- জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন '. ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সালে বর্তমান শহিদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন পর্যন্ত চলমান আন্দোলন ,জনতার সম্মিলন ,ছাত্র /ছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ,তাদের প্রেম -প্রণয় ইত্যাদি এ উপন্যাসের মূল বিষয় .
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ্র মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যশোরের কালীগঞ্জের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে সেলিনা হোসেন রচনা করেন মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড ' ।
- হাসান আজিজুল হক রচিত উপন্যাস 'জীবন ঘষে আগুন '.
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক 'কবর'। উল্লেখ্য ,জসীমউদ্দীনের 'কবর 'নামে একটি কবিতা রয়েছে।
- একাত্তরের দিনগুলি বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক জাহানারা ইমাম রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক দিনলিপি।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকা শহরের অবস্থা ও গেরিলা তৎপরতার বাস্তব চিত্র এতে উঠে এসেছে।
- বইটিতে তার সন্তান শফি ইমাম রুমী অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখা দেয় এবং তার মৃত্যুর জন্য জাহানারা ইমাম শহীদ জননী উপাধি পান।
- গ্রন্থটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এইসব দিনরাত্রি’ হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস।
- ‘নূরলদীনের সারা জীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য।
- আগুনের পরশমণি এটি ১৯৯৪-এর একটি বাংলাদেশী স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- এটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ, এটি তাঁর নিজের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করেন এবং এটিই তাঁর পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- একাত্তরের চিঠি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে লেখা ৮২ টি চিঠির একটি সংকলন।
- দৈনিক প্রথম আলো ও গ্রামীনফোনের উদ্যোগে চিঠিগুলো সংগ্রহ করা হয়।
- সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয় চৈত্র ১৪১৫, মার্চ ২০০৯ এ।
- সালাউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সম্পাদনা পরিষদে আরও ছিলেন আমিন আহম্মেদ চৌধুরী, রশীদ হায়দার, সেলিনা হোসেন এবং নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র-
- Stop Genocide: জহির রায়হান
- ওরা ১১ জন : চাষী নজরুল ইসলাম
- আবার তোরা মানুষ হ : খান আতাউর রহমান
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড : চাষী নজরুল ইসলাম
- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী : সুভাষ দত্ত
- A Search for Identity গ্রন্থটির রচয়িতা মেজর আব্দুল জলিল।
- মেজর রফিকুল ইসলাম রচনা করেছেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ— প্রতিরোধের প্রথম প্রহর, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এবং শেখ মুজিব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম।
-''স্বাধীনতা'' কবিতাটি রচনা করেন শামসুর রাহমান। তার রচিত দুটি কবিতার নাম-- স্বাধীনতা তুমি, তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা ।
-মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি লিখতেন মজলুম আদিব ছদ্মনামে।
১৯৫২ সালের পটভূমিতে মুনীর চৌধুরী রচিত ''কবর'' ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক। মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ''কবর'নাটকটি রচনা করেন।
মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটকঃ
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- কবর,
- চিঠি,
- দন্ডকারণ্য।
অনুবাদ নাটকঃ
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক ‘কবর’ (১৯৬৬)।
- মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে ১৯৫২-৫৪ সাল পর্যন্ত কারাভোগ করেন।
- বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশিয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন।
- তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২), 'মানুষ' (১৯৪৭), 'নষ্ট ছেলে' (১৯৫০), ‘দণ্ডকারণ্য’ (১৯৬৬), ‘রাজার জন্মদিন' (১৯৪৬), 'চিঠি'।
উল্লেখ্য, জসীমউদ্দীনের 'কবর 'নামে একটি কবিতা রয়েছে।
‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম কবিতা।
- মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী প্রগতিশীল মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
- "আমার পূর্ব বাংলা" কবিতার রচয়িতা সৈয়দ আলী আহসান।
- তার উল্লেখযোগ্য কিছু কাব্যগ্রন্থ-- অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত, রজনীগন্ধা, সহসা সচকিত ইত্যাদি।
- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ।