দীর্ঘদিনের গবেষণার পর ক্যান্সার কোষের বিস্তার রোধে সক্ষম কিছু ক্ষুদ্র অণু উদ্ভাবনের জন্য ড. হেমায়েত উল্লাহ ও তাঁর দল সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্যাটেন্টের অনুমোদন পেয়েছেন। গবেষণা দলের তথ্য অনুযায়ী, ক্যান্সার কোষের বিস্তার রোধে সক্ষম এই ক্ষুদ্র অণুগুলোর প্যাটেন্টের জন্য ২০১৯ সালে প্রোভিশনাল প্যাটেন্ট আবেদন করা হয়। দীর্ঘ মূল্যায়ন ও পর্যালোচনার পর ২০২৬ সালে প্যাটেন্টটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। সূত্রঃ বিজ্ঞানচিন্তা
গিরিশচন্দ্র সেন (১৮৩৫-১৯১০) : ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক। বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ তিনিই প্রথম করেন। নারায়ণগঞ্জের পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- গিরিশচন্দ্র সেন ছাত্রজীবনে ফারসি ও সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা করেন। কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন এবং প্রচারব্রত গ্রহণ করে উত্তর ভারত, দক্ষিণ ভারত ও ব্রহ্মদেশ ভ্রমণ করেন।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।
বাংলা সাহিত্যর কিছু প্রথমঃ
- বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থঃ A Grammar of the Bengali Language (নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড)
- প্রথম প্রণয়োপাখ্যান/রোমান্টিক কাব্য : ইউসুফ-জোলেখা (শাহ মুহম্মদ সগীর)
- রোমান্টিক উপন্যাস : কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
- প্রথম বাংলা অনুবাদক : মহাভারত (কবিন্দ্র পরমেশ্বর)
- বাংলা ভাষায় প্রথম নাটক : ভদ্রার্জুন (তারাচরণ শিকদার)
- প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ : বেদান্ত (রাজা রামমোহন রায়)
- প্রথম উপন্যাস : আলালের ঘরের দুলাল (১৮৫৭) (প্যারীচাঁদ মিত্র)
- প্রথম গীতিকাব্য : স্বপ্নদর্শন (বিহারীলাল চক্রবর্তী)
- বাংলা ছোটগল্পের সার্থক স্রষ্টা হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তাঁর হাত ধরেই বাংলা ছোটগল্পের উদ্ভব, বিকাশ ও সমৃদ্ধি ঘটেছে।
- যদিও তাঁর প্রথম রচিত গল্প 'ভিখারিনী', তবে তাঁর 'দেনা-পাওনা' গল্পটিকেই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তাই, বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- মাত্র ১৬ বছর বয়সে "ভিখারিনী" গল্প রচনার মাধ্যমে তিনি ছোটগল্প লেখা শুরু করেন।
-শ্রী দীনেশচন্দ্র সেন ১৮৬৬-এর ৩রা নভেম্বর মানিকগঞ্জের বগজুড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং ১৯৩৯-এর ২০শে নভেম্বর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
-১৮৯০-একুমিল্লা ভিক্টোরিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন কালে গ্রামবাংলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে প্রাচীন বাংলার পুঁথি সংগ্রহ করেন এবং সেসব উপকরণের সাহায্যে ১৮৯৬-এ "বঙ্গভাষা ও সাহিত্য" শিরোনামে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করেন।
-১৯১১ সালে তাঁর সুবিখ্যাত গ্রন্থ "হিস্ট্রি অব বেঙ্গলি লিটেরেচার" প্রকাশিত হলে তা সর্বমহলের ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে।
-১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে "রামতনু লাহিড়ী রিসার্চ ফেলোসিপ" প্রদান করে এবং এর আওতায় তিনি "মৈমনসিংহ গীতিকা" ও "পূর্ববঙ্গ গীতিকা" সম্পাদনা করেন।
-১৯২১-এ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি.লিট ডিগ্রী এবং ১৯৩১-এ "জগত্তারিণী স্বর্ণপদক" প্রদান করেন। ১৯২১-এ ভারত সরকার তাঁকে "রায় বাহাদুর" উপা
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান' অপশন গুলো মধ্যে। বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো- 'সিরাজউদ্দৌলা(১৯০৫)', 'মীর কাসিম (১৯০৬)', 'ছত্রপতি শিবাজী (১৯০৭)' ইত্যাদি
- ঢাকার ভূষণার জমিদারপুত্র দোম আন্তোনিও নামক একজন দেশীয় পাদ্রি রচিত ‘ব্রাহ্মণ-রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’ বাঙালি প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ।
- এটি ১৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে রোমান অক্ষরে প্রকাশিত হয়,বাংলায় নয়।
- রোমান ক্যাথলিক পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল দা আসসুম্পসাঁও কর্তৃক ১৭৩৪ খ্রিস্টাব্দে রচিত এবং ১৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে রোমান হরফে মুদ্রিত ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ’ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা।