হুমায়ুন আহমেদ: প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস— নন্দিত নরকে (১৯৭২); প্রথম রচিত উপন্যাস— শঙ্খনীল কারাগার (প্রকাশ: ১৯৭৩)। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, জোছনা ও জননীর গল্প, অনিল বাগচীর একদিন, ১৯৭১।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
মমতাজউদ্দীন আহমদ: প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক; স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। উল্লেখযোগ্য নাটক: এই সেই কণ্ঠস্বর, হৃদয়ঘটিত ব্যাপার-স্যাপার, স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, কি চাহ শঙ্খচিল, সাত ঘাটের কানাকড়ি, রাক্ষসী, রাজা অনুস্বরের পালা। উপন্যাস: এক যে জোজো এক যে মধুমতী, সজল তোমার ঠিকানা। নাট্যরূপ: জমিদার দর্পণ, রাক্ষুসী দুইবোন, লাল-সবুজের পালা, জোহরা, বিরাজ বউ, বিপরীত স্রোত। সম্পাদনা: লালসালু ও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, কপালকুণ্ডলা, নীলদর্পণ, মধুসূদনের প্রহসন, সিরাজউদ্দৌলা, শাহনামা কাব্যের গদ্যরূপ।
তার আগে চাই সমাজতন্ত্র - নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ - মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা, - প্রেমাংশুর রক্ত চাই (১৯৭০), - না প্রেমিক না বিপ্লবী (১৯৭২), - কবিতা, - অমিমাংসিত রমণী (১৯৭৩), - দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী (১৯৭৪), - চৈত্রের ভালোবাসা (১৯৭৫), - ও বন্ধু আমার (১৯৭৫), - আনন্দ কুসুম (১৯৭৬), - চাষাভুষার কাব্য (১৯৮১), - অচল পদাবলী (১৯৮২), - পৃথিবীজোড়া গান (১৯৮২), - দূর হ দুঃশাসন (১৯৮৩), - নির্বাচিতা (১৯৮৩), - শান্তির ডিক্রি (১৯৮৪) ইত্যাদি।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা; ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত। নাটক: একঘরে, কল্কি-অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার-পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল-বিজয়। কাব্যগ্রন্থ: আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ), মন্দ্র।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬)— জেলে-জীবনের সুখ-দুঃখের চিত্র; ১৯৩৪ সালে ‘পূর্বাশা’য় ধারাবাহিক প্রকাশ শুরু। অন্যান্য উপন্যাস: দিবারাত্রির কাব্য, চিহ্ন, সোনার চেয়ে দামি, স্বাধীনতার স্বাদ, জননী, অহিংসা, শহরতলী, ইতিকথার পরের কথা, শহরবাসের ইতিকথা।
আহমদ শরীফের প্রবন্ধগ্রন্থ: বিশ শতকের বাঙালি, বিচিত্র চিন্তা, কালের দর্পণের স্বদেশ, স্বদেশ চিন্তা, জিজ্ঞাসা ও অন্বেষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চিন্তা, স্বদেশ অন্বেষা।
শওকত ওসমান: গল্পগ্রন্থ: জন্ম যদি তব বঙ্গে। নাটক: তস্কর লস্কর, আমলার মামলা। উপন্যাস: জাহান্নাম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, পতঙ্গ পিঞ্জর, রাজসাক্ষী, জলাঙ্গী, পুরাতন খঞ্জর, ক্রীতদাসের হাসি, সমাগম, রাজা উপাখ্যান, বনি আদম, জননী।
মোহাম্মদ নজিবর রহমান: বাংলা ভাষার ঔপন্যাসিক। উপন্যাস: আনোয়ারা, চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি, পরিণাম, গরীবের মেয়ে, দুনিয়া আর চাই না, মেহেরউন্নিসা, প্রেমের সমাধি।
বেগম রোকেয়া: পদ্মরাগ (১৯২৪)— উপন্যাস; লতিফ ও সিদ্দিকার প্রেমচিত্র রয়েছে। নারীবাদী চিন্তা: মতিচূর (১ম ও ২য় খণ্ড)। উল্লেখযোগ্য রচনা: সুলতানার স্বপ্ন (১৯০৫), পদ্মরাগ (১৯২৪), অবরোধবাসিনী (১৯৩১)।
কায়কোবাদ: মহাশ্মশান— মহাকাব্য; প্রথম প্রকাশ ১৯০৫ সালে, ৩ খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম জীবনের রচনা: বিরহবিলাপ (১৮৭০), কুসুমকানন (১৮৭৩)। অন্যান্য রচনা: শিব মন্দির (১৯২১), অমিয়ধারা (১৯২৩), মহরম শরীফ (১৯৩২)।
