বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM) ২০২৫ এর তথ্যমতে, সমুদ্রপথে অনিরাপদ বৈশ্বিক অভিবাসনে বৃহত্তম গোষ্ঠী-
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ২০২৫ সালের তথ্যমতে, সমুদ্রপথে অনিরাপদ বৈশ্বিক অভিবাসনে (বিশেষ করে ইউরোপগামী পথে) আগত অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশী নাগরিকরা বৃহত্তম গোষ্ঠী বা দলে পরিণত হয়েছে ।
মূল তথ্য: সর্ববৃহৎ গোষ্ঠী: বাংলাদেশী নাগরিক । কারণ: সিরীয়দের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাংলাদেশীরা এই শীর্ষে উঠে এসেছে । পরিস্থিতি: ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথে অভিবাসনের সময় প্রায় ৮,০০০ জন মানুষ মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, যার একটি বড় অংশ ইউরোপমুখী সমুদ্রপথে ঘটেছে ।
২১ এপ্রিল, ২০২৬-এ পাকিস্তান নৌবাহিনী নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র 'তৈমুর' (Taimoor)-এর সফল পরীক্ষা চালিয়েছে । এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সমুদ্রের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং এটি পাকিস্তানের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছেপরীক্ষা সম্পর্কে
মূল তথ্য: দেশ: পাকিস্তান । ধরণ: আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র (Air-Launched Cruise Missile) ।
এসআরডিআই-এর সর্বশেষ (২০২৪) শুমারি অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর কৃষি জমি লবণাক্ততায় আক্রান্ত । ২০০৯ সালের তুলনায় দেড় দশকে লবণাক্ত জমির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ হেক্টর বেড়েছে । উপকূলীয় এলাকার পাশাপাশি এখন গোপালগঞ্জ ও যশোরের মতো এলাকায়ও এই সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে উৎপাদনশীলতা ঝুঁকিতে রয়েছে ।
মূল তথ্যসমূহ: আক্রান্ত জমির পরিমাণ: ১১ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর। সময়কাল: ২০২৪-এর শুমারি (২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত তথ্য) । পরিস্থিতি: উপকূলীয় অঞ্চলের পাশাপাশি সমতলের জমিও লবণাক্ততার আওতায় এসেছে । ঝুঁকি: দেশের মাটির অবক্ষয়ের অন্যতম প্রধান কারণ এই লবণাক্ততা, যা ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে । ২০০৯ সালে এই পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ৫৬ হাজার ২০০ হেক্টর ।
সম্প্রতি (এপ্রিল ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী) ইসরায়েলের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অংশীদারিত্ব চুক্তি বা অ্যাসোসিয়েশন এগ্রিমেন্ট স্থগিত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ চিঠি দিয়েছে ৩টি দেশ।
দেশ তিনটি হলো: ১. স্পেন ২. আয়ারল্যান্ড ৩. স্লোভেনিয়া
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট -এর ২০২০ সালের (প্রকাশিত ২০২২) সর্বশেষ গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৭৬.২ শতাংশ (১.১২৪ কোটি হেক্টর) মাঝারি থেকে অতি তীব্র ধরনের ভূমি অবক্ষয়ের শিকার।
গবেষণার মূল তথ্যসমূহ: মোট অবক্ষয়িত ভূমি: ১.১২৪ কোটি হেক্টর (মোট ভূমির প্রায় ৭৬.২%)। অবক্ষয়ের ধরন: প্রধানত পুষ্টি উপাদান হ্রাস, জৈব পদার্থের ঘাটতি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, মাটির অম্লতা, এবং নদীভাঙন। পূর্বের তুলনায় অবস্থা: ২০০০ সালের তুলনায় ২০২০ সালে অবক্ষয়িত জমির পরিমাণ প্রায় ৫৪ লাখ হেক্টর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ERL) বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার, যা বছরে প্রায় ১৫ লাখ (১.৫ মিলিয়ন) মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল (Crude Oil) পরিশোধন করার ক্ষমতা রাখে।
মূল তথ্য: বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা: প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন বা ১৫ লক্ষ টন। সর্বশেষ রেকর্ড (FY25): ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইস্টার্ন রিফাইনারি তাদের সক্ষমতা ছাড়িয়ে প্রায় ১৫.৩৫ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করেছে।
'বিশ্ব ধরিত্রী দিবস' (Earth Day) প্রতি বছর ২২ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী পালিত হয় । পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭০ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে । বর্তমানে ১৯৩টিরও বেশি দেশে এই দিনটি উদযাপিত হয় ।
মূল তথ্য: তারিখ: ২২ এপ্রিল (প্রতি বছর)। উদ্দেশ্য: পরিবেশ রক্ষা ও দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার ।
'থাড' (THAAD - Terminal High Altitude Area Defense) হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, যা বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরে স্বল্প, মাঝারি ও মধ্যবর্তী পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম । এটি বিস্ফোরক ছাড়াই সরাসরি আঘাতের মাধ্যমে (hit-to-kill) লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে এবং মূলত শত্রু ক্ষেপণাস্ত্রের শেষ পর্যায়ে কাজ করে [২]। থাড (THAAD) সম্পর্কে
মূল তথ্য: পুরো নাম: টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স । কাজ: এটি বায়ুমণ্ডলের ভেতরে (Endo-atmospheric) এবং বাইরে (Exo-atmospheric) উভয় স্থানেই ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংস করতে পারে ।
অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় এটি বন্ধ করা হয়েছিল। আগামী জুন ২০২৬ থেকে ঢাকা-টোকিও রুটে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে । বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, এটি একটি লাভজনক রুট হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় পুনরায় চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । বর্তমানে এই রুটের প্রয়োজনীয় স্লট ও সময়সূচি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে ।
মূল বিষয়সমূহ: ফ্লাইট শুরুর সময়: জুন ২০২৬ (নির্দিষ্ট তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে) । রুট: ঢাকা-টোকিও । উদ্যোগ: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এই ফ্লাইট পরিচালনা করবে এবং ১৪টি নতুন বোয়িং বিমান কেনার প্রক্রিয়া চলছে ।