স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (SIPRI)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ ইউক্রেন।
২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেন সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করেছে।
২০২০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সারা বিশ্বজুড়ে যে অস্ত্র রপ্তানি হয়েছে, তার নয় শতাংশ হয়েছে ইউক্রেনে।
৩৫টি দেশ ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়েছে, তার মধ্যে ৪৫ শতাংশ অস্ত্র গেছে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
⇒ বৈশ্বিক অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ:
• ১ম: ইউক্রেন।
• ২য়: ভারত।
• ৩য়: কাতার।
• ৪র্থ: সৌদি আরব।
• ৫ম: পাকিস্তান।
উল্লেখ্য
- বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে তারা ১০৭টি দেশকে অস্ত্র দিয়েছে। মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪৩ শতাংশ অ্যামেরিকা থেকে হয়।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (SIPRI)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ ইউক্রেন।
২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেন সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করেছে।
২০২০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সারা বিশ্বজুড়ে যে অস্ত্র রপ্তানি হয়েছে, তার নয় শতাংশ হয়েছে ইউক্রেনে।
৩৫টি দেশ ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়েছে, তার মধ্যে ৪৫ শতাংশ অস্ত্র গেছে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
⇒ বৈশ্বিক অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ:
• ১ম: ইউক্রেন।
• ২য়: ভারত।
• ৩য়: কাতার।
• ৪র্থ: সৌদি আরব।
• ৫ম: পাকিস্তান।
উল্লেখ্য
- বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে তারা ১০৭টি দেশকে অস্ত্র দিয়েছে। মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪৩ শতাংশ অ্যামেরিকা থেকে হয়।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (SIPRI)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ ইউক্রেন।
২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেন সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করেছে।
২০২০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সারা বিশ্বজুড়ে যে অস্ত্র রপ্তানি হয়েছে, তার নয় শতাংশ হয়েছে ইউক্রেনে।
৩৫টি দেশ ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়েছে, তার মধ্যে ৪৫ শতাংশ অস্ত্র গেছে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
⇒ বৈশ্বিক অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ:
• ১ম: ইউক্রেন।
• ২য়: ভারত।
• ৩য়: কাতার।
• ৪র্থ: সৌদি আরব।
• ৫ম: পাকিস্তান।
উল্লেখ্য
- বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ২০২০ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে তারা ১০৭টি দেশকে অস্ত্র দিয়েছে। মোট অস্ত্র রপ্তানির ৪৩ শতাংশ অ্যামেরিকা থেকে হয়।