বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
২০২৪-২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে পরিশোধিত ও কাঁচা চিনি আমদানিতে শীর্ষ দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া । নিজস্ব খাদ্য ও পানীয় শিল্পের বিশাল চাহিদা মেটাতে দেশটি ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে কাঁচা চিনি আমদানি করে তা পরিশোধন করে । এর পরেই রয়েছে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ।
চিনি আমদানির প্রধান শীর্ষ দেশসমূহ: ১ম: ইন্দোনেশিয়া (শীর্ষ আমদানিকারক) ২য়: চীন ৩য়: যুক্তরাষ্ট্র ৪র্থ: ভারত
চীনের সহায়তায় পাকিস্তান তাদের 'পিআরএসসি-ইও৩' (PRSC-EO3) রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইটটি সফলভাবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করেছে । ২৫ এপ্রিল ২০২৬-এর পর একটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (শনিবার) চীনের শানসি প্রদেশের তাইউয়ান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে লং মার্চ-৬ রকেটের মাধ্যমে এই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইমেজিং স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পাঠানো হয় ।
মূল তথ্য: উৎক্ষেপণকারী দেশ: চীন । স্যাটেলাইটের নাম: পিআরএসসি-ইও৩ (PRSC-EO3) । রকেটের ধরন: লং মার্চ-৬ (Long March-6) ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতপ্রবণ জেলা হলো সুনামগঞ্জ ।
ভৌগোলিক অবস্থান, হাওরের আধিক্য এবং অতিরিক্ত জলীয়বাষ্পের কারণে এই জেলার জামালগঞ্জ উপজেলা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত । এছাড়া সিলেট বিভাগের অন্যান্য জেলা এবং সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলগুলোতেও বজ্রপাতের হার ও প্রাণহানি সবচেয়ে বেশি ।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতপ্রবণ মাস হলো এপ্রিল এবং মে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস)।
বজ্রপাতের প্রবণতা সংক্রান্ত মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো: সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সময়: মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে সবচেয়ে বেশি বজ্রসহ ঝড় ও বজ্রপাত হয়। তবে, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত (বৈশাখ মাসে) বজ্রপাতের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ও ভয়ংকর হয়।
সিজন বা মৌসুম: সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত বজ্রপাতের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে। মোট বজ্রপাতের হার: আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট বজ্রপাতের প্রায় ৩৮ শতাংশ ঘটে মার্চ থেকে মে মাসে, আর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হয় প্রায় ৫১ শতাংশ।
লেবাননের বর্তমান ও ১৪তম প্রেসিডেন্ট হলেন জোসেফ আউন। তিনি ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি লেবাননের পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।
প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি দেশটির সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। লেবাননের রাজনীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: পূর্বসূরি: ২০২২ সালের অক্টোবরে মিশেল আউনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পদটি খালি ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: নাওয়াফ সালাম। রাজনৈতিক কাঠামো: দেশটির ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদটি একজন ম্যারোনাইট খ্রিষ্টানের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের শেষদিকের তথ্য অনুযায়ী, ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ব্যবসায়ী ও ব্যাংকার আলী আল-জাইদি (Ali al-Zaidi)।
মূল তথ্য: প্রধানমন্ত্রী (মনোনীত): আলী আল-জাইদি। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ: প্রধান শিয়া রাজনৈতিক জোট 'কোঅর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্ক' (Coordination Framework) তাকে মনোনীত করেছে এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট তাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণমাত্রায় চালু হলে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হবে।
মূল তথ্যসমূহ: মোট উৎপাদন ক্ষমতা: রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট (প্রতিটি ১,২০০ মেগাওয়াট)।
চাহিদা পূরণের শতাংশ: এই প্রকল্প দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশ পূরণ করবে। কিছু প্রতিবেদনে এটি ১২ শতাংশ পর্যন্ত অবদান রাখবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপনকারী আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা চুক্তি (IGA) বাংলাদেশ এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ২০১১ সালের ২ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
মূল বিষয়সমূহ: চুক্তি স্বাক্ষর: ২ নভেম্বর ২০১১ (আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তি - IGA) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ২০১৩ সালের ২০ অক্টোবর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। মূল নির্মাণ চুক্তি: ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর 'জেনারেল কন্ট্রাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।
২০২৪ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য গভীর সমুদ্রে (Deep Sea) মোট ১৫টি ব্লক রয়েছে।
মূল তথ্যসমূহ: গভীর সমুদ্রের ব্লক: ১৫টি ( থেকে ।
অগভীর সমুদ্রের ব্লক: ১১টি । মোট অফশোর ব্লক: ২৬টি । বর্তমান অবস্থা: ২০২৪ সালের মার্চে পেট্রোবাংলা
নতুন করে ২৪টি (গভীর ও অগভীর মিলে) ব্লকে অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে। বর্তমানে অগভীর সমুদ্রের দুটি ব্লকে ভারতের ওএনজিসি অনুসন্ধান চালাচ্ছে, বাকিগুলোর জন্য দরপত্র মূল্যায়ন চলছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য মতে, হামে আক্রান্ত শিশুদের প্রধানত পাঁচ ধরনের মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়।
এই জটিলতাগুলো হলো: ১. নিউমোনিয়াসহ তীব্র শ্বাসকষ্ট। ২. তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা। ৩. কানে সংক্রমণ (Ear infections)। ৪. এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কে প্রদাহ বা swelling of the brain)। ৫. দৃষ্টি ক্ষীণ হওয়া বা অন্ধত্ব (ভিটামিন এ-র ঘাটতির কারণে)। বিশেষ সতর্কবার্তা (এপ্রিল ২০২৬ অনুযায়ী): বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সী এবং অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে এই জটিলতার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। হামে আক্রান্ত শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী ক্ষতিও করতে পারে।