- বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'সাজাহান'। এটি সম্রাট শাহজাহানকে নিয়ে লেখা প্রথম নাটক।
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত গান 'ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' এই নাটকে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় পঞ্চকবির একজন।
- বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো- 'সিরাজউদ্দৌলা(১৯০৫)', 'মীর কাসিম (১৯০৬)', 'ছত্রপতি শিবাজী (১৯০৭)' ইত্যাদি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। তাকে বাংলার নবজাগরণ সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব গণ্য করা হয়। তাঁর রচিত কাব্য-
-তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৬০)
-মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)
-ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১)
-বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২)
-চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৫) ইত্যাদি।
প্রমথ চৌধুরী:
- তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- আমাদের শিক্ষা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।
রামরাম বসু (১৭৫৭ - ১৮১৩) বাংলা গদ্যসাহিত্যের আদি লেখকদের একজন। অষ্টাদশ শতাব্দীর ব্যক্তিত্ব। তাঁর জন্ম হুগলি জেলার চুঁচুড়ায়। বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ প্রতাপাদিত্যচরিত্র। এটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি বাঙ্গালির লেখা প্রথম গদ্যগ্রন্থও। লিপিমালা' (১৮০২)
⇒ বাংলা উপন্যাসে ‘চেতনা প্রবাহ’ রীতির সার্থক ও নিপুণ প্রয়োগকারী হিসেবে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহকে অগ্রগণ্য বিবেচনা করা হয়।
⇒ তাঁর রচিত ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৮) উপন্যাসে এই রীতির চূড়ান্ত ও সফল প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। এই উপন্যাসে তিনি প্রথাগত কাহিনীর বদলে চরিত্রের অবচেতন মনের ভাবনা ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
⇒ ‘চেতনা প্রবাহ’ রীতি হলো এমন এক ধরণের আখ্যান কৌশল, যেখানে চরিত্রের মনের ভেতরকার বিচ্ছিন্ন চিন্তা, স্মৃতি, অনুভূতি এবং কল্পনার স্রোতকে কোনো রকম ভনিতা ছাড়াই সরাসরি তুলে ধরা হয়।
⇒ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ (১৯৬4) উপন্যাসেও এই রীতির আংশিক ও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ দেখা যায়, যেখানে যুবক শিক্ষক আরেফ আলীর মনের গভীর দোদুল্যমানতা ও অস্তিত্বের সংকট মূর্ত হয়ে উঠেছে।
⇒ ইউরোপীয় সাহিত্যে জেমস জয়েস বা ভার্জিনিয়া উলফ যেমন এই রীতিতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন, বাংলা সাহিত্যে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ঠিক তেমনিভাবে চরিত্রের মনের গহীনে ডুব দিয়ে তাদের নিঃসঙ্গতা ও হতাশার চিত্র এঁকেছেন।
⇒ তাঁর লেখনীতে ঘটনার ঘনঘটার চেয়ে চরিত্রের মনের প্রতিক্রিয়া এবং অবচেতন স্তরের চিন্তার এলোমেলো স্রোত প্রধান হয়ে ওঠে, যা বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
• আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৫১)।
• তার প্রকৃত নাম- কাজেম আল কোরেশী। কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
• তিনি মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বপ্রথম সনেট এবং মহাকাব্য রচনা করেন।
• 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি একটি মহাকাব্য।
• এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে।
• এর উপজীব্য ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
• মহাশ্মশান কাব্যের মোট তিনটি খণ্ড রয়েছে এবং ৬০টি সর্গ আছে।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ হলোঃ
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- কুসুমকানন,
- শিবমন্দির,
- বিরহ বিলাপ,
- শ্মশানভষ্ম,
- অমিয়ধারা,
- মহররম শরীফ,
- প্রেম পারিজাত,
- মন্দাকিনী ধারা ইত্যাদি।