নীলদর্পণ: দীনবন্ধু মিত্রের নাটক; ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত। মেহেরপুরের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট এর মূল বিষয়। প্রধান চরিত্র: নবীন মাধব, রাইচরণ, তোরাপ, গোলক বসু। অন্যান্য নাটক: নবীন তপস্বিনী, লীলাবতী, জামাই বারিক, কমলে কামিনী।
আলতাফ মাহমুদ: বাংলাদেশ কবিতাটি তাঁর অনিঃশেষ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া। অন্যান্য কাব্য: কবিতাবলী, উপহার, খসড়া (১৯৩৮), এক মুঠো (১৯৩৯), মাটির দেয়াল (১৯৪২), অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩)।
আমজাদ হোসেন: অবেলায় অসময়— মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। অন্যান্য: যুদ্ধে যাবো, উত্তরকাল, যুদ্ধযাত্রার রাত্রি।
কুন্তীর সন্তান: যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন— যথাক্রমে ধর্ম, পবন ও ইন্দ্রের সন্তান। মাদ্রীর সন্তান: নকুল ও সহদেব— অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের সন্তান।
বসন্তকুমারী (১৮৭৩): মীর মশাররফ হোসেন রচিত মুসলমান লেখকের প্রথম বাংলা নাটক; উৎসর্গ— নওয়াব আব্দুল লতিফ। আয়না (১৯৩৫): আবুল মনসুর আহমদের গল্পগ্রন্থ।
ওয়াজেদ আলী: জীবনের শিল্প (১৯৪১)— ২৬টি প্রবন্ধের সংকলন। গল্প: গুলদাস্তা (১৯২৭), মাশুকের দরবার (১৯৩০), বাদশাহী গল্প (১৯৪৪), গল্পের মজলিশ (১৯৪৪)। ঐতিহাসিক উপন্যাস: গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০)। প্রবন্ধ: প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩), ভবিষ্যতের বাঙালী (১৯৪৩), আকবরের রাষ্ট্র সাধনা (১৯৪৯), মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ। ভ্রমণকাহিনী: পশ্চিম ভারত (১৯৪৮), মোটরযোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯)।
নীলদর্পণ: দীনবন্ধু মিত্রের সামাজিক নাটক; প্রকাশ— ১৮৬০ সালে। পটভূমি: নীল চাষকে কেন্দ্র করে কৃষকদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার ও নিপীড়ন। ইংরেজি অনুবাদ: Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror— অনুবাদ করেন রেভারেন্ড জেমস লঙ। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাটকটির সঙ্গে হ্যারিয়েট স্টোর আঙ্কল টমস কেবিন-এর তুলনা করেছিলেন।
কায়কোবাদ: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি। প্রকৃত নাম: মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী; কায়কোবাদ সাহিত্যিক নাম। কাব্য: অশ্রুমালা (গীতিকাব্য), মহাশ্মশান (মহাকাব্য)। ১৯২৫ সালে ‘কাব্যভূষণ’, ‘বিদ্যাভূষণ’ ও ‘সাহিত্যরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত হন।
হরচন্দ্র ঘোষ: নাট্যকার ও অনুবাদক; বাংলা নাট্যসাহিত্যের আদিপর্বের নাট্যকার এবং শেক্সপিয়রের নাটকের প্রথম অনুবাদক। নাটক: ভানুমতী-চিত্তবিলাস (১৮৫৩), চারুমুখ-চিত্তহরা (১৮৬৪), রজতগিরিনন্দিনী (১৮৭৪)। কৌরববিয়োগ (১৮৫৮): পুরাণভিত্তিক উল্লেখযোগ্য মৌলিক নাটক। মোট রচনা ৭টি; প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য রীতির সমন্বয়ে আধুনিক নাট্যরীতি প্রবর্তনের চেষ্টা করেন।
সোনার তরী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৮৯৪। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক কাব্য। উল্লেখযোগ্য কবিতা: সোনার তরী, বিম্ববতী, সুপ্তোত্থিতা, বর্ষাযাপন, হিং টিং ছট, বৈষ্ণবকবিতা, দুই পাখি, যেতে নাহি দিব, বসুন্ধরা, নিরুদ্দেশ যাত্রা।
রাবেয়া খাতুন: বাংলাদেশি সাহিত্যিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: নীল নিশীথ, বায়ান্ন বাজার এক গলি, পাখি সব করে রব, নয়না লেকে রূপবান দুপুর, মিড সামারে ই ভরা বাদর মাহ ভাদর, সে এবং যাবতীয়, হানিফের ঘোড়া, হিরণ দাহ।
আবদুল হাকিমের ৫টি কাব্য: ইউসুফ-জোলেখা, নূরনামা, দুররে মজলিশ, লালমোতি সয়ফুলমুলুক, হানিফার লড়াই।
নীল ময়ূরের যৌবন: সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস; নায়ক— চর্যাপদের কবি কাহ্নপা।