-''স্বাধীনতা'' কবিতাটি রচনা করেন শামসুর রাহমান। তার রচিত দুটি কবিতার নাম-- স্বাধীনতা তুমি, তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা ।
-মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি লিখতেন মজলুম আদিব ছদ্মনামে।
১৯৫২ সালের পটভূমিতে মুনীর চৌধুরী রচিত ''কবর'' ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক। মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ''কবর'নাটকটি রচনা করেন।
মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটকঃ
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- কবর,
- চিঠি,
- দন্ডকারণ্য।
অনুবাদ নাটকঃ
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম নাটক ‘কবর’ (১৯৬৬)।
- মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার কারণে ১৯৫২-৫৪ সাল পর্যন্ত কারাভোগ করেন।
- বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশিয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন।
- তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২), 'মানুষ' (১৯৪৭), 'নষ্ট ছেলে' (১৯৫০), ‘দণ্ডকারণ্য’ (১৯৬৬), ‘রাজার জন্মদিন' (১৯৪৬), 'চিঠি'।
উল্লেখ্য, জসীমউদ্দীনের 'কবর 'নামে একটি কবিতা রয়েছে।
‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম কবিতা।
- মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী প্রগতিশীল মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
- "আমার পূর্ব বাংলা" কবিতার রচয়িতা সৈয়দ আলী আহসান।
- তার উল্লেখযোগ্য কিছু কাব্যগ্রন্থ-- অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত, রজনীগন্ধা, সহসা সচকিত ইত্যাদি।
- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ।