- এম আর আখতার মুকুল ছিলেন সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর কথক।
- জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- পিতা বিশিষ্ট সাহিত্যিক সা’দত আলি আখন্দ, মাতা রাবেয়া খাতুন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গন পরিদর্শন শেষে তাঁর রচিত এবং স্বকণ্ঠে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- একাত্তরের বর্ণমালা,
- ভাসানী মুজিবের রাজনীতি,
- মুজিবের রক্তলাল,
- পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন ইত্যাদি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ,বক্তৃতা ও উপদেশ সংকলনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই 'আমার কিছু কথা' ।
- ২০২০ সালে এম.এ হাসান সম্পাদিত জাতির পিতা রচিত 'আমার কিছু কথা" গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এ গ্রন্থে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ছয় দফা থেকে শুরু করে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী সময় পর্যন্ত দেশের উন্নয়নের স্বার্থে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচীর বর্ণনা করছেন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'আমার কিছু কথা ও আমার দেখা নয়াচীন'।
- ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'আমার দেখা নয়া চীন' প্রকাশিত হয়।
- শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘নিজ বাসভূমে’ (১৯৭০)।
- এ কাব্যগ্রন্থটিতে ১৯৪৭ সালের পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী বাংলা ভাষা ও কৃষ্টি, রাজনীতি ও অর্থনীতির ওপর যে নগ্ন ও নির্মম হামলা চালিয়েছিলো তা ফুটে উঠেছে।
হাসান হাফিজুর রহমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ 'যখন উদ্যত সঙ্গীন '।
আরোও কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ -
- বন্দী শিবির থেকে (শামসুর রাহমান),
- আর্তনাদে বিবর্ণ (ড.মাজহারুল ইসলাম),
- আমার প্রতিদিনের শব্দ (সৈয়দ আলী আহসান)।
এশিয়া গ্রুপের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে চীনের প্রায় ১ দশমিক ৪ টেরাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির হাতে ৯০-১১০ দিনের অপরিশোধিত তেল আমদানির সমপরিমাণ মজুদ রয়েছে। ফলে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় চীন সংকটের প্রাথমিক ধাক্কা সবচেয়ে ভালোভাবে মোকাবেলা করতে পেরেছে। সূত্রঃ বণিক বার্তা
- শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'নেকড়ে অরণ্য '।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম চলাকালে হায়েনারুপী পাকসেনারা বন্দিনী বাঙালি রমণীদের ওপর যে মর্মান্তিক নির্যাতন চালিয়েছিল তারই আলেখ্য।
তাঁর অন্যান্য উপন্যাস হলো :
- সমাগম
- চৌরসন্ধি
- রাজা উপাখ্যান
- জাহান্নাম হইতে বিদায়
- দুই সৈনিক
- পতঙ্গ পিঞ্জর
- রাজসাক্ষী
- জলাংগী
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় প্রতি টন গম আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের তুলনায় ২৪ ডলার বেশি দামে আমদানি করবে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরভিত্তিক অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেড পুরো চালান সরবরাহ করবে। এর মধ্যে জি-টু-জি ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭০ কোটি টাকা। প্রতি টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২২ ডলার। সূত্রঃ The Daily Star
তিতাসের আওতাধীন রয়েছে ৬ হাজার ৭৬ মেগাওয়াট সক্ষমতার গ্যাসভিত্তিক ২০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসব কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতে প্রতিদিন ৯৯৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে কেবল ২৭০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি। সূত্রঃবণিক বার্তা
- আনিসুল হক রচিত একজন তরুণ মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগ ও তার মায়ের দীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনী নির্ভর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'মা' (২০০৩)।
- তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস: বীর প্রতীকে খোঁজে, নিধুয়া পাথার, খেয়া, ফাঁদ, আয়েশামঙ্গল, বেকারত্বের দিনগুলিতে প্রেম, ফাল্গুন রাতের আঁধারে, হৃদিতা, জিম্মি, সেঁজুতি, ৫১বর্তী, তোমার জন্য।
জ্বালানি ও খাদ্য চাহিদা পূরণে পাঁচ দেশ থেকে এলএনজি, সার ও গম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।এতে ব্যয় হবে ২ হাজার ৮৪১ কোটি ২২ লাখ ৮৬ হাজার ৫১২ টাকা। সূত্রঃ বণিক বার্তা
