বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
আবু জাফর শামসুদ্দীন (১৯১১–১৯৮৮): সাংবাদিক ও সাহিত্যিক; জন্ম— গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে। উপন্যাস: ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, পদ্মা মেঘনা যমুনা, সংকর সংকীর্তন, দেয়াল। গল্পগ্রন্থ: জীবন, রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা, ল্যাংড়ী।
আল মাহমুদ (১৯৩৬–২০১৯): কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক। লোক লোকান্তর (১৯৬৩)— তাঁকে খ্যাতিমান কবিদের সারিতে প্রতিষ্ঠিত করে। কাব্যগ্রন্থ: সোনালী কাবিন, পাখির কাছে ফুলের কাছে, লোক লোকান্তর, কালের কলস, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না। উপন্যাস: ডাহুকী, উপমহাদেশ, আগুনের মেয়ে, চেহারার চতুরঙ্গ, কাবিলের বোন। গল্পগ্রন্থ: পানকৌড়ির রক্ত, সৌরভের কাছে পরাজিত, গন্ধবণিক, ময়ূরীর মুখ।
এ.এন.এম. বজলুর রশিদ (১৯১১–১৯৮৬): শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, কবি ও ঔপন্যাসিক; আমাদের দেশ— শিশুদের জনপ্রিয় ছড়া। পুরস্কার: তমঘা-ই-ইমতিয়াজ (১৯৬৯), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)। কাব্যগ্রন্থ: পান্থবীণা (১৯৪৭), মরুসূর্য (১৯৬০), শীতে বসন্তে (১৯৬৭), রঙ ও রেখা, এক ঝাঁক পাখি (১৯৬৯), মৌসুমী মন (১৯৭০), মেঘ বেহাগ (১৯৭১), রক্ত কমল (১৯৭২)।
মর্সিয়া: আরবি শব্দ; অর্থ— শোক প্রকাশ করা। কারবালায় ইমাম হোসেন ও অন্যান্য শহিদের শাহাদাতকে উপজীব্য করে রচিত শোকগাথাকে মর্সিয়া সাহিত্য বলা হয়। প্রথম কবি: শেখ ফয়জুল্লাহ— জয়নবের চৌতিশা। জঙ্গনামা: দৌলত উজির বাহরাম খান; বিষয়— কারবালার বিষাদময় যুদ্ধ-বিগ্রহ।
আবুল মনসুর আহমদ: আবে হায়াত— উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৬৮; কেন্দ্রীয় চরিত্র— হামিদ। উল্লেখযোগ্য রচনা: হুযুর কেবলা (১৯৩৫), সত্য মিথ্যা (১৯৫৩), জীবনক্ষুধা (১৯৫৫), বাংলাদেশের কালচার (১৯৬৬), আবে হায়াত (১৯৬৮)।
জহির রায়হান: প্রকৃত নাম— মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ। কয়েকটি মৃত্যু— উপন্যাস। উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী, শেষ বিকেলের মেয়ে, আর কত দিন, কয়েকটি মৃত্যু, তৃষ্ণা। পরিচালিত চলচ্চিত্র: সোনার কাজল, কাঁচের দেয়াল, বাহানা, বেহুলা, আনোয়ারা, সঙ্গম, জীবন থেকে নেয়া।
সুকান্ত ভট্টাচার্য: আঠারো বছর বয়স— ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত; মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। ছাড়পত্রের উল্লেখযোগ্য কবিতা: ছাড়পত্র, আঠারো বছর বয়স, রানার, হে মহাজীবন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: একরাত্রি গল্পের নায়িকা— সুরবালা। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ফটিক— ছুটি; রতন— পোস্টমাস্টার; মৃন্ময়ী— সমাপ্তি; চারু— নষ্টনীড়; কাদম্বিনী— জীবিত ও মৃত; রহমত ও খুকী— কাবুলিওয়ালা; কল্যাণী— অপরিচিতা; অপু— হৈমন্তী।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ: চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪)— মনোসমীক্ষণমূলক উপন্যাস; তাঁর প্রথম উপন্যাস— লালসালু। নাটক: বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ, উজানের মৃত্যু।
জীবনানন্দ দাশ: বরিশালে জন্ম; কবিতার কথা— বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উক্তি— “সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।” উপাধি: ধূসরতার কবি, নির্জনতার কবি, তিমি হননের কবি, রূপসী বাংলার কবি। কাব্যগ্রন্থ: ঝরাপালক, ধূসর, সাতটি তারার তিমির, পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, রূপসী বাংলা, বেলা অবেলা কালবেলা।
জয়দেব: মধ্যযুগের কবি; সংস্কৃত ভাষায় কাব্য রচনা করেন। গীতগোবিন্দ: রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত; ১২ সর্গে ২৮৬টি শ্লোক ও ২৪টি গীত নিয়ে গঠিত। এটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। বৈষ্ণব পদাবলির কবি: জয়দেব, বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস।