প্রতি দলে ৩ জন করে নিয়ে দল গঠিত হবে।
৬ জন থেকে ৩ জন করে নিয়ে মোট দল গঠনের উপায় =৬C৩= (৬)!/(৩!(৬-৩)!) = ২০
সমান সংখ্যক বা ৩ জন করে দুটি দলে বিভক্ত করার উপায় = ২০/২ = ১০
সমাধান:
3x - 2 > 2x - 1 ⇒
3x - 2x > 2-1 ⇒
x > 1
বুঝা যাচ্ছে সমধান হচ্ছে, x, 1 এর চেয়ে বড় যেকোনো সংখ্যা। অর্থাৎ, ২ থেকে অসীম
পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা। এখন এটা আমাদেরকে সংকেত দিয়ে প্রকাশ করতে হবে।
(12, ∞)
এটা আমাদের সমধানকে আংশিকভাবে সিদ্ধ করে কিন্তু এটা পূর্ণাঙ্গ সমধানের প্রকাশ নয়।
২টা অপশন আমাদের সম্ভাব্য উত্তর, [1,∞), (1,∞)
[1,∞)
- এটার মানে হচ্ছে ১ থেকে অসীম পর্যন্ত।[দেয়ার কারণে ১ সমাধানে ধরতে হবে।
(1,∞)
- এটার মানে হচ্ছে ২ থেকে অসীম পর্যন্ত।(দেয়ার কারণে ১ সমাধানে ধরা হবে না। ∴
সমাধান সেট (1, ∞)
সমাধান:
১২% ক্ষতিতে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয় মূল্য = (১০০ - ১২) = ৮৮ টাকা
৮% লাভে,
বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৮) = ১০৮ টাকা।
∴
বিক্রয়মূল্যেদ্বয়ের পার্থক্য = (১০৮ - ৮৮) = ২০ টাকা।
বিক্রয় মূল্য ২০ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয় মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য ১০০/২০ টাকা ∴
বিক্রয় মূল্য ১২০০ টাকা বেশি হলে ক্রয় মূল্য (১০০ × ১২০০)/২০
= ৬০০০ টাকা।
√9
= 3 = মূলদ সংখ্যা √(27/48)
= √(9/16)
= 3/4 মূলদ সংখ্যা সঠিক উত্তর নেই। অমূলদ সংখ্যা:
যে সংখ্যাকে p/q আকারে
প্রকাশ করা যায় না, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠
0, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়।
- পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনাে স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি
অমূলদ সংখ্যা। যেমন√2
= 1.414213..., √3 = 1.732 ..., √11= 3.31662............
ইত্যাদি অমূলদ
সংখ্যা।
- কোনাে অমূলদ সংখ্যাকে দুইটিপূর্ণ সংখ্যার অনুপাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় না।
- অমূলদ সংখ্যাকে একটি
মূলদ সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে অমূলদ সংখ্যা পাওয়া যায়।
নিশ্চায়ক ধনাত্মক হলে, মূল দুইটি বাস্তব ও অসমান হবে। ∴
মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান।
ধরি a, b, c মূলদ সংখ্যা। তাহলে
1) b2- 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ
হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ হবে।
2) b2- 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ
না হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ হবে।
3) b2- 4ac = 0 হলে সমীকরণটির
মূলদ্বয় বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।
4) b2- 4ac < 0
অর্থাৎ ঋণাত্মক হলে সমীকরণটির বাস্তব মূল নাই।
বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর প্রতি অর্থ বছরে দুই বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর- এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে-এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঠিক করা হয়। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।