বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য পাবনার রূপপুরে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে, তৎকালীন পাকিস্তান আমলে。 পরবর্তীতে ১৯৬৩-১৯৬৪ সালের দিকে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পূর্ণ জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়。
প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত তথ্য:স্থান: ঈশ্বরদী উপজেলা, পাবনাপ্রাথমিক উদ্যোগ: ১৯৬১ সালবর্তমান অবস্থা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম স্থাপন করা হয়েছে এবং এটি উৎপাদনে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে
'কে-টু' (K2), 'সিবরিসিনেক' (Sivrisinek) এবং 'মিজরাক' (Mızrak) নামের তিনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পন্ন ড্রোন উন্মোচন করেছে তুরস্ক।তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বায়কার অত্যাধুনিক এই কামিকাজে (আত্মঘাতী) ও স্ট্রাইক ড্রোনগুলো তৈরি করেছে। ড্রোনের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
কে-টু (K2): এটি দুই হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পাল্লায় ২০০ কেজির বেশি বিস্ফোরক বহন করতে পারে। এটি দীর্ঘ দূরত্বে নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম। বায়কার কে-টু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাদের অফিসিয়াল সাইটে রয়েছে।
সিবরিসিনেক (Sivrisinek): ১,০০০ কিলোমিটারের বেশি স্ট্রাইক রেঞ্জের এই ড্রোনটি শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে এবং একই সাথে সমন্বিত সোয়ার্ম (দলবদ্ধ) আক্রমণে ভূমিকা রাখার জন্য নকশা করা হয়েছে।
মিজরাক (Mızrak): ১,০০০ কিলোমিটার পাল্লার এই মাল্টি-রোল কামিকাজে ড্রোনটি মূলত ৪০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে বায়কার মিজরাক এর প্রযুক্তিগত প্রোফাইল অনুযায়ী।