বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য কর্তৃক উত্থাপিত বিল (সরকারি বা বেসরকারি) জাতীয় সংসদে উত্থাপন, বিস্তারিত আলোচনা, সংশোধনী ও ভোটাভুটি শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে পাস হওয়ার পর এবং সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনে পরিণত হয় ।
রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর বিলটি 'আইন' বা 'অ্যাক্ট' হিসেবে গণ্য হয় । বিল আইনে পরিণত হওয়ার ধাপসমূহ: উত্থাপন ও প্রথম পাঠ: মন্ত্রী বা এমপি সংসদে বিল উত্থাপন করেন ।
আলোচনা ও যাচাই (২য় ও ৩য় পাঠ): বিলটি নিয়ে কমিটিতে যাচাই-বাছাই ও সংসদে বিস্তারিত আলোচনা ও ভোটাভুটি হয় । সংসদে পাস: সংসদ সদস্যদের ভোটাভুটিতে বিলটি পাস হতে হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতি: পাস হওয়া বিলটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং তিনি সম্মতি দিলে তা আইন হিসেবে কার্যকর হয় । বিশেষ দ্রষ্টব্য: অর্থ বিলের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পূর্ব অনুমোদনের প্রয়োজন হয়
মন্ত্রী ছাড়া অন্য সংসদ সদস্য (এমপি) সংসদে যে বিল উত্থাপন করেন, তাকে বেসরকারি বিল বা প্রাইভেট মেম্বার্স বিল (Private Member's Bill) বলা হয়।
বেসরকারি বিল সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: উত্থাপনকারী: যে কোনো সংসদ সদস্য, যিনি মন্ত্রিসভার সদস্য নন। উদ্দেশ্য: সরকারের এজেন্ডার বাইরে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা জনগুরুত্বপূর্ণ আইন সংশোধনের প্রস্তাব আনা। সময়: সাধারণত বেসরকারি বিল উত্থাপন ও বিতর্কের জন্য সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন (যেমন- শুক্রবার) বরাদ্দ থাকে। পাস হওয়ার হার: সরকারি সমর্থনের অভাবে বেশিরভাগ বেসরকারি বিল পাস হয় না।
অন্যদিকে, মন্ত্রীরা যে বিল উত্থাপন করেন তাকে সরকারি বিল (Government Bill) বলা হয়।
জাতীয় সংসদে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত বিলকে সরকারি বিল (Public Bill/Government Bill) বলা হয় । এটি সরকারের নীতি ও আইন প্রণয়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রিসভার অনুমোদনক্রমে সংসদে পেশ করা হয় ।
অন্যদিকে, মন্ত্রী ব্যতীত অন্য কোনো সংসদ সদস্য কর্তৃক উত্থাপিত বিলকে 'বেসরকারি বিল' বলা হয় ।
'দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার-১৯৭৩ সংশোধন বিল' (বা ‘সংসদ-সদস্য পারিতোষিক ও ভাতাদি সংশোধন আইন-২০২৬’) হলো বাংলাদেশের আইনপ্রণেতাদের (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির দীর্ঘদিনের সুবিধা বাতিল করার একটি আইন।
২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে এই বিলটি পাস হয়, যার ফলে সংসদ সদস্যরা তাদের মেয়াদে আর শুল্ক, ভ্যাট বা আমদানির পারমিট ফি ছাড়া গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করতে পারবেন না।