বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
আলবার্ট আইনস্টাইন-এর ক্ষেত্রে Annus Mirabilis (Miracle Year) বা অলৌকিক বছর বলা হয় ১৯০৫ সালকে। কেন এই বছরটি গুরুত্বপূর্ণ? ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন জার্মান বৈজ্ঞানিক জার্নাল Annalen der Physik-এ চারটি যুগান্তকারী গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। এই প্রবন্ধগুলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে এবং মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে আমূল বদলে দেয়।
১. ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট: আলোর কণা প্রকৃতির ব্যাখ্যা। ২. ব্রাউনীয় গতি (Brownian motion): অণুর অস্তিত্ব প্রমাণ। ৩. বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (Special Relativity): সময় ও স্থান সম্পর্কে নতুন ধারণা। ৪. ভর-শক্তি সমতা: বিখ্যাত সমীকরণ দ্রষ্টব্য: স্যার আইজাক নিউটনের ক্ষেত্রে ১৬৬৬ সালকেও তাঁর 'Annus Mirabilis' বা অলৌকিক বছর বলা হয়।
সম্প্রতি পাস হওয়া ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬’-এর ১৮(ক) ধারাটির ব্যাপারে IMF (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) আপত্তি জানিয়েছে । এই ধারার মাধ্যমে একীভূত বা রুগ্ন ব্যাংকের পুরোনো মালিকরা (যাদের কারণে ব্যাংক দেউলিয়া হয়েছে) পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ পাবেন, যা ব্যাংক খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় বাধা বলে আইএমএফ মনে করে ।
প্রধান আপত্তিগুলো হলো: পুরোনো মালিকদের ফেরা: ১৮(ক) ধারার মাধ্যমে দেউলিয়া ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের পুনরায় ব্যাংক মালিকানায় ফেরার পথ সহজ করা হয়েছে । সংস্কারের বিপরীতমুখী: এটি অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ব্যাংক খাতের সংস্কার কার্যক্রমের পরিপন্থী। বাজেটের অর্থের ব্যবহার: সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে বাজেট থেকে অর্থ ব্যবহারের সরকারি পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে আইএমএফ
অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) সংকটের কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার 'ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড' (ERL)-এর উৎপাদন ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (মঙ্গলবার) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় ।
বন্ধের কারণ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া । শেষ কার্যদিবস: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) বিকেলে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালানো হয় । পুনরায় চালু: নতুন তেলের চালান আসার পর ৭ মে ২০২৬ নাগাদ উৎপাদন পুনরায় চালু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে ।
মার্কিন কৃষি বিভাগ (USDA)-এর তথ্য ও সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ধান (চাল) উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ হলো চীন।
মূল তথ্যসমূহ: প্রথম স্থান: চীন (বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ২৮% বা তার বেশি উৎপাদন করে)। দ্বিতীয় স্থান: ভারত (উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে দ্বিতীয়, তবে চাল রপ্তানিতে শীর্ষ)। তৃতীয় স্থান: বাংলাদেশ। যদিও ২০২৪-২৫ সালের কিছু প্রক্ষেপণে ভারত ও চীনকে সমান পর্যায়ে (৩২.৩%) দেখানো হয়েছে, তবে সামগ্রিক ও দীর্ঘমেয়াদী USDA পরিসংখ্যানে চীনকে প্রধান উৎপাদনকারী হিসেবে ধরা হয়।