বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: সাম্য— প্রবন্ধগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৮৯৯। অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: লোকরহস্য, বিজ্ঞানরহস্য, বিবিধ সমালোচনা, কৃষ্ণচরিত্র, ধর্মতত্ত্ব, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
আনোয়ারা সৈয়দ হক: হে সন্তপ্ত সময়— উপন্যাস; বিষয়— ১৯৭৫–৮১ সময়কালে ইউরোপ ও ভারতে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার সংগ্রামমুখর জীবন। প্রকাশক: আগামী প্রকাশনী।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: ছোটগল্প, গদ্যছন্দ ও আধুনিক নৃত্যনাট্যের জনক। বিজন ভট্টাচার্য: নব্যনাট্য আন্দোলনের জনক। গেরাসিম লেবেদফ: বাংলা রঙ্গমঞ্চের জনক।
কাজী নজরুল ইসলাম: মৃত্যুক্ষুধা— উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৩০। উপজীব্য: নদীয়ার চাঁদ সড়কের দরিদ্র মানুষের জীবনকাহিনি।
দীনবন্ধু মিত্র: নীলদর্পণ— নাটক; রচনা— ১৮৬০। এটি নীলকরদের অত্যাচারভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক নাটক। নাটক: নীলদর্পণ, নবীন তপস্বিনী, কমলে কামিনী। প্রহসন: বিয়ে পাগলা বুড়ো, সধবার একাদশী, লীলাবতী, জামাই বারিক।
আল মাহমুদ: ডাহুকী— উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৯২। উল্লেখযোগ্য রচনা: লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬), আরব্য রজনীর রাজহাঁস, বখতিয়ারের ঘোড়া।
আবুল হুসেন: মুসলিম কালচার— প্রবন্ধ; প্রকাশ— ১৯২৮। উল্লেখযোগ্য রচনা: বাঙলার নদীসমস্যা, শতকরা পঁয়তাল্লিশ জের, সুদ-রিবা ও রেওয়াজ, নিষেধের বিড়ম্বনা, Helots of Bengal, Religion of Helots of Bengal।
আবুল হাসান: পৃথক পালঙ্ক— কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৭৫। অন্যান্য গ্রন্থ: রাজা যায় রাজা আসে (১৯৭২), যে তুমি হরণ করো (১৯৭৪), ওরা কয়েকজন (১৯৮৮)।
আবুল মনসুর আহমদ: আবে হায়াত— উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৬৮; কেন্দ্রীয় চরিত্র— হামিদ। উল্লেখযোগ্য রচনা: হুযুর কেবলা (১৯৩৫), সত্য মিথ্যা (১৯৫৩), জীবনক্ষুধা (১৯৫৫), বাংলাদেশের কালচার (১৯৬৬), আবে হায়াত (১৯৬৮)।
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ: নির্বাচিত কবিতা— কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৯১। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: সাত নরীর হার (১৯৫৫), কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০), কমলের চোখ (১৯৭৪), আমি কিংবদন্তির কথা বলছি (১৯৮১), সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২), প্রেমের কবিতা
আনোয়ার পাশা: নিরুপায় হরিণী— গল্পগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৭০। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: নীড় সন্ধানী (১৯৬৮), নিশুতি রাতের গাথা (১৯৬৮), রাইফেল রোটি আওরাত (১৯৭৩)।
আবদুল্লাহ আল মামুন: সুবচন নির্বাসনে— নাটক; প্রকাশ— ১৯৭৪। উল্লেখযোগ্য নাটক: এখনও দুঃসময় (১৯৭৫), এবার ধরা দাও (১৯৭৭), সেনাপতি (১৯৮০), অরক্ষিত মতিঝিল (১৯৮০), ক্রসরোড ক্রস ফায়ার (১৯৮১), আয়নায় বন্ধুর মুখ (১৯৮৩), এখনও ক্রীতদাস (১৯৮৩)।
আবদুল মান্নান সৈয়দ: কলকাতা— উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮০। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: পরিপ্রেক্ষিতের দাস-দাসী, অ-তে অজগর (১৯৮২), ক্ষুধা প্রেম আগুন (১৯৯৪), পোড়ামাটির কাজ, হে সংসার হে লতা।
আবদুল গাফফার চৌধুরী: কৃষ্ণপক্ষ— গল্পগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৫৯। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: ডানপিটে শওকত (১৯৫৩), সম্রাটের ছবি (১৯৫৯), সুন্দর হে সুন্দর (১৯৬০), চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (১৯৬০), নাম না জানা ভোর (১৯৬২), নীল যমুনা (১৯৬৪)।
অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত: ছন্নছাড়া— কবিতা। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: বেদে (১৯২৮), কাকজ্যোৎস্না (১৯৩১), বিবাহের চেয়ে বড় (১৯৩১), প্রাচীর ও প্রান্তর (১৯৩২), প্রথম কদমফুল (১৯৬১)।
সুফিয়া কামাল: কাব্যগ্রন্থ: সাঁঝের মায়া (১৯৩৮), মায়া কাজল (১৯৫১), মন ও জীবন (১৯৫৭), প্রশস্তি ও প্রার্থনা (১৯৫৮), উদাত্ত পৃথিবী (১৯৬৪), দেওয়ান (১৯৬৬), অভিযাত্রিক (১৯৬৯), মৃত্তিকার ঘ্রাণ (১৯৭০), মোর জাদুদের সমাধি পরে (১৯৭২)।
প্রহসন: হাস্যরস ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের মাধ্যমে সামাজিক অনাচার, গোঁড়ামি ও জীবনের ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরা এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক। অমৃতলাল বসুর ১৪টি প্রহসন: বিবাহ বিভ্রাট, সম্মতি সঙ্কট, কালা পানি, বাবু, একাকার, বৌমা, গ্রাম্য বিভ্রাট, বাহবা বাতিক, খাস দখল, চোরের উপর বাটপাড়ি, ডিসমিস, চাটুয্যে ও বাড়ুয্যে, তাজ্জব ব্যাপার, কৃপণের ধন।
আবু হেনা মোস্তফা কামাল: কাব্য: আপন যৌবন বৈরী (১৯৭৪), যেহেতু জন্মান্ধ (১৯৮৪), আক্রান্ত গজল (১৯৮৮)। প্রবন্ধ ও গবেষণা: শিল্পীর রূপান্তর (১৯৭৫), দ্য বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং (১৯৭৭), কথা ও কবিতা (১৯৮১)।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: উল্লেখযোগ্য উপন্যাস— সম্রাট ও শ্রেষ্ঠী, মন্দ্রামুখর, মহানন্দা, বর্ণসীতা, ট্রফি, লালমাটি, কৃষ্ণপক্ষ, বৈতালিক, শিলালিপি, অসিধারা, ভাটিয়ালী, পদসঞ্চার, অমাবস্যার গান, আলোকপর্ণা।
নেকলেস: গী দ্য মোপাসাঁর বিখ্যাত গল্প; অনুবাদক— পূর্ণেন্দু দস্তিদার। উচ্চবিলাসিতা ও অসাবধানতার পরিণতি এবং পরিশ্রমের গুরুত্ব গল্পটির মূল শিক্ষা। গী দ্য মোপাসাঁ (১৮৫০–১৮৯৩): ফরাসি সাহিত্যিক। পূর্ণেন্দু দস্তিদার (১৯০৯–১৯৭১): আইনজীবী ও নেকলেস-এর অনুবাদক।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: তৈল— ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ। উপন্যাস: কাঞ্চনমালা, বেণের মেয়ে। অন্যান্য গ্রন্থ: বাঙ্গালা ব্যাকরণ, মেঘদূত ব্যাখ্যা, বাল্মীকির জয়, প্রাচীন বাংলার গৌরব, সচিত্র রামায়ণ।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: ডাকহরকরা— গল্প। অন্যান্য গল্প: রসকলি, বেদেনী।
হুমায়ুন আজাদ: উপন্যাস: ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ, সবকিছু ভেঙে পড়ে, রাজনীতিবিদগণ, একটি খুনের স্বপ্ন। কিশোর সাহিত্য: ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, আব্বুকে মনে পড়ে, বুক পকেটে জোনাকি পোকা।