বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৬৮৮+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর 2 (ক্যাডমিয়াম)
ব্যাখ্যা:

২০২৫-২০২৬ সালের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলীয় এলাকার (যেমন- বাকখালী নদী, মহেশখালী চ্যানেল, নাফ নদী) নদী ও মোহনার পলিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিষাক্ত ধাতু হলো ক্যাডমিয়াম (Cd)।

এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো: সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধাতু: ক্যাডমিয়াম (Cadmium)। কেন এটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণায় দেখা গেছে, এখানকার পলিতে ক্যাডমিয়ামের মাত্রা অনেক বেশি, যা অত্যন্ত উচ্চ পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে।

প্রধান উৎস: শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য, জাহাজ ভাঙা শিল্প, নগর পয়োনিষ্কাশন এবং কৃষিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক থেকে এই ভারী ধাতুগুলো পলিমাটিতে জমছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা: বাকখালী নদী এবং মহেশখালী চ্যানেল বর্তমানে এই ধাতু দূষণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ক্যাডমিয়াম ছাড়াও সীসা (Pb), ক্রোমিয়াম (Cr), নিকেল (Ni), এবং কপার (Cu)-এর উচ্চ উপস্থিতি পাওয়া গেছে, তবে পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনায় ক্যাডমিয়াম সবচেয়ে উদ্বেগজনক।

সঠিক উত্তর 3 (বাংলাদেশ)
ব্যাখ্যা:

বিশ্বে বর্তমানে সর্বোচ্চ LEED (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন) সার্টিফাইড বা পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারখানা বাংলাদেশে অবস্থিত। ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব পোশাক কারখানার বিশ্বসেরা তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে।

মূল তথ্য: সর্বোচ্চ কারখানার দেশ: বাংলাদেশ (মোট ২৮০টি LEED সার্টিফাইড কারখানা)। সার্টিফিকেশন ধরন: এই কারখানাগুলোর মধ্যে ১১৮টি প্লাটিনাম এবং ১৪৩টি গোল্ড রেটিং প্রাপ্ত। বিশ্বসেরা ১০০-এর মধ্যে: বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি পরিবেশবান্ধব কারখানার মধ্যে ৫২টিই বাংলাদেশে অবস্থিত।

সঠিক উত্তর 1 (রাশিয়া)
ব্যাখ্যা:
গ্লোনাস (GLONASS - Global Navigation Satellite System) হলো রাশিয়ার মালিকানাধীন ও পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম । এটি রাশিয়ার মহাকাশ বাহিনী দ্বারা পরিচালিত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিপিএস (GPS) এর একটি প্রধান বিকল্প হিসেবে বিশ্বব্যাপী অবস্থান ও সময় নির্ণয়ের সেবা প্রদান করে ।
সঠিক উত্তর 1 (বেভারিজ রিপোর্ট)
ব্যাখ্যা:
১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত 'বেভারিজ রিপোর্ট'কে।
সঠিক উত্তর 2 (২০২৩ সালে)
ব্যাখ্যা:

ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত বিস্তৃত 'বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন' (Bangladesh-India Friendship Pipeline) আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮ মার্চ ২০২৩ সালে চালু হয়।

মূল তথ্য: উদ্বোধন: ১৮ মার্চ ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে ভার্চ্যুয়ালি এটি উদ্বোধন করেন। দৈর্ঘ্য: পাইপলাইনটির মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার, যার মধ্যে ১২৬.৫৭ কিলোমিটার বাংলাদেশে এবং ৫ কিলোমিটার ভারতে অবস্থিত।