-মীর মশাররফ হোসেন একজন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গদ্যরচয়িতা।
-তাঁর ছদ্মনাম 'গাজী মিয়া'।
-তিনি 'বিষাদসিন্ধু' নামক ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন।
-তাঁর রচিত প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'। এটি বাঙালি মুসলমান রচিত প্রথম উপন্যাস।
আজ থেকে প্রায় ১৬০ বছর আগে স্থাপিত হয়েছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৫৭ খ্রি.)। সেকালে পাঞ্জাব, যুক্ত প্রদেশ ও বিহারে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। ওইসব প্রদেশের কলেজগুলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ছিল। বাংলার প্রাচীন কলেজগুলোর মধ্যে প্রেসিডেন্সী কলেজ, হুগলী মহসিন কলেজ, ঢাকা কলেজ, বহরমপুর কলেজ, কৃষ্ণনগর কলেজ, এলহাবাদের মুইর সেন্ট্রাল কলেজ, খ্রিস্টান মিশনারীদের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, ফ্রি চার্চ ইনস্টিটিউট, ক্যাথার্ডাল কলেজ, সিটি কলেজ ও ক্যানিং কলেজ সেকালের খ্যাতনামা কলেজগুলোর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছিল।
১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিপাহী বিদ্রোহের সময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম এন্ট্রান্স পরীক্ষা গৃহীত হয়। ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ৫-১০ এপ্রিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বিএ পরীক্ষার সূত্রপাত। এই ঐতিহাসিক বিএ পরীক্ষায় সংস্কৃতি, বাংলা ও হিন্দির পরীক্ষক মনোনীত হন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.)। অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষকরা ছিলেন যথাক্রমে- ডব্লিউ গ্রাপ্রেল, ডব্লিউ নাসাউলীস, এডওয়ার্ড বাইলস্ কাউএল, এইচ স্কট স্মিথ এবং আলেকজান্ডার ডাফ। ১৩ জন বিএ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জন ছয়টি বিষয়ে তাদের পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। কিন্তু কার্যত তারা সবাই অকৃতকার্য হন। এই ১৩ জন ছাত্রের মধ্যে কেউই বিএ পাস করতে পারেননি। এই অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের তালিকায় ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪ খ্রি.) ও যদুনাথ বসু (১৮৩৬-১৯১২ খ্রি.)। পাঁচটি বিষয়ে এই দু’জন কৃতিত্বের পরিচয় দেখালেও ষষ্ঠতম বিষয়ে তারা উভয়েই পাসের নম্বরের চেয়ে গড়ে সাত নম্বরের মতো কম পান। এই ষষ্ঠতম বিষয়টি ছিল “মানসিক ও নীতি বিজ্ঞান” এবং ওই বিষয়ের পরীক্ষক নির্বাচিত হন পূর্বোক্ত আলেকজান্ডার ডাফ। পরীক্ষক পর্ষদের সুপারিশে শেষাবধি বঙ্কিমচন্দ্র ও যদুনাথ বসু দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে এই উপমহাদেশে অবিভক্ত বাংলার প্রথম বিএ ডিগ্রি লাভের গৌরবোজ্জ্বল বিরল সম্মানে ভূষিত হন
- রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রকাশিত একটি বাংলা গ্রন্থ ।
- এর লেখক রামরাম বসু ।
- এই গ্রন্থটিকে বাংলা ভাষায় কোন বাঙ্গালী লিখিত লিখিত প্রথম গদ্যগ্রন্থ বিবেচনা করা হয়।
- এটি সর্বপ্রথম ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে কলকাতা শহর থেকে প্রকাশিত হয়।
• শাহ মুহম্মদ সগীর (আনু. ১৪শ-১৫শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন খ্যাতনামা কবি।
- বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। তাঁর কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করে ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাঁকে চট্টগ্রামের অধিবাসী বলে বিবেচনা করেছেন।
- তিনি কাব্যচর্চায় সুলতান গিয়াসউদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। তাঁর কাব্যে ধর্মীয় পটভূমি থাকলেও তা হয়ে উঠেছে মানবিক প্রেমোপাখ্যান।
- তিনি ইউসুফ-জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম প্রণয়োপাখ্যান এবং কোনো মুসলিম রচিত প্রথম গ্রন্থ।
সোর্স: বাংলাপিডিয়া।
লুইপা চর্যাপদের ১ম ও ২৯ নং পদের রচয়িতা। তাঁর রচিত ৬ টি গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া যায়।
যথা- অভিসময়বিহঙ্গ, বজ্রস্বত্ব সাধন, বুদ্ধোদয়, ভগবদাভসার, তত্ব স্বভাব।
