বিজন ভট্টাচার্য: বাঙালি নাট্যকার ও অভিনেতা। উল্লেখযোগ্য নাটক: আগুন (১৯৪৩), জবানবন্দী (১৯৪৩), নবান্ন (১৯৪৪), জীয়নকন্যা (১৯৪৫), মরাচাঁদ (১৯৪৬), অবরোধ (১৯৪৭)।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
গেরাসিম লেবেদেফ: রুশ অভিযাত্রী, ভাষাবিদ, অনুবাদক ও সংগীতজ্ঞ; কলকাতায় The Bengali Theatre প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম অনূদিত বাংলা নাটক:কাল্পনিক সংবদল — The Disguise অবলম্বনে; প্রথম মঞ্চায়ন— ২৭ নভেম্বর ১৭৯৫। তাঁকে নিয়ে নাটক: লেবেদেফ— মামুনুর রশীদ।
শামসুদ্দীন আবুল কালাম: কাঁশবনের কন্যা— বেদে জীবনের কাহিনিভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৫৪। অন্যান্য উপন্যাস: দুই মহল, আশিয়ানা, জীবনকাব্য, আলমনগরের উপকথা, নবান্ন, যার সাথে যার।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: হে অরণ্য কথা কও— ভ্রমণকাহিনি। অন্যান্য ভ্রমণকাহিনি: অভিযাত্রিক (১৯৪০), স্মৃতির রেখা (১৯৪১), তৃণাঙ্কুর (১৯৪৩), ঊর্মিমুখর (১৯৪৪), বনে পাহাড়ে (১৯৪৫), উৎকর্ণ (১৯৪৬)।
গোবিন্দ হালদার: একদা, অন্যদিন, আর একদিন— ত্রয়ী উপন্যাস; সম্মিলিত নাম ত্রিদিবা; প্রকাশ— ১৯৭৮। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: দূর দিগন্ত।
শওকত আলী: বিখ্যাত উপন্যাস— ওয়ারিশ, দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কালস্রোত, পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, বাসর মধুচন্দ্রিমা, দলিল।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: সাজাহান— মোগল সম্রাট শাহজাহানের জীবনভিত্তিক নাটক। অন্যান্য নাটক: তারাবাঈ, রানা প্রতাপসিংহ, নূরজাহান, মেবার পতন, সোহরাব-রুস্তম, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল বিজয়, প্রায়শ্চিত্ত, আনন্দ বিদায়।
সেলিনা হোসেন: কাঁটাতারে প্রজাপতি— ইলা মিত্র ও নাচোলের তেভাগা আন্দোলনভিত্তিক ইতিহাসনির্ভর উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮৯। অন্যান্য উপন্যাস: জলোচ্ছ্বাস, হাঙর নদী গ্রেনেড, যাপিত জীবন, নীল ময়ূরের যৌবন।
স্বর্ণকুমারী দেবী: দিব্যকমল— নাটক; প্রকাশ— ১৯৩০। অন্যান্য নাটক: নিবেদিতা, কনে বদল, যুগান্তর, রাজকণ্যা।
সাঁঝের মায়া সুফিয়া কামাল রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। এর মুখবন্ধ লিখে দেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৮৪ সালে রুশ ভাষায় সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত: কাব্যের মুক্তি— আধুনিক বাংলা কবিতার ইশতেহারখ্যাত প্রবন্ধ। উল্লেখযোগ্য কাব্য: তন্বী (১৯৩০), অর্কেস্ট্রা (১৯৩৫), ক্রন্দসী (১৯৩৭), উত্তর ফাল্গুনী (১৯৪০), সংবর্ত (১৯৫৩), দশমী (১৯৫৬)।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: জালপ্রতাপ চাঁদ— ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৮৮৩। অন্যান্য উপন্যাস: কণ্ঠমালা, মাধবীলতা।
সত্যেন সেন: মনোরমা মাসীমা— জীবনীগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৭০। অন্যান্য জীবনীগ্রন্থ: বিপ্লবী রহমান মাস্টার, সীমান্ত সূর্য আব্দুল গাফফার খান।
আলেমনগরের উপকথা: শামসুদ্দীন আবুল কালামের ইতিহাসচেতনাভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৫৪।
