সুনির্মল বসু: বাঙালি কবি ও শিশুসাহিত্যিক; আমার কিশোর তাঁর বিখ্যাত কবিতা। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: হাওয়ার দোলা (১৯২৭), ছন্দের টুংটাং (১৯৩০), কিপটে ঠাকুরদা (১৯৩৩), ইন্তিবিন্তির আসর (১৯৫০), পাহাড়ে জঙ্গলে। সম্পাদিত: ছোটদের চয়নিকা, ছোটদের গল্প সঞ্চয়ন।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: লাইব্রেরী— গ্রন্থাগারের গুরুত্ববিষয়ক বিখ্যাত প্রবন্ধ। এখানে লাইব্রেরিকে মহাসমুদ্রের শত বৎসরের কল্লোল-এর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
মুনীর চৌধুরী: কবর— ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত নাটক; রচনা— ১৭ জানুয়ারি ১৯৫৩। প্রথম মঞ্চায়ন: ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
বেগম রোকেয়া: উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম— মতিচূর, অবরোধবাসিনী, পদ্মরাগ, স্ত্রী জাতির অবনতি, নারী সৃষ্টি।
কাজী নজরুল ইসলাম: ছায়ানট— কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯২৫; উৎসর্গ— মুজফ্ফর আহমদ ও কুতুবউদ্দিন আহমদ। অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ঝড়, চক্রবাক, দোলনচাঁপা।
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল): সহস্রাধিক কবিতা, ৫৮৬টি ছোটগল্প, ৬০টি উপন্যাস ও ৫টি নাটক রচনা করেন; রচনাবলীসমগ্র— ২২ খণ্ড। কাব্যগ্রন্থ: বনফুলের কবিতা, ব্যঙ্গ কবিতা, অঙ্গারপর্ণী, চতুর্দশী, করকমলেষু।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প: ভিখারিনী— প্রথম প্রকাশিত গল্প; এছাড়া পোস্টমাস্টার, ছুটি, হৈমন্তী, মুসলমানীর গল্প, দেনা-পাওনা, মেঘ ও রৌদ্র, দান-প্রতিদান, রৌদ্র উল্লেখযোগ্য।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: প্রবন্ধগ্রন্থ: সাম্য, বিজ্ঞানরহস্য, বিবিধ সমালোচনা, লোকরহস্য, কৃষ্ণচরিত্র, ধর্মতত্ত্ব, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা। কাব্যগ্রন্থ: ললিতা তথা মানস। ত্রয়ী উপন্যাস: আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী, সীতারাম। অন্যান্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, মৃণালিনী, রজনী, রাধারাণী, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয়, চন্দ্রশেখর, রাজসিংহ।
রাধারাণী – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর লেখা একটি বাংলা উপন্যাস বই। যা ১৮৮৬ সালে সুচয়নী পাবলিশার্স প্রথম প্রকাশ করে।
বিজন ভট্টাচার্য: নবান্ন— ১৯৪৩-এর বাংলার দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী কৃষকজীবনের দুঃখ-দুর্দশা ও জীবনসংগ্রামভিত্তিক নাটক; প্রকাশ ও মঞ্চায়ন— ১৯৪৪।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: একটি কালো মেয়ের কথা— বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস; কেন্দ্রীয় চরিত্র— নাজমা; এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস। আঞ্চলিক উপন্যাস: হাঁসুলী বাঁকের উপকথা।
কাজী নজরুল ইসলাম: রিক্তের বেদন— গল্পগ্রন্থ; ৮টি গল্প নিয়ে প্রকাশ— ফেব্রুয়ারি ১৯২৪। অন্যান্য গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, শিউলিমালা, পদ্মগোখরা, জিনের বাদশা।
সেলিনা হোসেন: নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি— ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮৭। প্রথম উপন্যাস: জলোচ্ছ্বাস (১৯৭৩)। অন্যান্য উপন্যাস: জ্যোৎস্নায় সূর্যজ্বালা, হাঙর নদী গ্রেনেড, মগ্ন চৈতন্যে শিস, যাপিত জীবন, নীল ময়ূরের যৌবন, পদশব্দ, চাঁদবেনে, পোকা-মাকড়ের ঘরবসতি।
