দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য (রিকভারেবল) সাত দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তবে, প্রতিদিন গ্যাস সরবরাহে প্রায় ১ হাজার ১৪৬ মিলিয়ন ঘনফুট ঘাটতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সূত্রঃকালবেলা
দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মসূচির আওতায় ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এর মধ্যে ইতোমধ্যে ২৮টি কূপে খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।’ অবশিষ্ট কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলা এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সূত্রঃকালবেলা
- জাহানারা ইমাম শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত। তাঁর সর্বাধিক খ্যাতির কারণ স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'র জন্য।
- 'শহিদ জননী জাহানারা ইমামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দিনলিপি 'একাত্তরের দিনগুলি' । জাহানারা ইমামের লেখা ব্যক্তিগত ডায়েরী থেকে ১ মার্চ, ১৯৭১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি নিয়ে ১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একাত্তরের দিনগুলি' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
- ‘সাতটি তারার ঝিকিমিকি' (১৯৭৩),
- 'অন্য জীবন' (১৯৮৫),
- একাত্তরের দিনগুলি' (১৯৮৬),
- 'বিদায় দে মা ঘুরে আসি(১৯৮৯),
- 'বুকের ভিতর আগুন' (১৯৯০),
- 'নিঃসঙ্গ পাইন' (১৯৯০),
- 'নাটকের অবসান' (১৯৯০),
- 'ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস' (১৯৯১),
- প্রবাসের দিনগুলি (১৯৯২)।
একাত্তরের দিনগুলি, আমি বীরাঙ্গনা বলছি, বকুলপুরের স্বাধীনতা--- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ।
বিরহ বিলাপ--কায়কোবাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ, এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ নয়।
আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাইফেল রোটি আওরাত '। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আনোয়ার পাশা এপ্রিল এটি রচনা করেন এবং জুন মাসে সমাপ্ত করেন .
- ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদালয় এলাকায় যে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ,তার বিস্তারিত বর্ণনা আছে এ উপন্যাসে ।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলাে হচ্ছে - ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন' এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম । এছাড়াও তার পরিচালক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কয়েকটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো- সংগ্রাম (১৯৭৪), হাঙ্গর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭), মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) এবং ধ্রুবতারা ।
- মমতাজউদ্দিন আহমেদ রচিত ‘কী চাহ শঙ্খচিল’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি নাটক।
- তার রচিত আরও কিছু নাটক- স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, বকুলপুরের স্বাধীনতা, সাত ঘাটের কানাকড়ি ইত্যাদি।
আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত ''নরকে লাল গোলাপ'' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি নাটক।
অন্যনা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকঃ
- মমতাজ উদ্দিন আহমদ রচিত "বর্ণচোর ও বকুলফুলের স্বাধীনতা"
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত "পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়"
আবদুল গাফফার চৌধুরী (জন্ম : ১২ ডিসেম্বর ১৯৩৪) একজন সুপরিচিত বাংলাদেশী গ্রন্থকার, কলাম লেখক। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো" এর রচয়িতা। স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারে মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক জয় বাংলার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। গাফফার বরিশাল জেলার এক জলবেষ্টিত গ্রাম উলানিয়ার চৌধুরী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'চরমপত্র ' খ্যাত এম আর আখতার মুকুলের আত্মকাহিনী ভিত্তিক উপন্যাস 'আমি বিজয় দেখেছি ' । - এটি মূলত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্ভর কাহিনীর আলোকে রচিত । - বইটির অংশ বিশেষ সাপ্তাহিক স্বদেশ পত্রিকায় ৭৭ টি সংখ্যায় 'চরমপত্রের স্মৃতিচারণ ' নামে প্রথম ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় । - পরবর্তীতে পুস্তাকারে প্রকাশিত হয় ১৬ ডিসেম্বর ,১৯৮৫ সালে । - বইটির কালগত সীমা প্রকৃতপক্ষে ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর হলেও লেখক প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারণা করতেই ফিরে গেছেন ব্রিটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে দেশ বিভাগ ,বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন , যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ,আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ,বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন ,ছেষট্টির ছয় দফা , আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা , সত্তরের নির্বাচন ,পাকিস্তানি শাসকদের ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানা ,৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পুরো প্রেক্ষাপট ,একাত্তর সালে বামপন্থী রাজনীতিবিদদের আচরণ ও রাজনৈতিক আন্দোলন , ২৫ মার্চ থেকে বিজয় পর্যন্ত প্রতিটি ঘটনার নির্মোহ বিশ্লেষণ করেছেন ।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল রচিত মুক্তযুদ্ধের কাব্যনাটক। এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সার্থক নাটক হিসেবে বিবেচিত হয়। - বাঙালির মুক্তির চেতনায় উজ্জীবন মূলক নাটক। - নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।
প্যাকেজ প্রয়োজন
প্রিমিয়াম প্যাকেজ প্রয়োজন
সকল বিষয়ের প্রশ্ন সার্চ, অধ্যায়ভিত্তিক ফিল্টার এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাসমূহের প্রশ্ন আনলক করতে একটি প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করুন।
৮০,০০০+ বিগত সালের ও অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্নের সমাধান
স্মার্ট বিষয়, অধ্যায় ও ট্যাগ ভিত্তিক দ্রুত ফিল্টারিং