সঠিক উত্তর 2 (১৫৯ লিটার)
ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, এক ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল সমান ১৫৮.৯৮৭ লিটার (প্রায় ১৫৯ লিটার) । এই পরিমাপটি সাধারণত ৪২ ইউএস গ্যালন-এর সমতুল্য । মূল তথ্য: ১ ব্যারেল = ১৫৮.৯৮৭ লিটার (প্রায় ১৫৯ লিটার) [১০]। ১ ব্যারেল = ৪২ মার্কিন গ্যালন (US Gallon) ।
সঠিক উত্তর ক (ভোপাল গ্যাস ট্র্যাজেডি)
ব্যাখ্যা:
পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ভোপালে ঘটা ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (Bhopal Gas Tragedy)-কে বিবেচনা করা হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ১৯৮৪ সালের ২-৩রা ডিসেম্বর রাতে ভোপালে অবস্থিত 'ইউনিয়ন কার্বাইড ইন্ডিয়া লিমিটেড' (UCIL) নামক কীটনাশক কারখানা থেকে বিষাক্ত মিথাইল আইসোসায়ানেট (MIC) গ্যাস লিক হওয়ার ফলে ঘটেছিল।
সঠিক উত্তর 1 (২৪ এপ্রিল, ২০১৩)
সঠিক উত্তর 1 (মিসর)
ব্যাখ্যা:

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ খেজুর উৎপাদনকারী দেশ মিশর । শীর্ষ উৎপাদনকারী: মিশর (বার্ষিক প্রায় ১৭% এর বেশি উৎপাদন করে) ।

প্রধান উৎপাদনকারী দেশসমূহ: মিশর, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, ইরান এবং ইরাক । মোট উৎপাদন: বিশ্বে প্রতি বছর ৯৫ লাখ টনের বেশি খেজুর উৎপাদিত হয় । মিশর বর্তমানে বার্ষিক প্রায় ১.৮ মিলিয়ন টনের বেশি খেজুর উৎপাদন করে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ।

সঠিক উত্তর 2 (সংসদে আইন প্রণয়নে ভোট দেওয়া)
ব্যাখ্যা:

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে সংসদে আইন প্রণয়নে ভোট দেওয়া প্রযোজ্য নয় । বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৩(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য না হওয়ায় তারা সংসদে বক্তব্য দিতে ও কার্যক্রমে অংশ নিতে পারলেও ভোট দিতে পারেন না ।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের সম্পর্কে মূল তথ্য: সংজ্ঞা: সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য না হয়েও বিশেষ যোগ্যতার কারণে মন্ত্রী (সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ)। সীমাবদ্ধতা: কেবল নিজ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদে বক্তব্য দিতে পারেন এবং ভোটাধিকার নেই । পদত্যাগ: জাতীয় নির্বাচনের আগে বা সংসদ ভেঙে যাওয়ার ৯০ দিন আগে তাদের পদত্যাগ করতে হয় । দ্রষ্টব্য: তারা মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিতে পারেন এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেন, তবে ভোটাধিকার প্রযোজ্য নয় ।

সঠিক উত্তর 2 (ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি)
ব্যাখ্যা:

দেশের ৫৭তম সরকারি (পাবলিক) ও ৫ম স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় হলো ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ (Dhaka Central University) । রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে নিয়ে গঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাদেশ ২০২৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয় এবং পরবর্তীতে ১০ এপ্রিল সংসদে বিল পাস হয় । এটি ঢাকা মহানগরীতে অবস্থিত একটি বিশেষায়িত বা ফেডারেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ।