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়: মূলত মহাকাব্যের কবি; শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য— বৃত্রসংহার। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: চিন্তাতরঙ্গিণী, বীরবাহু, ছায়াময়ী, দশমহাবিদ্যা, আশাকানন, চিত্তবিকাশ।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: পদ্মানদীর মাঝি— জেলে-জীবনের সুখ-দুঃখভিত্তিক উপন্যাস; পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রকাশ— ১৯৩৪, পূর্ণ প্রকাশ— ১৯৩৬। অন্যান্য উপন্যাস: দিবারাত্রির কাব্য, চিহ্ন, সোনার চেয়ে দামি, স্বাধীনতার স্বাদ, জননী, অহিংসা, শহরতলী, ইতিকথার পরের কথা, শহরবাসের ইতিকথা।
অদ্বৈত মল্লবর্মণ: তিতাস একটি নদীর নাম— ৪ খণ্ডের উপন্যাস; প্রকাশ— বাংলা ১৩৫২, মোহাম্মদী পত্রিকায়। ধীবর সমাজের জীবনসংগ্রাম ও দুঃখ-দুর্দশা এতে তুলে ধরা হয়েছে। প্রধান চরিত্র: বাসন্তী (নারী), কিশোর (পুরুষ)। চলচ্চিত্র: ১৯৭৩ এ ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত ।
শওকত ওসমান: প্রবন্ধ: মুসলিম মানসের রূপান্তর, সংস্কৃতির চড়াই-উতরাই। গল্প: পিঁজরাপোল, প্রস্তর ফলক, জন্ম যদি তব বঙ্গে (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী, পুরাতন খঞ্জর। অনূদিত গ্রন্থ: নিশো (১৯৪৮–৪৯), লুকনিতশি (১৯৪৮), বাগদাদের কবি (১৯৫৩), টাইম মেশিন (১৯৫৯)।
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ: নির্বাচিত কবিতা— কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৯১। অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: সাত নরীর হার, কখনো রং কখনো সুর, কমলের চোখ, আমি কিংবদন্তির কথা বলছি, সহিষ্ণু প্রতীক্ষা, প্রেমের কবিতা, বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা, আমার সময়।
আবদুল মান্নান সৈয়দ: পোড়ামাটির কাজ— উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮২। অন্যান্য উপন্যাস: পরিপ্রেক্ষিতের দাস-দাসী, অ-তে অজগর, কলকাতা, ক্ষুধা প্রেম আগুন, হে সংসার হে লতা।
ড. মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২–১৯৮২): শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক; চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জন্ম। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অধীনে গবেষণা করে ১৯৩৫ সালে ডক্টরেট লাভ করেন। প্রধান গ্রন্থ: আরাকান রাজসভায় বাঙ্গালা সাহিত্য, বঙ্গে সূফীপ্রভাব, বাঙলা ভাষার সংস্কার, মুসলিম বাঙলা সাহিত্য, A History of Sufism in Bengal। বিশেষ পরিচিতি: ১৯৫৬ সালে একাডেমির প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২–১৮৫৯): কবি ও সাংবাদিক; বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি। সম্পাদনা: সংবাদ প্রভাকর; সংবাদ রত্নাবলী, সংবাদ সাধুরঞ্জন। বিশেষ কীর্তি: ভারতচন্দ্র, রামপ্রসাদ, নিধুবাবু, হরু ঠাকুর প্রমুখের জীবনী উদ্ধার ও প্রকাশ। মৃত্যুর পর প্রকাশিত: হিতপ্রভাকর (১৮৬১), বোধেন্দুবিকাশ (১৮৬৩); বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদনায় কবিতা সংগ্রহ (১৮৮৫)।
সিকান্দার আবু জাফর: কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক। নাটক: সিরাজউদ্দৌলা, মাকড়সা, শকুন্ত উপাখ্যান, মহাকবি আলাওল। কাব্য: প্রসন্ন প্রহর, তিমিরান্তক, বৃশ্চিকলগ্ন, বৈরীবৃষ্টিতে, মানা। উপন্যাস: মাটি আর অশ্রু, জয়ের পথে, পূরবী, নবী কাহিনী, নতুন সকাল।
আল মাহমুদ: নোলক— বিখ্যাত কবিতা। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: লোক লোকান্তর, কালের কলস, সোনালী কাবিন, পাখির কাছে ফুলের কাছে, অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না।