প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ অন্নপূর্ণা-১ অভিযানে নেপালে যাচ্ছেন এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী বাবর আলী। এরআগে ২০২৪ সালে একই অভিযানে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে আরোহণ করেন তিনি। নেপালের গণ্ডকী প্রদেশে অবস্থিত ২৬ হাজার ৫৪৫ ফুট উচ্চতার অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গটি বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে স্বীকৃত।
সবার আগে ২০২৬ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে জাপান। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাকে বাদ দিলে নীল সামুরাই প্রথম দল হিসেবে আসন্ন বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে। সব মিলিয়ে টানা অষ্টমবারের মতো বিশ্ব আসরে জায়গা পেয়েছে তারা। সম্প্রতি, এশিয়ান অঞ্চলের বাছাই পর্বে বাহরাইনকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে জাপান। এবারের বিশ্বকাপে মোট ৪৮ দল অংশ নেবে। তার মধ্যে এশিয়া অঞ্চল থেকে সুযোগ পাবে ৮ দল।
ইন্টেল ১.৮ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির সেমিকন্ডাক্টর ওয়েফার তৈরিতে সফল হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনায় অবস্থিত ইন্টেলের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় তৈরি হয়েছে এই ওয়েফার, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘১৮এ’। একে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলছেন ইন্টেলের প্রকৌশলীরা। প্রসেসরের পাশাপাশি বেশ কয়েক ধরনের সেমিকন্ডাক্টর চিপ উৎপাদনে ভূমিকা রাখবে এই প্রযুক্তি—এমনটাই আশা করছেন গবেষকরা।
অন্নপূর্ণা-১ নেপালের হিমালয় পর্বতমালা-এর অন্তর্গত। এটি গণ্ডকী প্রদেশ-এ অবস্থিত, এবং নেপালের পশ্চিম অংশে অবস্থিত অন্যতম প্রধান পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত।
অন্নপূর্ণা-১-এর উচ্চতা প্রায় ৮,০৯১ মিটার (২৬,৫৪৫ ফুট)।
এটি বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ পর্বত।
অন্নপূর্ণা-১ পর্বত ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত। এর চূড়ায় আরোহণ করা অনেক পর্বতারোহীর জন্য কঠিন এবং মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশী।
অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২% পর্বতারোহী মৃত্যুবরণ করেছেন, যা এটি একে বিশ্বে সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্বতগুলোর মধ্যে একটি করে তোলে।
১৯৫০ সালে ফরাসি পর্বতারোহী দল মরিস হারজগ (Maurice Herzog) এবং তার সঙ্গী লুই লাশেনাল (Louis Lachenal) প্রথমবারের মতো সফলভাবে অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
এই অভিযানে তারা শৃঙ্গের চূড়ায় উঠতে পারলেও, উল্লিখিত বিপদজনক পরিস্থিতির কারণে তাদের ফিরে আসতে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়, এবং তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হন।
অন্নপূর্ণা-১ নেপালের হিমালয় পর্বতমালা-এর অন্তর্গত। এটি গণ্ডকী প্রদেশ-এ অবস্থিত, এবং নেপালের পশ্চিম অংশে অবস্থিত অন্যতম প্রধান পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত।
অন্নপূর্ণা-১-এর উচ্চতা প্রায় ৮,০৯১ মিটার (২৬,৫৪৫ ফুট)।
এটি বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ পর্বত।
অন্নপূর্ণা-১ পর্বত ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত। এর চূড়ায় আরোহণ করা অনেক পর্বতারোহীর জন্য কঠিন এবং মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশী।
অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২% পর্বতারোহী মৃত্যুবরণ করেছেন, যা এটি একে বিশ্বে সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্বতগুলোর মধ্যে একটি করে তোলে।
১৯৫০ সালে ফরাসি পর্বতারোহী দল মরিস হারজগ (Maurice Herzog) এবং তার সঙ্গী লুই লাশেনাল (Louis Lachenal) প্রথমবারের মতো সফলভাবে অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