মূল তথ্যসমূহ: নাম: ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (DCU) মর্যাদা: ৫৭তম পাবলিক ও ৫ম স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তি: রাজধানীর সরকারি ৭ কলেজ অধ্যাদেশ জারি: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সঠিক উত্তর ক (এভারেস্টে নদাইশিমিয়ে)
ব্যাখ্যা:
২০২৬ সালের এপ্রিল অনুযায়ী, আফ্রিকান ইউনিয়নের (AU) বর্তমান চেয়ারপারসন হলেন বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট এভারিস্ট এনদাইশিমিয়ে (Evariste Ndayishimiye)। কার্যকাল: তিনি ২০২৬ সালের জন্য এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত ৩৯তম আফ্রিকান ইউনিয়ন সামিটে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হয়। পূর্বসূরি: তিনি অ্যাঙ্গোলার জোয়াও লরেন্সোর (João Lourenço) কাছ থেকে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের চেয়ারপারসন হলেন মাহমুদ আলী ইউসুফ।
সঠিক উত্তর 2 (থাইল্যান্ড)
ব্যাখ্যা:
মালাক্কা প্রণালির বিকল্প হিসেবে প্রস্তাবিত 'ক্রা খাল' (Kra Canal) বা 'থাই খাল' প্রকল্পটি থাইল্যান্ডের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্গত । এই প্রকল্প দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ক্রা যোজক (Kra Isthmus) বা সরু ভূখণ্ড কেটে আন্দামান সাগর ও থাইল্যান্ড উপসাগরকে সংযুক্ত করার একটি পরিকল্পনা, যা মালাক্কা প্রণালির ওপর নির্ভরশীলতা কমাবে ।
সঠিক উত্তর 2 (১০০৮টি)
ব্যাখ্যা:
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের (২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে নদ-নদীর সংখ্যা ১,০০৮টি । এই তালিকা অনুযায়ী, শাখা-প্রশাখাসহ এ নদীগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২২,১৫৫ কিলোমিটার । তবে নদী রক্ষা কমিশন কর্তৃক ৯০৭টি নদীর তথ্যের কথাও বিভিন্ন সময় প্রতিবেদনে উঠে এসেছে । সবচেয়ে বেশি নদী: সুনামগঞ্জ জেলায় (৯৭টি) । সর্বাধিক নদীপ্রবাহ বিভাগ: ঢাকা (২২২টি)।
সঠিক উত্তর 3 (৩৩তম)
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের ক্লাবের গর্বিত সদস্য । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হস্তান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছে ।

মূল তথ্য: ক্লাব সদস্যপদ: ৩৩তম দেশ । কেন্দ্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (RNPP)। ভিত্তি: রাশিয়ার সহায়তায় ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে । এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরমাণু যুগে প্রবেশ করেছে এবং বিশ্বের বুকে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছে।

সঠিক উত্তর 3 (জিলবাংলা চিনির কল)
ব্যাখ্যা:
জামালপুরের জিলবাংলা চিনির কল
সঠিক উত্তর 3 (PCA)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration - PCA) । ২০১৪ সালের ৭ জুলাই এই আদালত মামলার রায় প্রদান করে, যার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমানা বিরোধের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা লাভ করে । মূল তথ্যসমূহ: সংস্থা: স্থায়ী সালিশি আদালত (PCA) । মামলা দায়ের: ৮ অক্টোবর ২০০৯ । রায় প্রদান: ৭ জুলাই ২০১৪ । ফলাফল: বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার সামুদ্রিক অঞ্চল পায় ।
সঠিক উত্তর 3 (১৩তম)
ব্যাখ্যা:

সমুদ্রের আয়তনের দিক থেকে ১৫১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নিচের দিক থেকে ১৩তম স্থানে রয়েছে।

মূল তথ্যসমূহ: ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের পর বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি টেরিটোরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকায় অধিকার লাভ করে।

সঠিক উত্তর 2 (প্রায় ৬০%)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৫৯ শতাংশ থেকে ৬০.৬ শতাংশ জমি আবাদযোগ্য বা কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হয় । বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৮৮ লাখ হেক্টরের বেশি জমি আবাদযোগ্য যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ কৃষি জমির অনুপাত । তবে নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে এই জমি ক্রমাগত কমছে । কৃষিজমি সংক্রান্ত মূল তথ্যসমূহ: আবাদযোগ্য জমি: ৫৯% - ৬০.৬% । বনভূমি: প্রায় ১৭.৪% । জলাভূমি: প্রায় ২০% । ফসলি জমির পরিমাণ: ৭.২৯ মিলিয়ন হেক্টরের বেশি । দ্রষ্টব্য: বিভিন্ন জরিপে এই সংখ্যার সামান্য তারতম্য হতে পারে, তবে তা ৬০ শতাংশের কাছাকাছি।
প্যাকেজ প্রয়োজন