- আনিসুল হক রচিত একজন তরুণ মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগ ও তার মায়ের দীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনী নির্ভর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'মা' (২০০৩)।
- তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস: বীর প্রতীকে খোঁজে, নিধুয়া পাথার, খেয়া, ফাঁদ, আয়েশামঙ্গল, বেকারত্বের দিনগুলিতে প্রেম, ফাল্গুন রাতের আঁধারে, হৃদিতা, জিম্মি, সেঁজুতি, ৫১বর্তী, তোমার জন্য।
জ্বালানি ও খাদ্য চাহিদা পূরণে পাঁচ দেশ থেকে এলএনজি, সার ও গম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।এতে ব্যয় হবে ২ হাজার ৮৪১ কোটি ২২ লাখ ৮৬ হাজার ৫১২ টাকা। সূত্রঃ বণিক বার্তা
দেশে বর্তমানে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে ছয়টি।তফসিলভুক্ত বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে ৪৩টি ও বিদেশী ব্যাংক নয়টি, রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক তিনটি। এর বাইরে তফসিল-বহির্ভূত রয়েছে আরো পাঁচটি ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে আনার আলোচনা উঠেছে জাতীয় সংসদে। তবে এসব আলোচনার মধ্যেই যুবকদের জন্য বিশেষায়িত একটি ব্যাংক খুলতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বিশেষায়িত এ ব্যাংকের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে ‘যুব ব্যাংক’। সূত্রঃ বণিক বার্তা
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো 'জলাঙ্গী' (১৯৭৬)।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি বেশ কয়েকটি কালজয়ী উপন্যাস রচনা করেছেন।
- তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো হলো: 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' (১৯৭১), 'দুই সৈনিক' (১৯৭৩) এবং 'নেকড়ে অরণ্য' (১৯৭৩)।
- উল্লেখ্য, শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। 'ক্রীতদাসের হাসি' তাঁর রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
হাইবের ‘ইকো ভিলেজ’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনার দাকোপ উপজেলায় প্রতি বছর এক লাখ ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন প্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের ব্যবস্থাপনা সংস্থা হাইব গত তিন বছরে বাংলাদেশে ৪ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত '২০২৫ সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজমেন্ট রিপোর্টে' এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।সূত্রঃ TBS
বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এজন্য ১২,৪৮০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করতে হবে। বর্তমানে দেশে সৌরবিদ্যুৎ থেকে প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আরও ১০,০০০ থেকে ১১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করতে হবে।সূত্রঃ TBS
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যশোরের কালীগঞ্জের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে সেলিনা হোসেন রচনা করেন মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড' (১৯৭৬)।
- উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে এ ঘটনা নিয়ে তিনি গল্প লেখেন; পরবর্তীতে উপন্যাসে রূপান্তরিত করেন।
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘অনীল বাগচীর একদিন’ ।
তাঁর রচিত আরও কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসঃ
- জোছনা ও জননীর,
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- ১৯৭১, নির্বাসন,
- সূর্যের দিন।
১৯৭১ সালের মার্চে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটতে থাকে।এমনই একদল আশ্রয় সন্ধানীর পলায়নের কাহিনী নিয়ে 'শ্যামল ছায়া' (২০০৩) .২০০৪ সালে ঔপন্যাসিক এটি চলচ্চিত্রে রুপদান করেন ।
-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে সংঘটিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক কবিতা ‘একুশের গান'।
-গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ এবং বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। উল্লেখ্য, বর্তমানে গানটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।
-হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) সাহিত্য সংকলনে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
-১৯৫৪ সালের প্রভাত ফেরীতে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
-১৯৬৯ সালে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে গানটি প্রথম ব্যবহার করা হয়।
-গানটি মোট ১২টি ভাষায় গাওয়া হয়। কবিতাটির / গানটির বিখ্যাত পঙ্ক্তি- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি। / ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু-গড়া এ ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি ।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার জন্য ঢাকায় যে আত্মদান করা হয় তার স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারী' নামে একটি সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
- এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- সম্পাদক ও প্রকাশক উভয়েই বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এই সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয় আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।
- একুশে ফেব্রুয়ারি (১৯৫৩) বইটি প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যেই তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।
• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা,
- মূল্যবোধের জন্য,
- সাহিত্য প্রসঙ্গ,
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।
• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু।
• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- বিমুখ প্রান্তর,
- প্রতিবিম্ব,
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শহরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী,
- শোকার্ত তরবারী ইত্যাদি।
ভাষা আন্দোলনের উপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ এর সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান। এতে ৬ টি বিভাগে ২২ জন লেখকের লেখা আছে। প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ১৬ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র (১৯৮২-৮৩) প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- এককভাবে বাংলায় অনুবাদ করেন হোমারের ওডিসি (১৯৮৭)।
তাঁর মৌলিক গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে:
বিমুখ প্রান্তর (১৯৬৩),
আরো দুটি মৃত্যু (১৯৭০),
মূল্যবোধের জন্যে (১৯৭০),
আধুনিক কবি ও কবিতা (১৯৬৫),
আমার ভেতরের বাঘ (১৯৮৩)
সীমান্ত শিবিরে (১৯৬৭),
আর্ত শব্দাবলী (১৯৬৮),
প্রতিবিম্ব (১৯৭৬),
শোকার্ত তরবারী (১৯৮২),
যখন উদ্যত সঙ্গীন (১৯৭২),
সাহিত্য প্রসঙ্গ (১৯৭৩),
দক্ষিণের জানালা (১৯৭৪) ইত্যাদি।
কবি 'রফিক আজাদ' মারা যান-১২ মার্চ, ২০১৬ তারিখে। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে- অসম্ভবের পায়ে (১৯৭৩); সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে (১৯৭৪); নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫); চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া (১৯৭৭)। ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তাকে একুশে পদক দেওয়া হয়। এছাড়াও তিনি পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। একাত্তরে টাঙ্গাইলে আবদুল কাদের সিদ্দিকী নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
● সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (১৯৭৬)। এর রচনাকাল ১ মে থেকে ১৩ জুন, ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড শহরে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষে মুক্তিবাহিনীর গ্রামে প্রবেশের ঘটনা এ নাটকে স্থান পেয়েছে।
● ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে মুনীর চৌধুরী রচিত প্রথম নাটক ‘কবর’ (১৯৬৬)।
● দীনবন্ধু মিত্র রচিত মেহেরপুরের কৃষকদের ওপর নীলকরদের নির্মম নির্যাতনের চিত্রভিত্তিক নাটক 'নীলদর্পণ' (১৮৬০)।
● নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্থানীয় এক মেলাকে কেন্দ্র করে লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে 'কিত্তনখোলা' (১৯৮৬) নাটকটি রচনা করেন।
-তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ উপন্যাস ‘১৯৭১’।
-তিনি এটি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রচনা করেছিলেন।
-তিনি তার ‘১৯৭১’ উপন্যাসে তুলে ধরেছেন একাত্তরের গ্রামীণ জীবনের চিত্র।
-এই উপন্যাসের মধ্যে লেখক দুটি স্বল্পদীর্ঘ উপন্যাস রচনা করেছেন।
-একটি ‘সুতপার তপস্যা’ অপরটি ‘একটি কালো মেয়ের কথা’।
আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাইফেল রোটি আওরাত '। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আনোয়ার পাশা এপ্রিল এটি রচনা করেন এবং জুন মাসে সমাপ্ত করেন .
- ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদালয় এলাকায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ,তার বিস্তারিত বর্ণনা আছে এ উপন্যাসে ।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলাে হচ্ছে - ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।
- আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাইফেল রোটি আওরাত '।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আনোয়ার পাশা এপ্রিল এটি রচনা করেন এবং জুন মাসে সমাপ্ত করেন।
- ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদালয় এলাকায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ,তার বিস্তারিত বর্ণনা আছে এ উপন্যাসে ।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলাে হচ্ছে - ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।
'মুক্তিযুদ্ধ কোষ' (সকল খণ্ড) – মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত গত শতাব্দীতে বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
প্যাকেজ প্রয়োজন
প্রিমিয়াম প্যাকেজ প্রয়োজন
সকল বিষয়ের প্রশ্ন সার্চ, অধ্যায়ভিত্তিক ফিল্টার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহের প্রশ্ন আনলক করতে একটি প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করুন।
৮০,০০০+ বিগত সালের ও অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের সমাধান
স্মার্ট বিষয়, অধ্যায় ও ট্যাগ ভিত্তিক দ্রুত ফিল্টারিং