৯৩ সালে কলকাতায় আগমন করেন এবং ডেনমার্কের শাসনাধীন শ্রীরামপুরে উইলিয়াম ওয়ার্ড ও জোশুয়া মার্শম্যানের সহযোগে ব্যাপ্টিস্ট মিশন এবং মিশনের মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করেন।
- তবে উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় (পর্তুগিজ ভাষার মুদ্রণযন্ত্র) ১৪৯৮ সালে।
- চার্লস উইলকিন্স হুগলিতে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে। তিনি নিজেই বাংলা করেন বলে তাঁকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয়।
- প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন পঞ্চানন কর্মকার।
- বাংলাদেশের প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় রংপুরে ১৮৪৭ সালে । এর নাম 'বার্ত্তাবহ যন্ত্র' । ছাপাখানাটি থেকে প্রকাশিত হতো রংপুরের প্রথম সাময়িকপত্র 'রঙ্গপুর বার্ত্তাবহ' । পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন শুরুচরণ রায় ।
- ঢাকায় ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে ‘ঢাকা প্রেস’ নামে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ছাপাখানা থেকেই দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।
১৪৯৮ সালের গুরুত্তপুর্ণ তথ্যে মনে রাখুনঃ
পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা ১৪৯৮ সালে ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে আসার সমুদ্রপথ আবিষ্কৃত করে।
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্ বৃহত্তর বাংলা শাসন শুরু করেন ১৪৯৮ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে।
বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে স্ক্রিপ নেটিং (ইন্ট্রা-ডে ট্রেডিং) নামের নতুন একটি পদ্ধতি চালু হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে নীতিগতভাবে এই পদ্ধতি চালুর অনুমোদন দিয়েছে।
পদ্ধতিটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:একই দিনে লেনদেন: বর্তমানে শেয়ার কেনার পর তা বিক্রি করতে সাধারণত দুই থেকে তিন কর্মদিবস সময় লাগে। কিন্তু এই পদ্ধতি চালু হলে বিনিয়োগকারীরা একই কার্যদিবসে শেয়ার কিনে বাজার বন্ধ হওয়ার আগেই তা পুনরায় বিক্রি করতে পারবেন।তারল্য বৃদ্ধি: এর ফলে বিনিয়োগকারীরা একটি শেয়ার দিনে যতবার ইচ্ছা কিনতে ও বিক্রি করতে পারবেন, যা বাজারে তারল্য বাড়াতে সহায়তা করবে।শুরুর পরিকল্পনা: প্রথম দিকে বাছাই করা ভালো মানের কোম্পানিগুলোর শেয়ারে এই সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।