দেশে বর্তমানে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে ছয়টি।তফসিলভুক্ত বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে ৪৩টি ও বিদেশী ব্যাংক নয়টি, রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক তিনটি। এর বাইরে তফসিল-বহির্ভূত রয়েছে আরো পাঁচটি ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে আনার আলোচনা উঠেছে জাতীয় সংসদে। তবে এসব আলোচনার মধ্যেই যুবকদের জন্য বিশেষায়িত একটি ব্যাংক খুলতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বিশেষায়িত এ ব্যাংকের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে ‘যুব ব্যাংক’। সূত্রঃ বণিক বার্তা
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো 'জলাঙ্গী' (১৯৭৬)।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি বেশ কয়েকটি কালজয়ী উপন্যাস রচনা করেছেন।
- তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো হলো: 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' (১৯৭১), 'দুই সৈনিক' (১৯৭৩) এবং 'নেকড়ে অরণ্য' (১৯৭৩)।
- উল্লেখ্য, শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। 'ক্রীতদাসের হাসি' তাঁর রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
হাইবের ‘ইকো ভিলেজ’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনার দাকোপ উপজেলায় প্রতি বছর এক লাখ ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন প্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএসের ব্যবস্থাপনা সংস্থা হাইব গত তিন বছরে বাংলাদেশে ৪ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত '২০২৫ সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজমেন্ট রিপোর্টে' এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।সূত্রঃ TBS
বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এজন্য ১২,৪৮০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করতে হবে। বর্তমানে দেশে সৌরবিদ্যুৎ থেকে প্রায় ২,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আরও ১০,০০০ থেকে ১১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করতে হবে।সূত্রঃ TBS
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যশোরের কালীগঞ্জের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে সেলিনা হোসেন রচনা করেন মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড' (১৯৭৬)।
- উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে এ ঘটনা নিয়ে তিনি গল্প লেখেন; পরবর্তীতে উপন্যাসে রূপান্তরিত করেন।
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘অনীল বাগচীর একদিন’ ।
তাঁর রচিত আরও কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসঃ
- জোছনা ও জননীর,
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- ১৯৭১, নির্বাসন,
- সূর্যের দিন।
১৯৭১ সালের মার্চে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটতে থাকে।এমনই একদল আশ্রয় সন্ধানীর পলায়নের কাহিনী নিয়ে 'শ্যামল ছায়া' (২০০৩) .২০০৪ সালে ঔপন্যাসিক এটি চলচ্চিত্রে রুপদান করেন ।
-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে সংঘটিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক কবিতা ‘একুশের গান'।
-গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ এবং বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। উল্লেখ্য, বর্তমানে গানটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।
-হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) সাহিত্য সংকলনে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
-১৯৫৪ সালের প্রভাত ফেরীতে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
-১৯৬৯ সালে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে গানটি প্রথম ব্যবহার করা হয়।
-গানটি মোট ১২টি ভাষায় গাওয়া হয়। কবিতাটির / গানটির বিখ্যাত পঙ্ক্তি- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি। / ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু-গড়া এ ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি ।
প্যাকেজ প্রয়োজন
প্রিমিয়াম প্যাকেজ প্রয়োজন
সকল বিষয়ের প্রশ্ন সার্চ, অধ্যায়ভিত্তিক ফিল্টার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহের প্রশ্ন আনলক করতে একটি প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করুন।
৮০,০০০+ বিগত সালের ও অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের সমাধান
স্মার্ট বিষয়, অধ্যায় ও ট্যাগ ভিত্তিক দ্রুত ফিল্টারিং