- লুইপা রচিত চর্যাপদের প্রথম পদটি হল- ‘কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল/ চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।’
- বাঙালি পদকর্তা- লুই পা, কুক্কুরী পা, বিরুপ পা, শবর পা, জয়ানন্দ বা জয়নন্দী পা, ধাম পা। ভাষা বিচারে আরও কেউ কেউ বাঙালি হতে পারেন, তবে কয়েক জন অবাঙালিও ছিলেন। ভুসুকুপা নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন।
উপরোক্ত কবিদের মধ্যে শুধু সৈয়দ হামজা পুঁথি সাহিত্য রচনা করনে। তবে তিনি প্রথম আদি রচয়িতা নন। পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় লেখক ফকির গরীবুল্লাহ।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেন। মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রথম নাটক ''বসন্তকুমারী'' । এটি লেখকের প্রথম নাটক এবং তৃতীয় গ্রন্থ। ''বসন্তকুমারী'' বাংলা সাহিত্যে মুসলিম নাট্যকার রচিত প্রথম সার্থক নাটক।
বাংলা সাহিত্যর কিছু প্রথমঃ
- বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থঃ A Grammar of the Bengali Language (নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড)
- প্রথম প্রণয়োপাখ্যান/রোমান্টিক কাব্য : ইউসুফ-জোলেখা (শাহ মুহম্মদ সগীর)
- রোমান্টিক উপন্যাস : কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
- প্রথম বাংলা অনুবাদক : মহাভারত (কবিন্দ্র পরমেশ্বর)
- বাংলা ভাষায় প্রথম নাটক : ভদ্রার্জুন (তারাচরণ শিকদার)
- প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ : বেদান্ত (রাজা রামমোহন রায়)
- প্রথম উপন্যাস : আলালের ঘরের দুলাল (১৮৫৭) (প্যারীচাঁদ মিত্র)
- প্রথম গীতিকাব্য : স্বপ্নদর্শন (বিহারীলাল চক্রবর্তী)
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মোট ৮ জন লেখক (১৮০১ - ১৮১৫) ১৪টি পুস্তক রচনা করেন। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনার কৃতিত্ব - মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের।
এখানে প্রথমটি লেখকের নাম, দ্বিতীয়টি লেখা বইয়ের নাম এর থার্ড ব্যাকেটের মধ্যে লেখার ধরন:
♦ উইলিয়াম কেরি (১৭৬১-১৮৩৪)- কথোপকথন (১৮০১)[সাধারন মানুষের সংলাপ], ইতিহাসমালা(১৮১২)[গল্প ও কাহিনিসংকল্প]
♦ রামরাম বসু (১৭৫৭-১৮১৩)- রাজা প্রতাপাদিত্যের চরিত্র(১৮০১)[জমিদার প্রতাপাদিত্যের জীবনী], লিপিমালা (১৮০২) [কাল্পনিক পত্রের সংকলন]
♦ গোলকনাথ শর্মা - হিতোপদেশ (১৮০২), সংস্কৃত হিতোপদেশের বাংলা অনুবাদ
♦ মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (১৭৬২-১৮১৯) - বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২)[অনুদিত কাহিনীসঙ্কল্প], হিতোপদেশ (১৮০৮)[সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদ], রাজাবলী(১৮০৮)[বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ], প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)♦ [প্রবন্ধের সমাহার গ্রন্থ], বেদান্ত চন্দ্রিকা (১৮১৭)[বেদান্ত নিয়ে আলোচনা]
♦ তারিণীচরণ মিত্র (১৭৭২-১৮৩৭) - ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট(১৮০৩)[ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ]
♦ রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় - মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র বায়স্য চরিত্র(১৮০৫)[ঐতিহাসিক জীবনী]
♦ চন্ডীচরণ মুনশী (১৭৬০-১৮০৮) – তোতা ইতিহাস(১৮০৫)[ফরাসি তুতিনামাহ এর বাংলা অনুবাদ]
♦ হরপ্রসাদ রায় - পুরুষ পরীক্ষা(১৮১৫)[সংস্কৃত পুরুষ পরীক্ষা র অনুবাদ
বাংলা ভাষায় সর্বপ্রাচীন মুসলমান কবির নাম শাহ্ মুহম্মদ সগীর। শাহ্ মুহম্মদ সগীর ১৫ শতকে ''ইউসুফ-জুলেখা'' কাব্য রচনা করেন। মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য ''ইউসুফ- জুলেখা'।
∎কবিগান:
কবিগান বাংলা লোকসংগীতের একটি বিশেষ ধারা। এই ধারায় লোককবিরা প্রতিযোগিতামূলক গানের আসরে অংশগ্রহণ করে থাকেন। গায়ককে কবি হতে হয়। তিনি মুখে মুখে পদ রচনা করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সুরারোপ করে গেয়ে থাকেন। কবিগান পরিবেশনকারীদের বলা হয় কবিয়াল।