বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
ভূগর্ভস্থ 'ক্ষেপণাস্ত্র শহর' প্রদর্শন করল ইরান
আঞ্চলিক উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার হুমকির মধ্যে মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স ঘাঁটিটি উন্মোচন করে। এতে দেশটির অস্ত্র কর্মসূচির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই সামরিক নেতা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসেইন বাঘেরি ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের অ্যারোস্পেস ফোর্স কমান্ডার আমির আলী হাজিজাদেহকে একটি সামরিক গাড়িতে করে একটি দীর্ঘ অস্ত্র-ভর্তি সুড়ঙ্গের মধ্যদিয়ে টহল দিতে দেখা যায়। হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র বোঝাই নতুন ঘাঁটিটিকে 'ক্ষেপণাস্ত্র শহর' বলছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। যেখানে হাজার হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যেমন খাইবার সেকান, শহীদ হাজ কাশেম কদর, এইচ শেজিল, এমাদ এবং অন্যান্য মিসাইলের অস্তিত্ব দেখা যাচ্ছে।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নতুন মেয়াদে শপথ নিয়েছেন আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। এ নিয়ে সপ্তমবারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন তিনি।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বেলারুশ। স্বাধীনতার পর দেশটির অস্থায়ী সরকারপ্রধান ছিলেন সাবেক সোভিয়েত বেলারুশ অঙ্গরাজ্যের চেয়ারম্যান স্তানিস্লাভ শুশকেভিচ। ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয় বেলারুশে এবং তাতে জয়ী লুকাশেঙ্কো। তারপর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৭ বার প্রেসিডেন্ট নির্বচন হয়েছে বেলারুশে, প্রতিবারই জয় পেয়েছেন তিনি।
বেলারুশের সংবিধান অনুসারে দেশটির প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৫ বছরের। সেই হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর গত ৩৩ বছরের মধ্যে ৩০ বছরই দেশটির সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের পদে রয়েছেন লুকাশেঙ্কো। সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে তার রাষ্ট্রের শীর্ষপদে থাকার মেয়াদ আরও ৫ বছর বাড়ল; অর্থাৎ আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত বেলারুশের প্রেসিডেন্ট পদে থাকছেন তিনি।
চেরি ফুল নিয়ে উদযাপিত হয় এই হানামি উৎসব। জাপানি শব্দ হানামির বাংলা ‘সবাই মিলে চেরি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করা।
চেরি ফুল জাপানের জাতীয় ফুল। আর এই ফুল নিয়ে প্রায় দেড় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানিরা পালন করে আসছে উৎসব 'হানামি'।
চেরি ফুলকে জাপানিরা ডাকে সাকুরা নামে। জাপানে এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে চেরি ফুল ফোটে না।
খুব ক্ষণস্থায়ী জীবন এই চেরি ফুলের। মূলত মার্চ মাসের শেষের দিকে এবং এপ্রিলের শুরুতে জাপানে চেরি ব্লসমের দেখা মিলে। এই পুরো সময়টা জুড়েই জাপানিদের উৎসাহ ও আনন্দের বাধ ভেঙে যায়।
চেরি ফুলের গন্ধ মনমাতানো হলেও ফুলটি ক্ষণস্থায়ী যার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় জাপানিদের জীবন দর্শনেও। চেরি ফুল মানব জীবনের জন্যেও এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
চেরি ফুল নিয়ে উদযাপিত হয় এই হানামি উৎসব। জাপানি শব্দ হানামির বাংলা ‘সবাই মিলে চেরি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করা।
চেরি ফুল জাপানের জাতীয় ফুল। আর এই ফুল নিয়ে প্রায় দেড় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানিরা পালন করে আসছে উৎসব 'হানামি'।
চেরি ফুলকে জাপানিরা ডাকে সাকুরা নামে। জাপানে এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে চেরি ফুল ফোটে না।
খুব ক্ষণস্থায়ী জীবন এই চেরি ফুলের। মূলত মার্চ মাসের শেষের দিকে এবং এপ্রিলের শুরুতে জাপানে চেরি ব্লসমের দেখা মিলে। এই পুরো সময়টা জুড়েই জাপানিদের উৎসাহ ও আনন্দের বাধ ভেঙে যায়।
চেরি ফুলের গন্ধ মনমাতানো হলেও ফুলটি ক্ষণস্থায়ী যার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় জাপানিদের জীবন দর্শনেও। চেরি ফুল মানব জীবনের জন্যেও এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।