বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
আকবর হোসেনের ‘অবাঞ্ছিত’ (১৯৫০) একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। তাঁর অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘কি পাইনি’ (১৯৫২), ‘মোহমুক্তি’ (১৯৫৩), ‘ঢেউ জাগে’ (১৯৬১), ‘আলোছায়া’ (১৯৬৪), ‘দুদিনের খেলাঘর’ (১৯৬৫), ‘নীলাঞ্জনা, প্রাণবসন্ত, উপল উপকূলে ও হৃদয় উপবনে’।
জাহানারা ইমামের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস ‘অন্যজীবন’। অন্যদিকে, ড. জাফর ইকবালের ‘অন্যজীবন’ (২০১৬) একটি ভৌতিক কাহিনিনির্ভর রচনা।
জরাসন্ধ, অর্থাৎ চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম, রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ‘ন্যায়দণ্ড’। তাঁর অন্যান্য উপন্যাস ‘তামসী, মসীরেখা, একুশ বছর ও পরশমনি’।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পূর্ব-পশ্চিম’ একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস ‘সেই সময়, প্রথম আলো ও একা এবং কয়েকজন’। আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘অর্ধেক জীবন’ ও ‘ছবির দেশে কবিতার দেশে’।
শওকত আলীর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ‘নাঢ়াই, প্রদোষে প্রাকৃতজন, দলিল, দক্ষিণায়নের দিন, হিসাবনিকাশ ও পূর্বরাত্রি পূর্বদিন’। ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস।
শওকত আলীর ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ (১৯৮৬) একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। এতে সেন বংশের রাজত্বের শেষ সময়, তুর্কি আক্রমণ এবং তৎকালীন সাধারণ মানুষের সামাজিক-রাজনৈতিক সংকটের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের ‘সব্যসাচী লেখক’ হিসেবে খ্যাত সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস এক মহিলার ছবি (১৯৫৯), অনুপম দিন (১৯৬২), নীল দংশন (১৯৮১), মেঘ ও মেশিন (১৯৯১), আলোর জন্য ও এক মুঠো জন্মভূমি।
'আমার যত গ্লানি' হ'ল প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রশীদ করীম-এর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ ‘মুসলিম মানসের রূপান্তর’ ও ‘সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই’। তাঁর গল্পের মধ্যে রয়েছে ‘পিঁজরাপোল, প্রস্তর ফলক, জন্ম যদি তব বঙ্গে, ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী ও পুরাতন খঞ্জর’। উল্লেখযোগ্য অনূদিত গ্রন্থ ‘নিশো’ (১৯৪৮-৪৯), ‘লুকনিতশি’ (১৯৪৮), ‘বাগদাদের কবি’ (১৯৫৩) ও ‘টাইম মেশিন’ (১৯৫৯)।
শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’ একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। তাঁর অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে জননী, জাহান্নাম হইতে বিদায়, সমাগম, দুই সৈনিক, নেকড়ে, অরণ্য, জলাঙ্গী, রাজা উপাখ্যান ও চৌরসন্ধি।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- ‘বৈতালিক, উপনিবেশ, মহানন্দা, স্বর্ণসীতা ও কৃষ্ণপক্ষ’। তাঁর রচিত ‘বৈতালিক’ একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস। এর রচয়িতা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক এবং উপন্যাসটির আখ্যানকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
আনোয়ার পাশার ‘নীড় সন্ধানী’ (১৯৬৮) দেশভাগের সংকট নিয়ে রচিত উপন্যাস। তাঁর অন্যান্য উপন্যাস ‘নিশুতি রাতের গাথা’ (১৯৬৮) ও ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩)।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইছামতি’ (১৯৫০) উপন্যাসের পটভূমি ইছামতি নদী ও মোল্লাহাটি নীলকুঠি। এতে নীলবিদ্রোহ, সাধারণ মানুষের জীবন, নীলচাষের প্রতিবাদ, সামাজিক অত্যাচার ও নারী জাগরণের চিত্র ফুটে উঠেছে। এ উপন্যাসের জন্য তিনি মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ মেঘমাল্লার, মৌরীফুল, যাত্রাবদল, জন্ম ও মৃত্যু, কিন্নর দল, নবাগত, তালনবমী, বিধুমাস্টার, মুখোশ ও মুখশ্রী ও সুলোচনা।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’ (১৯২৯), যা প্রথম ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ভাগলপুরে চাকরির সময় রচিত এ উপন্যাসে বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামের অপু, দুর্গা, হরিহর, সর্বজয়া ও ইন্দির ঠাকরুনের জীবন এবং মানুষ ও প্রকৃতির নিবিড় সম্পর্ক ফুটে উঠেছে। উপন্যাসটি বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু ও অক্রূর সংবাদ—এই তিন ভাগে বিভক্ত।