- 'চরমপত্র ' খ্যাত এম আর আখতার মুকুলের আত্মকাহিনী ভিত্তিক উপন্যাস 'আমি বিজয় দেখেছি ' । - এটি মূলত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্ভর কাহিনীর আলোকে রচিত । - বইটির অংশ বিশেষ সাপ্তাহিক স্বদেশ পত্রিকায় ৭৭ টি সংখ্যায় 'চরমপত্রের স্মৃতিচারণ ' নামে প্রথম ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় । - পরবর্তীতে পুস্তাকারে প্রকাশিত হয় ১৬ ডিসেম্বর ,১৯৮৫ সালে । - বইটির কালগত সীমা প্রকৃতপক্ষে ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর হলেও লেখক প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারণা করতেই ফিরে গেছেন ব্রিটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে দেশ বিভাগ ,বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন , যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ,আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ,বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন ,ছেষট্টির ছয় দফা , আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা , সত্তরের নির্বাচন ,পাকিস্তানি শাসকদের ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানা ,৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পুরো প্রেক্ষাপট ,একাত্তর সালে বামপন্থী রাজনীতিবিদদের আচরণ ও রাজনৈতিক আন্দোলন , ২৫ মার্চ থেকে বিজয় পর্যন্ত প্রতিটি ঘটনার নির্মোহ বিশ্লেষণ করেছেন ।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল রচিত মুক্তযুদ্ধের কাব্যনাটক। এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সার্থক নাটক হিসেবে বিবেচিত হয়। - বাঙালির মুক্তির চেতনায় উজ্জীবন মূলক নাটক। - নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।
- ১৯৭৭ সালে হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের 'মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রকল্প' এর প্রধান নিযুক্ত হন। - তাঁর সম্পাদনায় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ : দলিলপত্র' (১৯৮২-৮৩) ১৫ খণ্ডে ১৯৮২-৮৩ সালে প্রকাশিত হয়।