সাঁঝের মায়া সুফিয়া কামাল রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। এর মুখবন্ধ লিখে দেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৮৪ সালে রুশ ভাষায় সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত: কাব্যের মুক্তি— আধুনিক বাংলা কবিতার ইশতেহারখ্যাত প্রবন্ধ। উল্লেখযোগ্য কাব্য: তন্বী (১৯৩০), অর্কেস্ট্রা (১৯৩৫), ক্রন্দসী (১৯৩৭), উত্তর ফাল্গুনী (১৯৪০), সংবর্ত (১৯৫৩), দশমী (১৯৫৬)।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: জালপ্রতাপ চাঁদ— ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৮৮৩। অন্যান্য উপন্যাস: কণ্ঠমালা, মাধবীলতা।
সত্যেন সেন: মনোরমা মাসীমা— জীবনীগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৯৭০। অন্যান্য জীবনীগ্রন্থ: বিপ্লবী রহমান মাস্টার, সীমান্ত সূর্য আব্দুল গাফফার খান।
আলেমনগরের উপকথা: শামসুদ্দীন আবুল কালামের ইতিহাসচেতনাভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৫৪।
শহীদ কাদরী: উত্তরাধিকার কাব্য— ৪০টি কবিতা; প্রকাশ— ১৯৬৭। বিখ্যাত কবিতা— বৃষ্টি বৃষ্টিতে। অন্যান্য কাব্য: তোমাকে অভিবাদন, প্রিয়া; কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই; আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও।
আর্তনাদ: শওকত ওসমানের ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৯৮৫। প্রধান চরিত্র— জাফর।
শওকত আলী: যাত্রা— মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস; কেন্দ্রীয় চরিত্র অধ্যাপক রায়হান। অন্যান্য উপন্যাস: ওয়ারিশ, যেতে চাই, দুই রকম, উত্তরের খেপ।
১৯৫১ সালে রচিত উদয়ন্ত সৈয়দ শামসুল হকের প্রথম গল্প। এটি ফজলে লোহানী রচিত "অগত্যা" পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
"নয়নচারা"-সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৫১ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যান্য গল্পগ্রন্থ হলো- দুই তীর, গল্পসমগ্র ইত্যাদি।
হুমায়ুন আহমেদ: প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস— নন্দিত নরকে (১৯৭২); প্রথম রচিত উপন্যাস— শঙ্খনীল কারাগার (প্রকাশ: ১৯৭৩)। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, জোছনা ও জননীর গল্প, অনিল বাগচীর একদিন, ১৯৭১।
মমতাজউদ্দীন আহমদ: প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক; স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। উল্লেখযোগ্য নাটক: এই সেই কণ্ঠস্বর, হৃদয়ঘটিত ব্যাপার-স্যাপার, স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, কি চাহ শঙ্খচিল, সাত ঘাটের কানাকড়ি, রাক্ষসী, রাজা অনুস্বরের পালা। উপন্যাস: এক যে জোজো এক যে মধুমতী, সজল তোমার ঠিকানা। নাট্যরূপ: জমিদার দর্পণ, রাক্ষুসী দুইবোন, লাল-সবুজের পালা, জোহরা, বিরাজ বউ, বিপরীত স্রোত। সম্পাদনা: লালসালু ও সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, কপালকুণ্ডলা, নীলদর্পণ, মধুসূদনের প্রহসন, সিরাজউদ্দৌলা, শাহনামা কাব্যের গদ্যরূপ।