এই অভিযানে তারা শৃঙ্গের চূড়ায় উঠতে পারলেও, উল্লিখিত বিপদজনক পরিস্থিতির কারণে তাদের ফিরে আসতে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়, এবং তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হন।
অন্নপূর্ণা-১ নেপালের হিমালয় পর্বতমালা-এর অন্তর্গত। এটি গণ্ডকী প্রদেশ-এ অবস্থিত, এবং নেপালের পশ্চিম অংশে অবস্থিত অন্যতম প্রধান পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত।
অন্নপূর্ণা-১-এর উচ্চতা প্রায় ৮,০৯১ মিটার (২৬,৫৪৫ ফুট)।
এটি বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ পর্বত।
অন্নপূর্ণা-১ পর্বত ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক শৃঙ্গ হিসেবে পরিচিত। এর চূড়ায় আরোহণ করা অনেক পর্বতারোহীর জন্য কঠিন এবং মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশী।
অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩২% পর্বতারোহী মৃত্যুবরণ করেছেন, যা এটি একে বিশ্বে সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্বতগুলোর মধ্যে একটি করে তোলে।
১৯৫০ সালে ফরাসি পর্বতারোহী দল মরিস হারজগ (Maurice Herzog) এবং তার সঙ্গী লুই লাশেনাল (Louis Lachenal) প্রথমবারের মতো সফলভাবে অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
এই অভিযানে তারা শৃঙ্গের চূড়ায় উঠতে পারলেও, উল্লিখিত বিপদজনক পরিস্থিতির কারণে তাদের ফিরে আসতে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়, এবং তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হন।
নেপাল আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের ২৩ নভেম্বর স্বল্পোন্নত দেশ (LDC - Least Developed Country) এর তালিকা থেকে বের হবে বলে নির্ধারিত হয়েছে।
২০২১ সালে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (CDP) নেপালকে LDC থেকে উত্তরণের জন্য উপযুক্ত বলে সুপারিশ করে।
২০২৬ সাল পর্যন্ত একটি গ্র্যাজুয়েশন প্রস্তুতি সময়কাল (transition period) নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে নেপাল অর্থনৈতিক, অবকাঠামো এবং সামাজিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারে।
সঠিক উত্তর
1 (সম্মিলিতভাবে আবহাওয়ার সতর্কবার্তার বাধা দূরীকরণ)
ব্যাখ্যা:
প্রতি বছর ২৩ মার্চ তারিখে পালিত হয়।
১৯৫১ সাল থেকে বিশ্বে ২৩ মার্চ বিশ্বআবহাওয়া দিবস পালিত হয়ে আসছে।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশসহ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘সম্মিলিতভাবে আবহাওয়ার সতর্কবার্তার বাধা দূরীকরণ’।
১৯৫১ সাল থেকে বিশ্বে ২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হয়ে আসছে।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশসহ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘সম্মিলিতভাবে আবহাওয়ার সতর্কবার্তার বাধা দূরীকরণ’।
বর্তমানে (২০২৫ সালে) বাংলাদেশে ১৩টি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, সিউরক্যাশ, এমক্যাশ ইত্যাদি। এমএফএস সেবার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রাহক সংখ্যা ও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা ২৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ২৯৯ জন।
‘কুরুম্বি’ নামের একটি ছাগল সম্প্রতি বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে, কারণ এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে খাটো ছাগল হিসেবে স্বীকৃত। ছাগলটির উচ্চতা মাত্র ২০ ইঞ্চি (প্রায় ৫১ সেন্টিমিটার)। এটি ভারতের কেরালা রাজ্যের অন্তর্গত।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ ‘কুরুম্বি’-কে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। ছাগলটির ছোট আকৃতি ও আকর্ষণীয় স্বভাব অনেকের মন কেড়েছে।
ছোট আকার হলেও ‘কুরুম্বি’ পুরোপুরি সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। এর মালিক জানিয়েছেন, তারা খুব যত্ন নিয়ে ছাগলটিকে লালন-পালন করেন।