হাসান আজিজুল হক: শকুন— গল্প; সমকাল পত্রিকায় প্রকাশ— ১৯৬০ (সম্পাদক: সিকান্দার আবু জাফর)। উপন্যাস: বৃত্তায়ন, শিউলি, আগুনপাখি, শামুক।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: ভীষ্ম— পৌরাণিক নাটক; প্রকাশ— ১৯১৪। অন্যান্য পৌরাণিক নাটক: পাষাণী, সীতা।
কালীপ্রসন্ন সিংহ: বিক্রমোর্বশী— অনুবাদ নাটক; প্রকাশ— ১৮৫৭। অন্যান্য নাটক: বাবু নাটক, সাবিত্রী-সত্যবান, মালতী-মাধব।
কুসুমকুমারী দাশ: পৌরাণিক আখ্যানিকা— গদ্যগ্রন্থ। কাব্য: কবিতা মুকুল; বিখ্যাত কবিতা: আদর্শ ছেলে; ডায়েরি: দৈনন্দিন দিনলিপি।
এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কড়ি ও কমল কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
দাউদ হায়দার: উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ— জন্মই আমার আজন্ম পাপ, এই শাওনে এই পরবাসে, আমি ভালো আছি তুমি, পাথরের পুঁথি।
কুসুমকুমারী দাশ: আদর্শ ছেলে— বিখ্যাত কবিতা। এর বিখ্যাত পঙ্ ক্তি— “আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?” বিশেষত্ব: একসময় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আলাউদ্দিন আল আজাদ: তেইশ নম্বর তৈলচিত্র— প্রথম উপন্যাস; পদক্ষেপ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশ— ১৯৬০। উপন্যাসটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য রচনা: কাব্য: মৃদঙ্গ (১৯২৮), কল্পলেখা (১৯২৯), রূপচ্ছন্দা (১৯৫০)। উপন্যাস ও নাটক: সরফরাজ খাঁ, হিরণলেখা, পারের পথ, স্বামীর ভুল, সোনার কাঁকন, যুগের আলো, রিক্তা, পথের দেখা, কাঁটাফুল, আনারকলি, মসনদের মোহ। গল্প: রূপায়ণ (১৯৩৩)। শিশুসাহিত্য: ছেলেদের গল্প, মোহন ভোগ (১৯২৪)।
সুনির্মল বসু: বাঙালি কবি ও শিশুসাহিত্যিক; আমার কিশোর তাঁর বিখ্যাত কবিতা। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: হাওয়ার দোলা (১৯২৭), ছন্দের টুংটাং (১৯৩০), কিপটে ঠাকুরদা (১৯৩৩), ইন্তিবিন্তির আসর (১৯৫০), পাহাড়ে জঙ্গলে। সম্পাদিত: ছোটদের চয়নিকা, ছোটদের গল্প সঞ্চয়ন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: লাইব্রেরী— গ্রন্থাগারের গুরুত্ববিষয়ক বিখ্যাত প্রবন্ধ। এখানে লাইব্রেরিকে মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল-এর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
মুনীর চৌধুরী: কবর— ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক; রচনা— ১৭ জানুয়ারি ১৯৫৩। প্রথম মঞ্চায়ন: ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
বেগম রোকেয়া: উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম— মতিচূর, অবরোধবাসিনী, পদ্মরাগ, স্ত্রী জাতির অবনতি, নারী সৃষ্টি।
কাজী নজরুল ইসলাম: ছায়ানট— কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯২৫; উৎসর্গ— মুজফ্ফর আহমদ ও কুতুবউদ্দিন আহমদ। অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ঝড়, চক্রবাক, দোলনচাঁপা।
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল): সহস্রাধিক কবিতা, ৫৮৬টি ছোটগল্প, ৬০টি উপন্যাস ও ৫টি নাটক রচনা করেন; রচনাবলীসমগ্র— ২২ খণ্ড। কাব্যগ্রন্থ: বনফুলের কবিতা, ব্যঙ্গ কবিতা, অঙ্গারপর্ণী, চতুর্দশী, করকমলেষু।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প: ভিখারিনী— প্রথম প্রকাশিত গল্প; এছাড়া পোস্টমাস্টার, ছুটি, হৈমন্তী, মুসলমানীর গল্প, দেনা-পাওনা, মেঘ ও রৌদ্র, দান-প্রতিদান, রৌদ্র উল্লেখযোগ্য।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: প্রবন্ধগ্রন্থ: সাম্য, বিজ্ঞানরহস্য, বিবিধ সমালোচনা, লোকরহস্য, কৃষ্ণচরিত্র, ধর্মতত্ত্ব, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা। কাব্যগ্রন্থ: ললিতা তথা মানস। ত্রয়ী উপন্যাস: আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী, সীতারাম। অন্যান্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, মৃণালিনী, রজনী, রাধারাণী, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয়, চন্দ্রশেখর, রাজসিংহ।
রাধারাণী – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। যা ১৮৮৬ সালে সুচয়নী পাবলিশার্স প্রথম প্রকাশ করে।
বিজন ভট্টাচার্য: নবান্ন— ১৯৪৩-এর বাংলার দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী কৃষকজীবনের দুঃখ-দুর্দশা ও জীবনসংগ্রামভিত্তিক নাটক; প্রকাশ ও মঞ্চায়ন— ১৯৪৪।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: একটি কালো মেয়ের কথা— বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস; কেন্দ্রীয় চরিত্র— নাজমা; এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস। আঞ্চলিক উপন্যাস: হাঁসুলী বাঁকের উপকথা।
কাজী নজরুল ইসলাম: রিক্তের বেদন— গল্পগ্রন্থ; ৮টি গল্প নিয়ে প্রকাশ— ফেব্রুয়ারি ১৯২৪। অন্যান্য গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, শিউলিমালা, পদ্মগোখরা, জিনের বাদশা।
সেলিনা হোসেন: নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি— ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮৭। প্রথম উপন্যাস: জলোচ্ছ্বাস (১৯৭৩)। অন্যান্য উপন্যাস: জ্যোৎস্নায় সূর্যজ্বালা, হাঙর নদী গ্রেনেড, মগ্ন চৈতন্যে শিস, যাপিত জীবন, নীল ময়ূরের যৌবন, পদশব্দ, চাঁদবেনে, পোকা-মাকড়ের ঘরবসতি।
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়: মূলত মহাকাব্যের কবি; শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য— বৃত্রসংহার। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: চিন্তাতরঙ্গিণী, বীরবাহু, ছায়াময়ী, দশমহাবিদ্যা, আশাকানন, চিত্তবিকাশ।