বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
বাংলাদেশে প্রথম ‘খাল খনন কর্মসূচি’ ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী-যদুনাথপুরে শুরু হয়েছিল। এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান ও পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
কর্মসূচিটি সম্পর্কে কিছু মূল তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
উদ্বোধক: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের সূচনা করেন।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম (Uranium), বিশেষভাবে ইউরেনিয়াম-২৩৫ ব্যবহার করা হচ্ছে রাশিয়া থেকে আমদানিকৃত এই পারমাণবিক জ্বালানি ছোট ছোট উপবৃত্তাকার 'পেললেট' বা বড়ি আকারে চুল্লিতে লোড করা হয়েছে, যা থেকে ফিশন প্রক্রিয়ায় উচ্চ তাপ উৎপন্ন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে ।
মূল বিষয়সমূহ: জ্বালানি: ইউরেনিয়াম । ধরন: ৩-৫% সমৃদ্ধ (Enriched) ইউরেনিয়াম । সরবরাহকারী: রাশিয়া (রোসাটম) । চুল্লির ধরন: জেনারেশন III+ VVER-1200 ।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং দ্রুততর আন্তঃসীমান্ত লেনদেনের লক্ষ্যে গঠিত ‘mBridge’ (Multiple CBDC Bridge) প্ল্যাটফর্মটি মূলত ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টস (BIS) Innovation Hub-এর তত্ত্বাবধানে এবং নিম্নোক্ত ৪টি মূল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত:
১. পিপলস ব্যাংক অফ চায়না (People's Bank of China - PBOC): ডিজিটাল কারেন্সি ইনস্টিটিউট।
২. হংকং মনিটারি অথরিটি (Hong Kong Monetary Authority - HKMA)।
৩. ব্যাংক অফ থাইল্যান্ড (Bank of Thailand - BOT)।
৪. সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ দি ইউনাইটেড আরব আমিরাত (Central Bank of the United Arab Emirates - CBUAE)।
বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৮ এপ্রিল 'জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস' পালিত হয়। আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ২০১৩ সাল থেকে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে ।
মূল তথ্যসমূহ: তারিখ: ২৮ এপ্রিল । উদ্দেশ্য: সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিনা খরচে আইনি পরামর্শ প্রদান । স্লোগান (২০২৬): 'সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ'। পরিচালনাকারী সংস্থা: জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা (আইন ও বিচার বিভাগ) । হেল্পলাইন: আইনি সহায়তার জন্য কল করুন - ১৬৬৯৯ (টোল ফ্রি) ।
টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন ও এর আশেপাশের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে (ব্লক-১৮) প্রায় ৬ টিসিএফ (Trillion Cubic Feet) প্রাথমিক ও উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের বিশাল সম্ভাব্যতা রয়েছে । সাম্প্রতিক গবেষণায় কোরাল দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিন এলাকায় গ্যাসের উপস্থিতি বেশি এবং টেকনাফ উপকূলে তুলনামূলক কম পাওয়া গেছে । এই অঞ্চলটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে ।
গ্যাসের পরিমাণ: ৬ টিসিএফ-এর বেশি সম্ভাবনা রয়েছে । অবস্থান: টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এবং এর আশেপাশের সামুদ্রিক এলাকা । সম্ভাব্যতা: কোরাল দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিন এলাকায় বেশি গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে ।