বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৬৮৮+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর 1 (৪০টি দেশ)
ব্যাখ্যা:
পর্যটন খাতকে চাঙা করতে ৪০ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি মওকুফ করেছে শ্রীলঙ্কা। তবে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, নেপাল ও পাকিস্তান এ সুবিধা পেলেও তালিকায় জায়গা হয়নি বাংলাদেশের। গত ২৫ মে থেকে ৪০ দেশের নাগরিকদের জন্য ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথোরাইজেশন (ইটিএ) ইস্যুতে ভিসা ফি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার।সূত্রঃ ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর 2 (ভুট্টা)
ব্যাখ্যা:
চীনের গবেষকরা ভুট্টায় প্রোটিন উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ জিন (টিএইচপি৩-টি) শনাক্ত করেছেন, যা ভবিষ্যতে সয়াবিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন শনাক্ত হওয়া জিনটি ২০২২ সালে আবিষ্কৃত টিএইচি৯-টি জিনের সঙ্গে একত্রে ব্যবহার করলে ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো (১৫ শতাংশ পর্যন্ত) সম্ভব।টিএইচপি৩-টি জিনটি উদ্ভিদের নাইট্রোজেন বিপাক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন
সঠিক উত্তর 2 (৭০ শতাংশ)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বকোষ ‘এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা’ অনুযায়ী, আন্টার্কটিক বরফের চাদর (আইস শিট)-এর আয়তন প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ ঘন কিলোমিটার। এই বরফের চাদরে রয়েছে বিশ্বের মোট মিষ্টি পানির (ভূগর্ভস্থ পানিসহ) প্রায় ৭০ শতাংশ। অর্থাৎ, পৃথিবীর একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এই বরফের চাদরে পৃথিবীর মোট মিষ্টি পানির দশ ভাগের সাত ভাগই গচ্ছিত রয়েছে। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন
সঠিক উত্তর 1 (ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে)
ব্যাখ্যা:
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে ৮ জুন, ২০২৬ তারিখে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৭.৮। জিএফজেড জানায়, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্পের উৎপত্তি।ভূমিকম্পের পরপরই ফিলিপাইন আর প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার ভূপদার্থবিজ্ঞান সংস্থাগুলো সুনামি সতর্কতা জারি করেছে। ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। উভয় দেশই ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’–এর অন্তর্ভুক্ত। সূত্রঃপ্রথম আলো
সঠিক উত্তর 2 (ফুকুওকা)
ব্যাখ্যা:
ফুকুওকায় গড়ে তোলা হয়েছে এশিয়ার প্রথম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ অজমোটিক পাওয়ার প্ল্যান্ট। সৌরবিদ্যুৎ ও বায়ুবিদ্যুৎ নিয়ে সারা বিশ্ব যখন তর্কবিতর্কে ব্যস্ত, ঠিক তখনই জাপান একেবারে নীরবে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করে ফেলেছে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো সোলার প্যানেল নেই, নেই কোনো বিশাল উইন্ড টারবাইন। জীবাশ্ম জ্বালানির তো কোনো নামগন্ধই নেই।অজমোটিক পাওয়ারের ধারণাটি মূলত অভিস্রবণের নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সূত্রঃপ্রথম আলো
প্যাকেজ প্রয়োজন