শহীদ কাদরী: উত্তরাধিকার কাব্য— ৪০টি কবিতা; প্রকাশ— ১৯৬৭। বিখ্যাত কবিতা— বৃষ্টি বৃষ্টিতে। অন্যান্য কাব্য: তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়া; কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই; আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও।
আর্তনাদ: শওকত ওসমানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮৫। প্রধান চরিত্র— জাফর।
শওকত আলী: যাত্রা— মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস; কেন্দ্রীয় চরিত্র অধ্যাপক রায়হান। অন্যান্য উপন্যাস: ওয়ারিশ, যেতে চাই, দুই রকম, উত্তরের খেপ।
১৯৫১ সালে রচিত উদয়ন্ত সৈয়দ শামসুল হকের প্রথম গল্প। এটি ফজলে লোহানী রচিত "অগত্যা" পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
"নয়নচারা"-সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৫১ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যান্য গল্পগ্রন্থ হলো- দুই তীর, গল্পসমগ্র ইত্যাদি।
হুমায়ুন আহমেদ: প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস— নন্দিত নরকে (১৯৭২); প্রথম রচিত উপন্যাস— শঙ্খনীল কারাগার (প্রকাশ: ১৯৭৩)। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, জোছনা ও জননীর গল্প, অনিল বাগচীর একদিন, ১৯৭১।
মমতাজউদ্দীন আহমদ: প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক; স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। উল্লেখযোগ্য নাটক: এই সেই কণ্ঠস্বর, হৃদয়ঘটিত ব্যাপার-স্যাপার, স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, কি চাহ শঙ্খচিল, সাত ঘাটের কানাকড়ি, রাক্ষসী, রাজা অনুস্বরের পালা। উপন্যাস: এক যে জোজো এক যে মধুমতী, সজল তোমার ঠিকানা। নাট্যরূপ: জমিদার দর্পণ, রাক্ষুসী দুইবোন, লাল-সবুজের পালা, জোহরা, বিরাজ বউ, বিপরীত স্রোত। সম্পাদনা: লালসালু ও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, কপালকুণ্ডলা, নীলদর্পণ, মধুসূদনের প্রহসন, সিরাজউদ্দৌলা, শাহনামা কাব্যের গদ্যরূপ।
তার আগে চাই সমাজতন্ত্র - নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ - মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা, - প্রেমাংশুর রক্ত চাই (১৯৭০), - না প্রেমিক না বিপ্লবী (১৯৭২), - কবিতা, - অমিমাংসিত রমণী (১৯৭৩), - দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী (১৯৭৪), - চৈত্রের ভালোবাসা (১৯৭৫), - ও বন্ধু আমার (১৯৭৫), - আনন্দ কুসুম (১৯৭৬), - চাষাভুষার কাব্য (১৯৮১), - অচল পদাবলী (১৯৮২), - পৃথিবীজোড়া গান (১৯৮২), - দূর হ দুঃশাসন (১৯৮৩), - নির্বাচিতা (১৯৮৩), - শান্তির ডিক্রি (১৯৮৪) ইত্যাদি।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা; ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত। নাটক: একঘরে, কল্কি-অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার-পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল-বিজয়। কাব্যগ্রন্থ: আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ), মন্দ্র।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬)— জেলে-জীবনের সুখ-দুঃখের চিত্র; ১৯৩৪ সালে ‘পূর্বাশা’য় ধারাবাহিক প্রকাশ শুরু। অন্যান্য উপন্যাস: দিবারাত্রির কাব্য, চিহ্ন, সোনার চেয়ে দামি, স্বাধীনতার স্বাদ, জননী, অহিংসা, শহরতলী, ইতিকথার পরের কথা, শহরবাসের ইতিকথা।