তার আগে চাই সমাজতন্ত্র - নির্মলেন্দু গুণ রচিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ - মুজিব-লেনিন-ইন্দিরা, - প্রেমাংশুর রক্ত চাই (১৯৭০), - না প্রেমিক না বিপ্লবী (১৯৭২), - কবিতা, - অমিমাংসিত রমণী (১৯৭৩), - দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী (১৯৭৪), - চৈত্রের ভালোবাসা (১৯৭৫), - ও বন্ধু আমার (১৯৭৫), - আনন্দ কুসুম (১৯৭৬), - চাষাভুষার কাব্য (১৯৮১), - অচল পদাবলী (১৯৮২), - পৃথিবীজোড়া গান (১৯৮২), - দূর হ দুঃশাসন (১৯৮৩), - নির্বাচিতা (১৯৮৩), - শান্তির ডিক্রি (১৯৮৪) ইত্যাদি।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা; ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত। নাটক: একঘরে, কল্কি-অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার-পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল-বিজয়। কাব্যগ্রন্থ: আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ), মন্দ্র।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬)— জেলে-জীবনের সুখ-দুঃখের চিত্র; ১৯৩৪ সালে ‘পূর্বাশা’য় ধারাবাহিক প্রকাশ শুরু। অন্যান্য উপন্যাস: দিবারাত্রির কাব্য, চিহ্ন, সোনার চেয়ে দামি, স্বাধীনতার স্বাদ, জননী, অহিংসা, শহরতলী, ইতিকথার পরের কথা, শহরবাসের ইতিকথা।
আহমদ শরীফের প্রবন্ধগ্রন্থ: বিশ শতকের বাঙালি, বিচিত্র চিন্তা, কালের দর্পণের স্বদেশ, স্বদেশ চিন্তা, জিজ্ঞাসা ও অন্বেষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চিন্তা, স্বদেশ অন্বেষা।
শওকত ওসমান: গল্পগ্রন্থ: জন্ম যদি তব বঙ্গে। নাটক: তস্কর লস্কর, আমলার মামলা। উপন্যাস: জাহান্নাম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, পতঙ্গ পিঞ্জর, রাজসাক্ষী, জলাঙ্গী, পুরাতন খঞ্জর, ক্রীতদাসের হাসি, সমাগম, রাজা উপাখ্যান, বনি আদম, জননী।
মোহাম্মদ নজিবর রহমান: বাংলা ভাষার ঔপন্যাসিক। উপন্যাস: আনোয়ারা, চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমনি, পরিণাম, গরীবের মেয়ে, দুনিয়া আর চাই না, মেহেরউন্নিসা, প্রেমের সমাধি।
বেগম রোকেয়া: পদ্মরাগ (১৯২৪)— উপন্যাস; লতিফ ও সিদ্দিকার প্রেমচিত্র রয়েছে। নারীবাদী চিন্তা: মতিচূর (১ম ও ২য় খণ্ড)। উল্লেখযোগ্য রচনা: সুলতানার স্বপ্ন (১৯০৫), পদ্মরাগ (১৯২৪), অবরোধবাসিনী (১৯৩১)।
কায়কোবাদ: মহাশ্মশান— মহাকাব্য; প্রথম প্রকাশ ১৯০৫ সালে, ৩ খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম জীবনের রচনা: বিরহবিলাপ (১৮৭০), কুসুমকানন (১৮৭৩)। অন্যান্য রচনা: শিব মন্দির (১৯২১), অমিয়ধারা (১৯২৩), মহরম শরীফ (১৯৩২)।
নীলদর্পণ: দীনবন্ধু মিত্রের নাটক; ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত। মেহেরপুরের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট এর মূল বিষয়। প্রধান চরিত্র: নবীন মাধব, রাইচরণ, তোরাপ, গোলক বসু। অন্যান্য নাটক: নবীন তপস্বিনী, লীলাবতী, জামাই বারিক, কমলে কামিনী।
আলতাফ মাহমুদ: বাংলাদেশ কবিতাটি তাঁর অনিঃশেষ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া। অন্যান্য কাব্য: কবিতাবলী, উপহার, খসড়া (১৯৩৮), এক মুঠো (১৯৩৯), মাটির দেয়াল (১৯৪২), অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩)।
আমজাদ হোসেন: অবেলায় অসময়— মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। অন্যান্য: যুদ্ধে যাবো, উত্তরকাল, যুদ্ধযাত্রার রাত্রি।
কুন্তীর সন্তান: যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন— যথাক্রমে ধর্ম, পবন ও ইন্দ্রের সন্তান। মাদ্রীর সন্তান: নকুল ও সহদেব— অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের সন্তান।